সেহরির সময় থেকে সকাল পর্যন্ত সংঘর্ষ, ১৭ জন আহত

নিজস্ব সংবাদদাতা, ফরিদপুর

ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় দফায় দফায় সংঘর্ষের কারণ আধিপত্য বিস্তার ও সরকারি জমি দখল বলে অভিযোগ উঠেছে।

আজ শুক্রবার ফরিদপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (নগরকান্দা-সালথা সার্কেল) মো. সুমিনুর রহমান দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তার এবং একটি খাস জমি দখলে নেওয়াকে কেন্দ্রে করে স্থানীয় ২ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আইয়ূব ঠাকুর ও গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র (বিদ্রোহী) পরাজিত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী খোরশেদ খাঁর সমর্থকদের মধ্যে এই সংঘর্ষ হয়।

তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় এখনো মামলা হয়নি। কেউ অভিযোগ করেনি। কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। আপাতত পরিবেশ শান্ত রয়েছে। ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা নেব।

প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সমর্থক ২ পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে কমপক্ষে ১৭ জন আহত হয়েছেন। এ সময় বাড়ি-ঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।

সুমিনুর রহমান বলেন, ভোররাত ২টার দিকে উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের মোড়হাট-আগুলদিয়া-জয়ঝাপ এলাকায় সংঘর্ষ শুরু হয়। সকাল পর্যন্ত দফায় দফায় সংঘর্ষ চলে। এতে ১৭ জন আহত হয়েছেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ফাঁকা গুলি ও টিয়ার শেল ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এ বিষয়ে আইয়ূব ঠাকুর ও খোরশেদ খাঁর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি।