ফরিদপুরে একদিনে আরও ১৯ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৪৫.২৯ শতাংশ
ফরিদপুরে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ও উপসর্গে মারা গেছেন আরও ১৯ জন। এ ছাড়া, নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে ১৯৭ জনের।
ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজে হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে আট জন করোনা শনাক্ত হয়ে, ১০ জন করোনার উপসর্গ নিয়ে এবং একজন নেগেটিভ রোগী মারা গেছেন।
করোনা শনাক্ত হয়ে যে আট জন মারা গেছেন, তার মধ্যে ছয় জন ফরিদপুরের। বাকি দুজনের একজন মাগুরা এবং অপরজন রাজবাড়ীর।
করোনা শনাক্ত হয়ে মারা গেছেন, ফরিদপুর সদরের চাঁদপুর এলাকার ডলি রানী বিশ্বাস (৬৫), ডাঙ্গী এলাকার আলী হোসেন (৫৮), শহরের খা পাড়া এলাকার আব্দুল আজিজ (৮৪), শোভারামপুর এলাকার ঝন্টু মণ্ডল (৫৮), নগরকান্দা উপজেলার কবনোকদিয়ার তাপসী (৬২) ও ভাঙ্গার ছিলাধরচর এলাকার শাহানা বেগম (৫০)।
করোনা সন্দেহে যে ১০ জন মারা গেছেন তাদের মধ্যে দুজন ফরিদপুরের। এরা হলেন, সালথা উপজেলার বড় লক্ষ্মণদিয়া গ্রামের আসুরত খাতুন (৬২) ও সদরপুরের দড় কৃষ্ণপুর এলাকার চাঁদ মিয়া।
মৃত বাকিরা গোপালগঞ্জ ও রাজবাড়ীর বাসিন্দা।
ফরিদপুর সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ফরিদপুরে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৩৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করে করোনা শনাক্ত হয়েছে ১৯৭ জনের। শনাক্তের হার ৪৫ দশমিক ২৯ শতাংশ। নতুন করে ১৯৭ জন শনাক্ত হওয়ায় রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬ হাজার ১৯৯ জনে।
ফরিদপুরে নতুন করে যে ১৯৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে, তার মধ্যে আছেন আলফাডাঙ্গায় একজন, ভাঙ্গায় তিন জন, বোয়ালমারীতে নয় জন, নগরকান্দায় সাত জন, মধুখালীতে ২০ জন, সদরপুরে চার জন, চরভদ্রাসনে ১৯ জন, সালথায় দুই জন এবং ফরিদপুর সদরে ১৩১ জন।
এ ছাড়া, জেলা ও উপজেলার ৭১ জনের র্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষা করে করোনা শনাক্ত হয়েছে ২০ জনের। এ ক্ষেত্রে শনাক্তের হার ২৮ দশমিক ১৬ শতাংশ।
ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক সাইফুর রহমান বলেন, ‘করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে বর্তমানে চিকিৎসাধীন রোগী আছেন ৩২৬ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ৩৪ জন, সুস্থ হয়েছেন ৭০ জন। এখন পর্যন্ত এ হাসপাতালে করোনা শনাক্ত হয়ে মারা গেছেন ৩২৬ জন।