আগ্রাসী ব্যাটসম্যানদের বিপক্ষে বল করতে ভালো লাগে নাসুমের
পাওয়ার প্লের মধ্যে বল করতে এসে প্রথম ২ ওভারে দেন মাত্র ৩ রান। দল যখন চাপে ১৪তম ওভারে ফিরে ১ রান নিয়ে নেন ২ উইকেট। নিজের শেষ ওভারে ৫ রান দিয়ে পান আন্দ্রে রাসেলের উইকেট। শনিবার নাসুম আহমেদের দুর্ধর্ষ বোলিংয়ের কোন জবাব দিতে পারেননি মিনিস্টার ঢাকা। চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের জয়ের নায়ক ম্যাচ শেষে বললেন আগ্রাসী ব্যাটসম্যানদের বিপক্ষেই চ্যালেঞ্জ নিতে ভালোবাসেন তিনি।
১৬১ রানের পুঁজি নিয়ে প্রথম ওভারেই বল হাতে নেন নাসুম। বাঁহাতি তামিমকে চেপে ধরে ওই ওভার থেকে দেন মাত্র ২ রান। তৃতীয় ওভারে তার বল থেকে ১ রানের বেশি নিতে পারেননি তামিম-শেহজাদ।
১৩ ওভার শেষে ঢাকার রান যখন ৩ উইকেটে ৮২। তখন ফের আক্রমণে আসেন নাসুম। তার প্রথম বলেই কাট করতে গিয়ে কিপারের গ্লাভসে জমা পড়েন নাঈম শেখ। ওভারের পঞ্চম বলে মাহমুদউল্লাহ এগিয়ে এসে উড়াতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ধরা দেন লংঅনে। তখনই ম্যাচ হেলে আসে চট্টগ্রামের দিকে।
নিজের শেষ ওভারে নাসুম নেন সবচেয়ে বড় উইকেট। খাদে পড়া ঢাকাকে জেতাতে পারতেন যিনি সেই রাসেলকে শিকার ধরেন নাসুম। নাসুমের বল উড়াতে গিয়ে টপ এজ হয়ে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন রাসেল। জয় তখন একদম মুঠোতে চলে আসে চট্টগ্রামের।
ম্যাচ শেষে এই বাঁহাতি স্পিনার জানালেন, মেরে খেলা ব্যাটসম্যানদের বিপক্ষেই চ্যালেঞ্জ নিতে ভালো লাগে তার, 'যারা বেশি মেরে খেলে তাদেরকে বল করতে আমার বেশ ভালো লাগে। আমি ওদেরকে খুব ভালো রিড করতে পারি। আমার কাছে খুব ভালো লাগে।'
টি-টোয়েন্টিতে নাসুমের পরিকল্পনাই থাকে ডট বল চাপ বাড়ানো। সেই পথেই আসে উইকেট। পাওয়ার প্লের মধ্যে এই দায়িত্ব পালন বেশ উপভোগ্য তার, 'আমি আমার বোলিংটা খুব বেশি উপভোগ করেছি। অনেক ডট বল দিয়েছি এজন্য ভালো লাগছে। আমি টি-টোয়েন্টিতে বোলিং করতে খুব উপভোগ করি। বিশেষ করে পাওয়ার প্লে'তে বল করতে বেশ ভালো লাগে।'