সেনেগাল থেকে আনা ৩০টি পাখির ঠাঁই হলো বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে
পশ্চিম আফ্রিকার দেশ সেনেগাল থেকে আনা ২ জাতের ৩০টি পাখির ঠাঁই হয়েছে গাজীপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে।
বাংলাদেশ বন বিভাগের বন্য প্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ সাফারি পার্ক কর্তৃপক্ষকে পাখিগুলো দিয়েছে।
সোমবার রাতে পাখিগুলো আনার পর সেগুলোকে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে।
সাফারি পার্ক কর্তৃপক্ষ দ্য ডেইলি স্টারকে জানান, সম্প্রতি ঢাকার একটি প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন জাতের ২ হাজারের বেশি পাখি আমদানি করে। এর মধ্যে ৫৮টি পাখির অনাপত্তি সনদ না থাকায় বিমানবন্দরের কাস্টমস কর্তৃপক্ষ সেগুলো আটকে দেয়। কাস্টমসের তত্ত্বাবধানে থাকার সময় প্রচণ্ড গরম ও প্রতিকূল পরিবেশের কারণে প্রায় অর্ধেক সংখ্যক পাখি মারা যায়।
সাফারি পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সহকারী বন সংরক্ষক তবিবুর রহমান দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'পার্কে মোট ৩৫টি পাখি আনা হয়েছিল। এর মধ্যে ৫টি মারা গেছে। বাকিগুলো সুস্থ আছে।'
পার্ক কর্তৃপক্ষ বলছে, আশ্রয় পাওয়া পাখিগুলো ওয়েস্টার্ন প্লেইনটেইন ইটার ও গ্রিন ক্রিস্টেড টুরাকো জাতের।
এর মধ্যে ওয়েস্টার্ন প্লেইনটেইন ইটার জাতের পাখিগুলো গ্রীষ্মমণ্ডলীয় পশ্চিম আফ্রিকার উন্মুক্ত উডল্যান্ড আবাসস্থলের আবাসিক প্রজননকারী। এগুলো ২ থেকে ৩টি ডিম পাড়ে। এদের লেজ কমপক্ষে ৫০ সেন্টিমিটার লম্বা হয়ে থাকে। এই প্রজাতির পাখিগুলো বিশেষ করে ডুমুর, বীজ এবং অন্যান্য উদ্ভিজ্জ খাবার খেয়ে থাকে। পশ্চিম আফ্রিকায় এরা খুব পরিচিত।
গ্রিন ক্রিস্টেড টুরাকোর গায়ের রঙ উজ্জ্বল সবুজ ও নীল। চোখের চারপাশ লাল ও সাদা বর্ণে মোড়ানো। একটি বড় টুরাকো ৪০ থেকে ৪৩ সেন্টিমিটার লম্বা হয়। ওজন হয় ২২৫ থেকে ২৯০ গ্রামের মধ্যে। এগুলো রেইন ফরেস্টে বসবাস করতে পছন্দ করে।