বোলিং আক্রমণই বেশি চাপে?

ক্রীড়া প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম থেকে

নিয়মিত একাদশের তিন বোলার নেই। আরও একজনকে পাওয়া যাবে কিনা তা নিয়ে আছে সংশয়। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে নামার আগে সবচেয়ে বেশি চিন্তার নাম হতে যাচ্ছে বোধহয় বোলিং বিভাগ।

চট্টগ্রাম এসে টানা দুদিন নিবিড় অনুশীলন করে শ্রান্ত বাংলাদেশ দল বুধবার দলের কোন কার্যক্রমই রাখেনি। করোনাভাইরাসের বিধিনিষেধ উঠে যাওয়ায় ক্রিকেটারদের নাগাল পেতে টিম হোটেলে গণমাধ্যমের প্রবেশাধিকার ছিল।

সেখানে দুপুর পর্যন্ত কারো দেখা নেই। হালকা জিম শেষে শরীরকে আরাম দিতে সবাই তখন নিজ নিজ কক্ষে বিশ্রামে। দুপুর বেলা লবিতে নেমে আসেন তরুণ পেসার রেজাউর রহমান রাজা।

চোটে পড়ে আগে থেকেই স্কোয়াডে নেই তাসকিন আহমেদ ও মেহেদী মিরাজ। সাকিব আল হাসান কোভিড-১৯ পজিটিভ হওয়ায় নেই দলের সঙ্গে। দলে থাকা শরিফুল ইসলামও পুরো ফিট কিনা তা নিয়ে সামান্য সংশয় কাজ করছে।

এতজন না থাকলেও রাজার একাদশে ঠাঁই পাওয়া কঠিন। ইবাদত হোসেন ও খালেদ আহমেদ সামলাবেন পেস আক্রমণের ভার। স্পিনে আছেন তাইজুল ইসলাম, নাঈম হাসানরা। তবে ঘরের মাঠে একটি বাড়তি স্পিন অপশনের ঘাটতি দেখা দিতে পারে বড় হয়ে। মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত খেললে তিনি বিবেচিত হন ব্যাটিং অলরাউন্ডার হিসেবে।

তবে পেসার রাজা জানালেন, মিরাজ-সাকিব-তাসকিনরা না থাকার ঘাটতি ইতিবাচকভাবেও মিটতে পারে, 'যেহেতু তারা আমাদের সেরা খেলোয়াড়, তারা থাকলে আমাদের বাড়তি সুবিধা থাকত। যারা ওদের বদলে খেলবে মুখিয়ে থাকবে যে কীভাবে ভাল পারফরম্যান্স করে দলকে লম্বা সার্ভিস দেওয়া যায়।'

সবচেয়ে অভিজ্ঞ হিসেবে বাঁহাতি স্পিনার তাইজুলকে নিতে হবে বড় দায়িত্ব। মিরাজের জায়গায় সুযোগ পেলে নাঈমকে লেট অর্ডারে ব্যাট হাতেও ভূমিকা নিতে হবে। বাকিদের হয়ে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে রাজা জানালেন, ঘাটতি পূরণে দলের সবাই প্রস্তুত।