৪ বছরেও রাজউকের প্রাথমিক বরাদ্দের ৫২ একর জমি পায়নি ঢাবি
আইনি জটিলতার কারণে ২০১৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য বরাদ্দকৃত ৫২ একর জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া ৪ বছর ধরে থমকে আছে। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) সেসময় পূর্বাচলে দ্বিতীয় ক্যাম্পাস নির্মাণের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে জমির অস্থায়ী বরাদ্দপত্র দিয়েছিল।
অনুসন্ধানে জানা যায়, আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে নতুন প্লট তৈরির মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ ৮৪টি প্রতিষ্ঠানকে জমি বরাদ্দ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল রাজউক। বিষয়টি নজরে এলে প্রাতিষ্ঠানিক প্লট হস্তান্তরের প্রক্রিয়া স্থগিত রাখার নির্দেশ দেন উচ্চ আদালত।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গঠিত নাথান কমিশনের রিপোর্টে ৫৮০ একর জমি বিশ্ববিদ্যালয়কে দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছিল। ১৯২১ সালে প্রায় ৬০০ একর এলাকা নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। কিন্তু ওই সময় সব জমি বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে রেজিস্ট্রেশন করে দেওয়া হয়নি। পরবর্তীতে ১৯২৭ সালে, একটি সরকারি কমিশন ২৫৭ একর অনুমোদনের প্রস্তাব করলেও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে শেষ পর্যন্ত ২৫২ একর জমি বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
সরকারি কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী ১৯৩৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক এ এফ রহমান এবং সেক্রেটারি অব স্টেট ফর ইন্ডিয়া ইন কাউন্সিল এম এম স্টুয়ার্টের মধ্যে একটি চুক্তি সই হয়। চুক্তি অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়কে ২৫২ একর ৭০ শতাংশ জমি দেওয়া হয়।
১৯৪৭ সালে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর বিভাগ, শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারির সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। ১৯৪৭ পরবর্তী প্রতিটি কনভোকেশনে বিশ্ববিদ্যালয়কে জমি দেওয়ার দাবি জানানো হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রমাগত দাবির মুখে ১৯৫০ সালে ভূমি সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে গঠন করা হয় বিচারপতি ফজলে আকবর কমিশন। কমিশনের রিপোর্টে বলা হয়, ২৫৭ একর জমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য অপ্রতুল। রিপোর্টে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও ৬৩ একর জমি দেওয়ার জন্য সুপারিশ করা হয়।
কিন্তু সেই সুপারিশ কখনোই বাস্তবায়িত হয়নি।
পরবর্তী সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়কে জমি তো দেওয়া হয়ইনি, বরং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এস্টেট অফিসের হিসেব অনুসারে, প্রতিষ্ঠার পর থেকে, ব্রিটিশ আমল, পাকিস্তান আমল এবং এমনকি স্বাধীন বাংলাদেশেও এর প্রায় ৫৭ একর জমি পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন সরকার অধিগ্রহণ করে।
অধিগ্রহণকৃত জমির মধ্যে আছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ, বুয়েট, বদরুন্নেসা কলেজ, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন, জাতীয় জাদুঘর, আনন্দবাজার, ফুলবাড়িয়া, নীলক্ষেত ও আনন্দবাজার পুলিশ ফাঁড়ির অংশ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নিজস্ব অর্থে গ্রীন রোড, আজিমপুরে কিছু জায়গা কিনেছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের আদি জমি, সরকার থেকে বরাদ্দপ্রাপ্ত জমি, ক্রয়কৃত জমি মিলিয়ে বর্তমানে মোট জমির পরিমান ২৭৫ দশমিক ০৮ একর। এর মধ্যে শহীদ বুদ্ধিজীবী অধ্যাপক গোবিন্দ চন্দ্র দেব দানকৃত সাড়ে ৭ কাঠা জমি জমি বেদখল এবং গ্রিন রোডের দশমিক ৬৬ একর জমি নিয়ে চলছে মামলা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের বেহাত হয়ে যাওয়া সম্পত্তি পুনরুদ্ধার করতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ গত ৮৫ বছর ধরে চেষ্টা চালিয়ে আসছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে জমি হস্তান্তরের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও এক্ষেত্রে অগ্রগতি খুবই সামান্য। গত ৩ দশক ধরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অধিগ্রহণকৃত জমি ফিরিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি ঢাকা শহরের উপকণ্ঠে দ্বিতীয় ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠার জন্য জমি বরাদ্দের দাবি জানিয়ে আসছে।
এক শতাব্দী আগে ঢাবি যখন যাত্রা শুরু করেছিল, তখন ৮৭৭ জন শিক্ষার্থী, ৬০ জন শিক্ষক এবং ১২টি বিভাগ ছিল। সময়ের সঙ্গে যার সংখ্যা বেড়েছে এবং এখন প্রায় ৩৭ হাজার শিক্ষার্থী, ১৯৯২ শিক্ষক, ৮৩টি বিভাগ, ১৩টি ইনস্টিটিউট এবং ৫৬টি গবেষণা কেন্দ্র এবং ব্যুরো রয়েছে।
কলেবর বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে প্রয়োজন ছিল আরও জমির। নব্বই এর দশক থেকে, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ একটি দ্বিতীয় ক্যাম্পাস নির্মাণের জন্য রাজধানীর উপকণ্ঠে আরও জমির দাবি উত্থাপন শুরু করে, বিভিন্ন সরকারি উচ্চপদস্থদের সঙ্গে একাধিক বৈঠকও হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মতে, সরকার বিভিন্ন সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জমি অধিগ্রহন করেছে, কিন্তু ক্ষতিপূরণ দেয়নি। তাই বিশ্ববিদ্যালয়কে দ্বিতীয় ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠার জন্য ভূমি যেন ক্ষতিপূরণ হিসাবে বরাদ্দ দেওয়া হয়।
দ্বিতীয় ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠার জন্য ১৯৯৩, ২০০৮ ও ২০১৭ সালে ঢাকা শহরের উপকণ্ঠে জমি বরাদ্দের দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পাঠায়। ১৯৯৩ সালের প্রথমদিকে সরকারের পক্ষ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে জমির ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব পাঠাতে বলা হয়। ওই বছরের ২৮ জুলাই শিক্ষা সচিবের কাছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক এমাজউদ্দিন আহমদের লেখা এক চিঠিতে সরকারের অধিগ্রহণকৃত ৫৭ একর জমি এবং বিচারপতি ফজলে আকবর কমিশনের সুপারিশকৃত ৬৩ একর—মোট ১২০ একর জমি ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানান।
বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৭-২০০৮ সালে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের পরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য তৎকালীন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক এএফএম ইউসুফ হায়দারের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করে।
আফম ইউসুফ হায়দার দ্য ডেইলি স্টারকে জানান, জমি বরাদ্দের জন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কয়েকবার সভা হয়েছিল। তখন প্ল্যান জমা দিতে পরামর্শ দেওয়া হয়। তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তখন একটি কমিটির মাধ্যমে দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের প্ল্যান তৈরি করে। প্ল্যানটি জমা দেওয়ার সময় পূর্ত মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সভা হয়েছিল। ২০০৮ সালের নির্বাচনের কয়েক মাস আগে প্ল্যান জমা দেওয়া হয়েছিল।
তবে ২০০৯ সালে নতুন সরকার আসার পর বিষয়টি চাপা পড়ে যায়, বলেন তিনি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ২০১৭ সালের নভেম্বর মাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠার জন্য ১০০ একর জমি বরাদ্দের অনুরোধ জানায় রাজউককে। রাজউকের ২০১৮ সালের অষ্টম বোর্ডসভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে ৫১ দশমিক ৯৯ একর জমি দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
বোর্ড সভার সিদ্ধান্ত অনুয়াযী ২০১৮ সালের ২১ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে সাময়িক নির্বাচন পত্র প্রদান করে। সাময়িক নির্বাচন পত্রে উল্লেখ করা হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রতি কাঠা জমির জন্য ১৫ লাখ টাকা পরিশোধ করতে হবে।
তবে এটি করা হয়েছিল ৫ বছর আগের একটি আইনি জটিলতার মীমাংসা না করেই।
পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে অভিযোগে ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বেলাসহ ৮টি পরিবেশবাদী সংগঠন রাজউকের বিরুদ্ধে রিট করেছিল।
পরিবেশবাদীদের অভিযোগ, রিভাইসড প্ল্যানে রাজউক বন, টিলা ও জলাশয়ের স্থানে পরিবেশগত সমীক্ষা ও ছাড়পত্র ছাড়াই ক্রমাগত নতুন-নতুন প্লট তৈরি করছিল। এই মামলায় ২০১৭ সালের ২ ফেব্রুয়ারি আদালত নির্দেশ দেয়, আদালতের অনুমতি ছাড়া পূর্বাচল প্রকল্পের নকশায় কোনো পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংযোজন বিযোজন করা যাবে না। আদালতের এই নির্দেশনার পর ২০১৭ সালের জুন মাসে রাজউক আবার পূর্বাচলের প্ল্যান পরিবর্তনের উদ্যোগ নেয়। তৈরি করে পূর্বাচলের ৫ম রিভাইসড প্লান। তৈরি করা হয় ৮৪টি নতুন প্রাতিষ্ঠানিক প্লট। নতুন সৃষ্ট প্রতিষ্ঠানিক প্লটগুলো ৭টি ক্যাটাগরির মধ্যে সামাজিক অবকাঠামো ক্যাটগরিতে ৩৯টি, নার্সারি স্কুল ক্যাটগরিতে ১১টি, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্যাটগরিতে ৪টি, সেকেন্ডারি স্কুল ক্যাটাগরিতে ৭টি, কলেজ-ইনস্টিটিউট ক্যাটাগরিতে ১৬টি, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাটগরিতে ৫টি এবং হাসপাতাল ক্যাটগরিতে ২টি প্লট বরাদ্দ করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাটগরিতে বরাদ্দ প্রাপ্ত অন্যতম প্রতিষ্ঠান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
এ ব্যাপারে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) নির্বাহী প্রধান সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ডেইলি স্টারকে জানান, চতুর্থ রিভাইসড প্ল্যানে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র এবং একটি আইকনিক টাওয়ার নির্মাণের পরিকল্পনা করেছিল রাজউক। আদালত শুধু আইকনিক টাওয়ার নির্মাণের অনুমতি দেয় এবং প্ল্যানে আর কোনো পরিবর্তন না আনতে নির্দেশ দেয়। কিন্তু রাজউক এরপর আবার প্ল্যানে পরিবর্তন আনে। স্কুল কলেজের মাঠ বাদ দেওয়া হয়। জলাভূমি সংকোচন করা হয়। পার্কের আয়তন ছোট করা হয়। এভাবে স্কুল-কলেজের মাঠ, পার্ক ও জলাভূমি সংকোচন করে রাজউক কিছু নতুন প্লট তৈরি করে। এই প্লটগুলো বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়, যার অধিকাংশই ছিল প্রাইভেট প্রতিষ্ঠান। এভাবে মাঠ, পার্ক ও জলাভূমি সংকোচন করে তৈরি করা পূর্বাচলের প্রকল্পের ৫ম রিভাইসড প্ল্যাান অনুমোদনের জন্য রাজউক নিজেরা ২০১৮ সালে আদালতে উপস্থাপন করলে আদালত ৮৪টি প্রাতিষ্ঠানিক প্লট হস্তান্তর কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা জারি করে।
সবশেষ কী অবস্থা তা জানার জন্য যোগাযোগ করা হলে, ঢাবি এবং রাজউক কোনও পক্ষই তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করেনি।
এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, রাজউক থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে পূর্বাচলে জমি হস্তান্তরের প্রস্তাব দিয়েছে। আমরা এখন টাকা সংগ্রহের চেষ্ঠা করছি। পূর্বাচলে নতুন ক্যাম্পাসে কিছু কিছু একাডেমিক প্রতিষ্ঠান স্থানান্তর করা হবে। জমি পাওয়ার পর এ ব্যাপারে একটি মাস্টার প্ল্যান করা হবে।
রাজউক চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে গত বছরের ১৮ অক্টোবর প্রথমে এই লেখককে তথ্যের জন্য আবেদন করতে বলা হয়। পরে, এটি রাজউকের সম্পদ এবং জমি দেখাশোনাকারী একজন সদস্যের কাছে বিষয়টি রেফার করে। সেখান থেকে বিষয়টি পরিচালকের (এস্টেট অ্যান্ড ল্যান্ড) কাছে পাঠানো হয় যিনি উপ-পরিচালকের কাছে পাঠান এবং পরে সহকারী উপ-পরিচালকের কার্যালয়ে পাঠান।
এরপর প্রাসঙ্গিক তথ্য চেয়ে তথ্য অধিকার আইনে একটি আবেদন করা হয়। গত ৯ নভেম্বর রাজউক চেয়ারম্যান ফোন করে বলেন, বিষয়টি নিয়ে তিনি ব্যক্তিগতভাবে কথা বলতে চান।
ওই মাসের শেষের দিকে রাজউকের চেয়ারম্যান এ বি এম আমিন উল্লাহ নূরী জানান, আদালতে একটি মামলা চলমান থাকায় পূর্বাচলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে বরাদ্ধকৃত জমি রেজিস্ট্রি করে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বেলাসহ ৮টি পরিবেশবাদী সংগঠন মামলাটি করেছে।
বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এমিরিটাস অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পত্তি ও দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের উদ্যোগ প্রসঙ্গে বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের ভাবনা অবাস্তব। বিশ্ববিদ্যালয়কে সম্প্রসারণ করতে হবে ক্যাম্পাসের আশেপাশে। তাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য জরুরি হচ্ছে বেহাত হয়ে যাওয়া সম্পত্তি পুনরুদ্ধার করা এবং পুনরুদ্ধারকৃত সম্পত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়কে সম্প্রসারণ করা।