‘কিয়েভে আমাদের সবার ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে’

স্টার অনলাইন ডেস্ক

'যুদ্ধবিধ্বস্ত কিয়েভে ইতিহাস রচিত হচ্ছে। এখানে নিপীড়নের বিরুদ্ধে চলছে স্বাধীনতাযুদ্ধ। এখানে আমাদের সবার ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে।'

গতকাল মঙ্গলবার ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে এসে এক টুইটার বার্তায় এমন মন্তব্য করেন পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী মাতেউজ মোরাভিকি।

চলমান রুশ আগ্রাসনের মধ্যে কিয়েভে এসেছেন ৩ ইউরোপীয় নেতা—স্লোভেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী জানেজ জানসা, চেক প্রজাতন্ত্রের প্রধানমন্ত্রী পিতর ফিয়ালা ও পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী মাতেউজ মোরাভিকি।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, গতকাল কিয়েভে ইউরোপীয় নেতারা ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

বৈঠকে স্লোভেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী জানসা বলেন, ইউক্রেনের জনগণ শুধু যে তাদের জন্মভূমি রক্ষায় যুদ্ধ করছে তা নয়, রুশ আগ্রাসনে আক্রান্ত দেশটি ইউরোপের মৌলিক মূল্যবোধ রক্ষা করতেও যুদ্ধ করছে।

তিনি আরও বলেন, 'আমরা কিয়েভে এসেছি কারণ, তোমাদের এ যুদ্ধ আমাদেরও যুদ্ধ। আমাদের সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে ইউক্রেনীয়দের সহায়তা করতে চাই। আমরা ইউক্রেন থেকে শরণার্থী সরিয়ে নিতেও সহায়তা করতে চাই।'

তার মতে, ইউরোপের নেতারা জানেন যে ইউক্রেন ইউরোপীয় পরিবারের অংশ।

'ইউক্রেন ইউরোপের একটি দেশ। ইউক্রেনের প্রতিটি রাস্তাঘাট ইউরোপীয়। আমাদের সবটুকু ক্ষমতা ব্যবহার করবো,' যোগ করেন স্লোভেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী।

এর মাধ্যমে ইউক্রেনের জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের 'দরজা' খুলে যেতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জানসা জোর দিয়ে বলেন, 'তাই বলছি, আপনারা একা নন। আপনারা আমাদের পরিবারের অংশ। সাহসের সঙ্গে এগিয়ে যান, বিজয় আসবেই। আমরা সবাই জয়ী হবো।'

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, চেক প্রজাতন্ত্রের প্রধানমন্ত্রী পিতর ফিয়ালা বলেছেন, 'আপনারা জীবন ও স্বাধীনতা রক্ষার জন্য লড়াই করছেন। কিন্তু, আমরা জানি আপনারা আমাদের জীবন-স্বাধীনতার জন্যও লড়াই করছেন।

'ইউরোপ ইউক্রেনের জনগণের সঙ্গে আছে' উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, 'আমরা আপনাদের সহায়তা চালিয়ে যাবো,' যোগ করেন চেক প্রধানমন্ত্রী।