ধারাবাহিকভাবে সরকার পরিচালনার ফলেই আজকের এই অর্জন: প্রধানমন্ত্রী

বাসস, ঢাকা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তার সরকার ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে পরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন খাতের উন্নয়নে কাজ করে যাওয়ায় দেশের কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি সম্ভব হয়েছে। তিনি বলেছেন, 'গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ধারাবাহিকভাবে সরকার পরিচালনার ফলেই সম্ভব হয়েছে আজকের এই অর্জন।'

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ সোমবার গণভবনে এমআইটি প্রেস প্রকাশিত ইনোভেশনস (টেকনোলজি, গভর্নেন্স অ্যান্ড গ্লোবালাইজেশন) শীর্ষক জার্নালের ভলিউম ১৩, ইস্যু ১/২ গ্রহণের পর এর দুই সম্পাদক ফিলিপ আউয়ার্স ওয়াল্ড এবং ইকবাল জেড কাদিরের সঙ্গে মত বিনিময়কালে এ কথা বলেন।

ইনোভেশনস ভলিউম ১৩, ১/২ ইস্যুটি '৫০-এ বাংলাদেশ' উপলক্ষে প্রকাশ করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসমাপ্ত কাজ শেষ করার জন্যই তিনি নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। জাতির পিতার স্বপ্ন ছিল এ দেশের মানুষ উন্নত-সমৃদ্ধ জীবন পাবে, সুখে শান্তিতে বাস করবে। কিন্তু আরাধ্য কাজ শেষ করার আগেই তিনি ঘাতকদের হাতে সপরিবারে নিহত হন।

'তার সেই অসমাপ্ত কাজ শেষ করাই আমার লক্ষ্য', উল্লেখ করে এ জন্য তিনি কোনো কিছু আশা করেন না বলেও জানান।

'৫০-এ বাংলাদেশ' উপলক্ষে প্রকাশিত এই সংখ্যায় প্রধানমন্ত্রীর 'স্ট্রাইভিং টু রিয়ালাইজ দ্য আইডিয়ালস অব মাই ফাদার' শীর্ষক একটি লেখা প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন, কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অধ্যাপক কৌশিক বসু, সম্পাদক ইকবাল জেড কাদির সহ ৭ জন বিশিষ্ট লেখকের লেখা প্রকাশিত হয়েছে। লেখাগুলোতে বিগত ৫০ বছরে, বিশেষ করে বিগত ১৩ বছরে বাংলাদেশের অভাবনীয় অগ্রযাত্রার চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

শেখ হাসিনা তার লেখায় স্বাধীনতা সংগ্রামের পটভূমি, মুক্তিযুদ্ধ, বঙ্গবন্ধু কর্তৃক স্বাধীনতা এবং পরবর্তীতে যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠন, ৭৫ এর পর নির্বাসিত জীবন এবং এরপর তার স্বদেশে প্রত্যাবর্তন ও জনগণের দ্বারে দ্বারে ছুটে বেড়ানো, ৯৬-২০০১ এবং ২০০৯ থেকে এ পর্যন্ত তার সরকারের কৃষি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, অবকাঠামো, আইসিটিসহ বিভিন্ন খাতে উন্নয়ন-অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরেছেন।

ইনোভেশনসের সম্পাদকবৃন্দ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক আলোচনায় অংশ গ্রহণ এবং দেশে জলবায়ু মোকাবিলায় তার সুদীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও কার্যক্রম তুলে ধরে একটি নিবন্ধ লেখার অনুরোধ জানালে প্রধানমন্ত্রীও তাদের অনুরোধ বিবেচনার আশ্বাস দেন।

সিআরআইয়ের ট্রাস্টি এবং জাতির পিতার দৌহিত্র রাদওয়ান মুজিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস, পিএমও সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া এবং প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার মো. নজরুল ইসলাম এ সময় উপস্থিত ছিলেন।