১৬ বছরে মাছের উৎপাদন বেড়েছে দ্বিগুণেরও বেশি: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

স্টার অনলাইন রিপোর্ট

১৬ বছরের ব্যবধানে দেশে মাছের উৎপাদন দ্বিগুণেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

আজ শনিবার সকালে রাজধানীর মৎস্য ভবনে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ-২০২২ উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।

রেজাউল করিম বলেন, 'দেশের মোট জিডিপির ৩ দশমিক ৫৭ শতাংশ এবং কৃষিজ জিডিপির ২৬ দশমিক ৫০ শতাংশ মৎস্যখাতের অবদান। এ অর্জন সম্ভব হয়েছে উদ্যোক্তাদের আগ্রহ এবং রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতার কারণে।'

মৎস্য খাতে বাংলাদেশ একটি বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে সক্ষম হয়েছে মন্তব্য করে মন্ত্রী আরও বলেন, 'এখন আমাদের লক্ষ্য নিরাপদ মাছ উৎপাদন। শুধু মাছের উৎপাদন বাড়ালেই হবে না। নিরাপদ ও পুষ্টিকর মাছ উৎপাদনে সরকার এখন গুরুত্ব দিচ্ছে।'

মন্ত্রীর ভাষ্য, এক সময় মৎস্য খাতের যথাযথ পরিচর্যা না হওয়ায় ও রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা না থাকায় মাছের সংকট দেখা দিয়েছিল। এতে দেশি মাছের একটি বড় অংশ হারিয়ে গিয়েছিল। ময়মনসিংহে অবস্থিত বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীদের অক্লান্ত পরিশ্রমে ৩৬ প্রজাতির বিলুপ্তপ্রায় মাছ আবার ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

প্রাণিসম্পদমন্ত্রী বলেন, 'মাছ যাতে হারিয়ে না যায়, সেজন্য ময়মনসিংহে লাইভ জিন ব্যাংক করা হয়েছে, যেখানে শতাধিক প্রকারের মাছ থাকবে। কোথাও কোন মাছ হারিয়ে যাওয়ার মত অবস্থা হলে তার রেণু ও পোনা ছড়িয়ে দেওয়া যাবে। এছাড়া নিজস্ব গবেষণা থেকে সুবর্ণ রুই নামের একটি দ্রুত বর্ধনশীল ও অধিক উৎপাদনশীল মাছের জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে।'

মাছ রপ্তানি প্রসঙ্গে মন্ত্রীর বক্তব্য, 'প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে পৃথিবীর প্রায় ৫২টি দেশে আমাদের মাছের চাহিদা রয়েছে। এসব দেশে বিভিন্নভাবে মাছ রপ্তানি করা হচ্ছে।'