খুলনার ৫ হাসপাতালে একদিনে আরও ১৩ জনের মৃত্যু
খুলনা নগরীতে করোনা চিকিৎসা দেওয়া পাঁচটি হাসপাতালে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত এই ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালের করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়।
খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালের আওতাভুক্ত করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালের ফোকাল পারসন ডা. সুহাস রঞ্জন হালদার দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে চার জনের করোনা পজিটিভ ছিল। বাকি একজনের করোনা উপসর্গ ছিল।’
সম্প্রতি ২০০ শয্যায় উন্নীত হওয়া এ করোনা হাসপাতালে সকাল ৮টা পর্যন্ত ১৩৬ জন রোগী ভর্তি ছিলেন। যার মধ্যে রেড জোনে ৮৭ জন, ইয়েলো জোনে ৩৭ জন, এইচডিইউতে আট জন এবং আইসিইউতে ২০ জন চিকিৎসাধীন। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ৩৪ জন এবং সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫৮ জন।
খুলনা জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটের মুখপাত্র ডা. কাজী আবু রাশেদ জানান, ২৪ ঘণ্টায় ৮০ শয্যার করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একজনের মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৫২ জন। এ ছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে নতুন করে ছয় জন ভর্তি হয়েছেন এবং সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৫ জন।
খুলনার শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালের করোনা ইউনিটের মুখপাত্র ডা. প্রকাশ চন্দ্র দেবনাথ জানান, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালের ৪৫ শয্যার করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অবস্থায় তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ৪২ জন রোগী ভর্তি আছেন। এর মধ্যে আইসিইউতে ১০ জন চিকিৎসাধীন। ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে সাত জন ভর্তি হয়েছেন এবং সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন পাঁচ জন।
গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের স্বত্বাধিকারী গাজী মিজানুর রহমান জানান, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালের করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একজনের মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে হাসপাতালের ১৫০ শয্যার করোনা ইউনিটে ৭৮ জন রোগী ভর্তি আছেন। এরমধ্যে আইসিইউতে সাত জন এবং এইচডিইউতে আট জন চিকিৎসাধীন। ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে সাত জন ভর্তি হয়েছেন এবং সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৭ জন।
করোনা চিকিৎসায় নতুন যোগ হওয়া খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালের ৮৭ শয্যার করোনা ইউনিটে বর্তমানে ৬৮ ভর্তি আছেন। এরমধ্যে আইসিইউতে সাত জন এবং এইচডিইউতে ছয় জন। ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ১৭ জন ভর্তি হয়েছেন এবং সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন সাত জন।