‘ইউক্রেনের ভাড়াটে যোদ্ধারা কে কোথায়, মস্কো জানে’
পশ্চিমের নেতারা যখন নিজেদের সুপ্রশিক্ষিত সেনাদের পরিবর্তে ইউক্রেনে ভাড়াটে যোদ্ধা পাঠাতে আগ্রহী তখন সেই বিদেশি যোদ্ধাদের ওপর 'মরণ আঘাত' হানার বার্তা দিয়েছে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
গতকাল সোমবার রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আরটি এ তথ্য জানিয়েছে।
গত রোববার পোল্যান্ড সীমান্তের ১৫ মাইল কাছে ইউক্রেনের ইয়াভোরোভ সামরিক ঘাঁটিতে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় হতাহতের প্রসঙ্গ তুলে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, কোনো ভাড়াটে যোদ্ধার প্রতি সহানুভূতি দেখানো হবে না।
রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, ইউক্রেনে বিদেশি ভাড়াটে যোদ্ধাদের মৃত্যুর জন্য পশ্চিমের সরকাররাই দায়ী থাকবে।
রাশিয়ার সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মেজর জেনারেল ইগোর কোনাশেনকভ এক বার্তায় বলেছেন, 'ইউক্রেনে বিদেশি ভাড়াটে যোদ্ধারা কে কোথায় অবস্থান করছে তা আমরা জানি।'
তিনি আরও বলেন, 'আমি আপনাদের আবারও সতর্ক করছি—কোনো ভাড়াটে যোদ্ধার প্রতি সহানুভূতি দেখানো হবে না, তারা ইউক্রেনের যে জায়গাতেই থাকুক না কেন।'
'পশ্চিমের সরকাররা তাদের সাধারণ নাগরিকদের রুশ সেনাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে ভাড়াটে যোদ্ধা হিসেবে ইউক্রেনে যেতে উৎসাহ দিচ্ছে' উল্লেখ করে কোনাশেনকভ বলেন, 'ইউক্রেনে এ সব বিদেশিদের মৃত্যুর জন্য তাদের দেশের নেতারাই এককভাবে দায়ী থাকবেন।'
ইয়াভোরোভ সামরিক ঘাঁটির মতো 'সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুর ওপর হামলা অব্যাহত থাকবে' বলে জানান তিনি।
মস্কোর দাবি সেই হামলায় ১৮০ জনের মতো বিদেশি যোদ্ধা নিহত হয়েছেন।
তবে ইউক্রেনের কর্মকর্তারা বলেছেন, ইয়াভোরোভে আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষা ও নিরাপত্তাকেন্দ্রে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ৩৫ জন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন ১৩০ জন।
সেই সামরিক ঘাঁটিতেতে ন্যাটোর সেনারা ইউক্রেনীয় সেনাদের প্রশিক্ষণ দিত বলে রুশ সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।