তেঁতুলিয়ায় মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি, হিমেল বাতাসে বিপর্যস্ত উত্তরের জনজীবন

স্টার অনলাইন রিপোর্ট

পঞ্চগড়ে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছয় দশমিক আট ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আজ শুক্রবার তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের সহকারী কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় জানিয়েছেন, এটি চলতি শীত মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।

এর আগে বুধবার তাপমাত্রা সাত দশমিক পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমেছিল।

মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহে নাকাল হয়ে পড়েছে উত্তরের জনজীবন।

পঞ্চগড় পৌর এলাকার বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম বলেন, 'দিন দিন শীত বাড়তে থাকায় দৈনন্দিন কাজ করা কঠিন হয়ে পড়ছে।'

বোদা উপজেলার রিকশাচালক শরীফুল ইসলাম বলেন, 'তীব্র ঠান্ডা বাতাসে রিকশা চালানো অনেক বেশি কষ্টকর মনে হচ্ছে।'

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার সালন্দর মণ্ডলপাড়া গ্রামের আরেক রিকশাচালক হাবিবুর রহমান বলেন, 'শীত বাড়ছে, মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছে কম। যে কারণে আয় কমে গেছে।'

এদিন ঠাকুরগাঁওয়ে ১০ ডিগ্রি, রাজশাহীতে ১০ ডিগ্রি, নীলফামারীর ডিমলা ও কুড়িগ্রামের রাজারহাটে নয় ডিগ্রি এবং দিনাজপুরে নয় দশমিক আট ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার চর কড়াই বরিশাল এলাকার কৃষক নজরুল ইসলাম বলেন, 'আমাদের বাড়ি নদীর বাঁকে। শো শো শব্দে হিমেল বাতাস ঘরে ঢুকে পড়ে। এভাবে থাকা খুব কষ্টকর। রাতে ঘুমাতে পারি না। এই ঠান্ডায় বাইরে যাওয়া অসম্ভব। আমাদের গরম কাপড়ও নেই।'

'সকালে আর রাতে খুব বেশি ঠান্ডা লাগে। এই প্রচণ্ড শীতে সর্দি-কাশিতে ভুগছি। ঘরের ছোট শিশুদের অসুস্থতাও বেড়ে গেছে,' বলেন লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার চর গোবর্ধন এলাকার দিনমজুর শাফিয়ার রহমান।