নূরের জন্য আমার ব্ল্যাঙ্ক চেক
একজন আসাদুজ্জামান নূর। কোন পরিচয়ে তাকে পরিচিত করা যায়Ñ এই নিয়েই কিছুক্ষণ থমকে থাকতে হয়। অভিনেতা নাকি আবৃত্তিকার? উপস্থাপক নাকি রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব? ছোট-বড়পর্দায় সুনিপুণ অভিনয় দক্ষতায় তিনি চিরতরুণ রূপে মিশে আছেন সেকাল থেকে একাল সব মানুষের মনে। ১৯৯০ দশকে লেখক হুমায়ূন আহমেদের ‘কোথাও কেউ নেই’ নাটকের ‘বাকের ভাই’ চরিত্রের কথা মনে আছে? সেই বাকের ভাই। মুখে দাড়ি সমেত যেমন অভিনয়, তেমন ব্যক্তিত্ব, তেমনি তার জীবনপদ্ধতি।
২৭ আগস্ট ২০১৬, ১১:৩৬ পূর্বাহ্ন
এমন মানুষের খুব বেশি প্রয়োজন
আমার বাবার (আবুল হায়াত) সূত্র ধরে ছোটবেলা থেকেই থিয়েটারের সঙ্গে যোগসূত্র। একটু একটু করে এই আবহেই বেড়ে উঠেছি। একটাই পরিবার ছিল আমাদের। আমি, ইরেশ, শর্মিষ্ঠা একসঙ্গে বেড়ে উঠেছি। জন্মের পর থেকে নূর আঙ্কেলকে দেখছি।
২৭ আগস্ট ২০১৬, ১১:৩৩ পূর্বাহ্ন
প্রথার বিপরীতে হাঁটতে পারা একজন শক্তিমান অভিনেতা
একজন গুণীর মুখে আরেকজন গুণীর কীর্তিকথা। প্রসঙ্গত খ্যাতিমান অভিনেতা আসাদুজ্জামান নূর সম্পর্কে কথা উঠলে প্রাক্তন প্রযোজক নওয়াজীশ আলী খানের মুখে রূপকথার মতোই ফুটে ওঠে পুরনো সেই দিনের কথা। আসাদুজ্জামান নূর অভিনীত কিছু কিংবদন্তি চরিত্র হচ্ছে ‘কোথাও কেউ নেই’ নাটকের ‘বাকের ভাই’ এবং অপরটি হচ্ছে ‘অয়োময়’ নাটকের ‘মির্জা সাহেব’।
২৭ আগস্ট ২০১৬, ১১:২৬ পূর্বাহ্ন
ইন্ডাস্ট্রিতে সবচেয়ে কাছের বন্ধু
আমার অভিনয় জীবনে নূর ভাইয়ের সঙ্গে টেলিভিশন নাটকে প্রথম অভিনয়ের সূচনা হয়। নাটকটির নাম ছিল ‘বরফ গলা নদী’। এই নাটকে অভিনয়ের সময় মজার ঘটনা রয়েছে। প্রযোজক আমার বিপরীতে অভিনয় করার জন্য নূর ভাইকে দাড়ি কাটতে বলেন। কারণ তখন আমাকে দেখতে অনেক ছোট্ট দেখাত। এক দিন পরে শ্যুটিং শুরুর আগে মিতা চৌধুরীকে বলি, নূর ভাই কোথায়? দাড়ি ছাড়া নূর ভাই আমার পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন অথচ চিনতে পারিনি। পরে এটা নিয়ে অনেক হাসাহাসি করেছি। নূর ভাইও অনেক হেসেছিল বিষয়টা নিয়ে। আমার বিশ্বাস নূর ভাইও বিষয়টি কখনো ভুলতে পারবে না।
২৭ আগস্ট ২০১৬, ১১:২২ পূর্বাহ্ন
আমার বাবা একজন ফেমিনিস্ট
আসাদুজ্জামান নূরের দুই সন্তানের মধ্যে ছোট হচ্ছে মেয়ে। তার নাম সুপ্রভা তাসনিম। লন্ডন স্কুল অব ইকনোমিক্স থেকে মাস্টার্স সম্পন্ন করেছেন তিনি। বর্ণিল জীবনের অধিকারী বাবাকে নিয়ে নিজের অনুভূতি পাঠকদের জন্য শেয়ার করেছেন সুপ্রভা
২৭ আগস্ট ২০১৬, ১০:০৪ পূর্বাহ্ন
ভাতে-মাছে বাঙালি
আমাদের প্রিয় অভিনেতা আসাদুজ্জামান নূর ভাতে-মাছে বাঙালি। আমাদের ঘরের মানুষ বলতে গেলে। তাই ইচ্ছে হলে রান্নাঘরেও উঁকি দেন মাঝেমধ্যে। ইচ্ছে হলে নিজের পছন্দমতো রান্না করে বাড়ির সবাইকে মুগ্ধ করেন। আসাদুজ্জামান নূরের প্রিয় বিভিন্ন রকমের মাছ। তাই আনন্দধারার এবারের আয়োজনে তাঁর প্রিয় মাছের রেসিপি।
২৭ আগস্ট ২০১৬, ০৮:৩৩ পূর্বাহ্ন
এক সময় ভাই আমার বাবার ভূমিকা নিল
আমার দাদু ভাই আর আমার বয়সের পার্থক্যÑ ১২ বছর। আমি যখন একটু বড় হয়েছি, তখন আমার ভাই পড়তে চলে গেছে বাইরে। সে যখন এইচএসসি পড়ে কারমাইকেল কলেজে তখনকার স্মৃতি আমার কিছু মনে নেই। এরপর সে ঢাকায় চলে যায়। ছোটবেলায় দাদু ভাইয়ের সঙ্গে স্মৃতিগুলো সব যখন সে ঢাকা থেকে বাড়িতে আসত। এমন একটা স্মৃতি মনে পড়ছে। আমার সেদিন জন্মদিন। দাদু ভাই বাড়িতে ফিরবে। ট্রেন এসে গেল কিন্তু ভাই এলো না।
২২ আগস্ট ২০১৬, ১২:২৭ অপরাহ্ন
রবীন্দ্রনাথের গল্পগুলোকে ও নাটক আকারে লিখুক
আসাদুজ্জামান নূরের একটা উল্লেখযোগ্য দিক হচ্ছে ও যে কাজই করে, খুব মনোযোগ দিয়ে কাজটার ভেতরে গিয়ে করার চেষ্টা করে। যখন অভিনয় করেছে, তখনো খুব সিরিয়াসলি করেছে। যখন রাজনীতি করে, তখনো তাই। আর ওর অনেক ধৈর্য। সবাই বলে আমার নাকি ভালোই ধৈর্য আছে; তবে ওর ধৈর্য আমার চেয়েও বেশি।
২২ আগস্ট ২০১৬, ১২:১৩ অপরাহ্ন
ব্যস্ততায় মাঝে মাঝে অনেক কিছু ভুলে যান এখন
নূর ভাইয়ের সঙ্গে আমার পরিচয় প্রায় চল্লিশ বছরের বেশি সময় ধরে। তাকে আমি দেখেছি নানাভাবে। এমনিতেই আমার সঙ্গে কারো হঠাৎ করে খুব ঋদ্ধতা তৈরি হয় না। আর নূর ভাইও ছিলেন একটু চুপচাপ প্রকৃতির। তাই নূর ভাইয়ের সঙ্গে একটা ভালো সম্পর্ক সময়ের সঙ্গে আস্তে আস্তেই হয়েছে। তিনি কবিতা, নাটক, রাজনীতি এসবের সঙ্গে জড়িয়ে থাকলেও নিজেকে কখনো সেভাবে তুলে ধরেননি। যার কারণে তিনি যখন নাগরিক নাট্যদলে যোগ দিলেন, তখন তার সম্পর্কে খুব একটা জানতেও পারিনি।
২২ আগস্ট ২০১৬, ১২:০৯ অপরাহ্ন
ফুড পয়জনিং
পেট খারাপ হলেই ভেবে নেবেন না ফুড পয়জনিং হয়েছে। একমাত্র খাবার থেকে সংক্রমণ হলে তাকে ফুড পয়জনিং বলে। তার মানে এই নয় যে, যেকোনো খাবার খেলেই ফুড পয়জনিং হবে। ব্যাকটেরিয়া বা টক্সিনযুক্ত খাবার খেলে ফুড পয়জনিংয়ের সমস্যা দেখা দিতে পারে। ফুড পয়জনিং হলে বারবার বমি হয়। কোনো খাবার পেটে থাকে না। ডায়রিয়া, বারবার বাথরুমে যেতে হয়। ডিহাইড্রেশন দেখা যায়। ক্লান্ত লাগে, কোনো কাজে উৎসাহ পাওয়া যায় না। অনেক সময় জ্বর হয়। টেম্পারেচার যথেষ্ট বেশি থাকে।
২২ আগস্ট ২০১৬, ১২:০৬ অপরাহ্ন
অভিনেতা যখন নেতা
আসাদুজ্জামান নূর একাধারে একজন মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং অভিনেতা। ১৯৭৩ সালে তিনি থিয়েটার গ্রুপ নাগরিকে যোগ দেন। ১৯৯০ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশনে জনপ্রিয় লেখক হুমায়ূন আহমেদের লেখা ‘কোথাও কেউ নেই’ নামের একটি ধারাবাহিক নাটকে বাকের ভাই চরিত্রে অভিনয় করে তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান। এছাড়াও তার অয়োময়, বহুব্রীহি, প্রিয় পদরেখা, আজ রবিবার-এর মতো দর্শকসমাদৃত নাটক রয়েছে অনেক। ‘আগুনের পরশমণি’ তার সবচেয়ে জনপ্রিয় সিনেমা। এটি ছাড়াও তিনি অভিনয় করেছেন হুলিয়া, দহন, শঙ্খনীল কারাগার, চন্দ্রকথা এবং দারুচিনিদ্বীপ সিনেমাতে। ব্যক্তিগত জীবনে স্ত্রী ডা. শাহীন আকতার, ছেলে সুদীপ্ত তার স্ত্রী কাজলী এবং একমাত্র নাতনি মধুরিমা ও মেয়ে সুপ্রভাকে নিয়ে তার সংসার। বর্তমানে তিনি সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বরত রয়েছেন।
২২ আগস্ট ২০১৬, ১০:২৮ পূর্বাহ্ন
হায়াতের রক্তক্ষরণে নূরের অভিনেতা হিসেবে সূচনা হলো
নূরের সঙ্গে আমার পথচলা শুরু হয়েছে প্রথমে সহযাত্রী, এরপর সহকর্মী, তারপর বন্ধু। বিভিন্ন দিক থেকে ওর সঙ্গে আমার সম্পর্ক। এখন সবচেয়ে বড় হয়ে যেটা দেখা দিয়েছে সেটা বন্ধু। হাতেগোনা যে কয়েকজন বন্ধু রয়েছে তার মধ্যে একজন। খুব গভীর বন্ধুত্ব। এখন তো বয়স বাড়ছে। অসুখে-বিসুখে, প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে কাছে পাই। নূরের সঙ্গে প্রথম পরিচয় ১৯৭২ সালে। এসএম পারভেজ ভাই সম্পাদিত চিত্রালী পত্রিকায় নূর তখন লেখালেখি করত। ওকে একটা দায়িত্ব দেয়া হলো। মঞ্চ নাটকের চর্চা শুরু হয়েছে তখন। শাহাদত চৌধুরী এটা নিয়ে কাভার স্টোরি করেছে বিচিত্রায়। ‘বাকী ইতিহাস’ তখন নিয়মিত মঞ্চায়ন হচ্ছে। আমার একটা সাক্ষাৎকার নেয়ার জন্য পাঠানো হয়েছিল। একটা পাতা তাকে দেয়া হয়েছিল। আমার বাসা তখন রাজারবাগ।
২২ আগস্ট ২০১৬, ১০:২৩ পূর্বাহ্ন
কাপড়ে অন্দরসজ্জায়
ঈদ মানেই নতুন ডেকোর। নতুন করে ঘর সাজানো। প্রতি ঈদে নতুন নতুন আসবাব কেনার সামর্থ্য হয় ক’জনার। তাই ঘরে যা আছে তাই দিয়েই চলে নন্দনসজ্জা।
১ আগস্ট ২০১৬, ১২:২৫ অপরাহ্ন
সাজে ও সজ্জায়
ঘরের যে কোনো কর্নারে টবের গাছ সুন্দর করে সাজিয়ে রাখতে পারেন। একটু নান্দনিক করতে চাইলে সুন্দর ডিজাইনের মাটির টব খুঁজে নিতে পারেন...
১ আগস্ট ২০১৬, ১২:০৫ অপরাহ্ন
রূপসীদের রূপকাহন
আমাদের সবচেয়ে বড় উৎসব ঈদ। রোজায় সারাদিনের কর্মব্যস্ততা আর ঈদ শপিংয়ে ব্যস্ত থেকে নিজের প্রতি হয়তো খেয়াল করা হয় না। কিন্তু একটু সময় দিলে আপনিও রূপলাবণ্যে হয়ে উঠতে পারেন অন্যরকম। সঙ্গে ঈদের দিনে নিজেকে রাখুন ফ্রেশ আর প্রাণবন্ত।
১ আগস্ট ২০১৬, ১১:৫৩ পূর্বাহ্ন
অপরূপা ঈদ
ঈদ উৎসব মানেই সাজসজ্জা। নতুন কাপড়ের চকচকে ভাব তো রয়েইছেÑ সেই সঙ্গে মেকআপের দিকেও সবার অতিরিক্ত মনোযোগ থাকে। এবার ঈদ বর্ষায়। তবে বৃষ্টির সঙ্গে থাকবে ভ্যাপসা গরম আর আর্দ্রতা। ফলে মেকআপ করা বেশ মুশকিল। বাইরে বেরোলে বা কাজের মধ্যে থাকলে ঘামের কারণে মেকআপ নষ্ট হওয়ার অবকাশ থাকে না। এজন্য কিছু নিয়ম মেনে নিলে মেকআপ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা কমে যায়। তবে এ সময়ের মেকআপ হবে অন্য সময়ের চেয়ে একটু অন্যরকম। দিন আর রাতের মেকআপ হবে আলাদা। দিনের সাজসজ্জা হবে ন্যাচারাল, লাইট ও সফট। আর রাতের মেকআপ হবে একটু গর্জিয়াস।
১ আগস্ট ২০১৬, ১১:৪১ পূর্বাহ্ন
সবুজে সাজানো
ঘর ছেড়েছেন চার দেয়ালের বন্দিত্ব থেকে কিছুটা হাঁফ ছেড়ে বাঁচতে, খোলা প্রাণে নিঃশ্বাস নিতে। কিন্তু হোটেলের চার দেয়াল কি পারে সেই প্রাণভরা প্রশ্বাস উপহার দিতে? অনেকেই চান মুক্ত পরিবেশে, সবুজের সমারোহের মাঝে ঈদের ছুটির দিনগুলো কাটাতে। যদি আপনি তাই চান তবে খুঁজে নিতে পারেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে গড়ে ওঠা রিসোর্টগুলোতে। সুন্দর সবুজ পরিবেশে সময় কাটিয়ে আসতে জেনে নিন আমাদের দেশে সুন্দর কিছু রিসোর্টের নামধাম আর যোগাযোগের ঠিকানা।
১ আগস্ট ২০১৬, ১০:৫৯ পূর্বাহ্ন
ভ্রমণে ভোজন
ঈদের আগে চাপটা থাকে শপিংমলে; আর পরে সেটা গিয়ে পড়ে বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে। ঈদের ছুটিতে সবাই নিজের পছন্দমতো জায়গায় পরিবার ও বন্ধু-বান্ধব নিয়ে বেড়াতে যান, চেষ্টা করেন সর্বোচ্চটুকু দিয়ে ছুটির এই দিনগুলো উপভোগ করতে। ভ্রমণের একটি অংশ থাকে খাবার-দাবারের বিষয়। সবাই চেষ্টা করেন ঘুরতে এসে সেখানকার প্রসিদ্ধ কোনো খাবারের স্বাদ নিতে।
১ আগস্ট ২০১৬, ১০:৫৩ পূর্বাহ্ন
পাপের শহরে
সম্প্রচার দুনিয়ার সবচেয়ে বড় শো দ্য ন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব ব্রডকাস্টারস বা এনএবি-তে যোগ দিতে লাসভেগাসে গিয়েছিলেন সম্প্রচার পেশায় থাকা গণমাধ্যম কর্মী মাসুদ মারফি। সম্মেলন শেষে ঘুরেছেন লাসভেগাস। জানার চেষ্টা করেছেন এই পাপের শহরের হালহদিস।
১ আগস্ট ২০১৬, ১০:১৯ পূর্বাহ্ন
ঈদের ভ্রমণ প্রস্তুতি
দেখতে দেখতে রোজার দুই সপ্তাহ চলেই গেল! ভ্রমণপিপাসুদের সুবর্ণ সময় চলে এসেছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ, অফিস-আদালত বন্ধ, হারিয়ে যাওয়ার নেই যে মানা। পরিবার-পরিজন নিয়ে হলেও বেরিয়ে পড়ার এই তো সময়। তবে আজকাল ভ্রমণ যেন শখ নয়, নেশায় পরিণত হয়েছে। তাই সুযোগ পেলেই শহরের বাইরে বের হয়ে পড়ছে অনেক তরুণ-তরুণীর দল, কাঁধে ব্যাকপ্যাক চড়িয়ে। আর ঈদের মতো লম্বা ছুটি হলে তো পুরোই পোয়াবারো। সেই আনন্দ যেন বিষাদের কারণ না হয়ে দাঁড়ায় সেটাও মাথায় রাখা অতি জরুরি। ঈদের ছুটিতে নিজের আনন্দ ভ্রমণকে আরো সুখকর, স্মৃতিমধুর করার জন্য আসুন প্রস্তুতির ব্যাপারে সচেতন হই। জেনে নিই প্রয়োজনীয় করণীয়।
১ আগস্ট ২০১৬, ১০:০১ পূর্বাহ্ন