‘রাষ্ট্রভাষা বাংলা’র সাধক আবুল মনসুর আহমদ
দেশভাগে পাকিস্তান রাষ্ট্র ঘোষণার মাত্র দুই সপ্তাহ পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র এবং শিক্ষকের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর গঠিত হয় ‘তমদ্দুন মজলিশ’। এ সংগঠন থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে। এতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাসেমের একটি ভাষা বিষয়ক প্রস্তাব, পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক কাজী মোতাহার হোসেনের প্রবন্ধের সঙ্গে তৎকালীন কলকাতা থেকে প্রকাশিত দৈনিক ইত্তেহাদ পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে আবুল মনসুর আহমদের একটি প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছিলো। প্রবন্ধের শিরোনাম, ‘বাংলা ভাষাই হবে আমাদের রাষ্ট্রভাষা’।
২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন
তরুণেরা ফেব্রুয়ারিতে কী করে
একুশে ফেব্রুয়ারিতে অনেক কটি বৈশিষ্ট্যের প্রধান দুটি ছিল প্রভাতফেরি ও ছোট ছোট সংকলন। খালি পায়ে গান গাইতে গাইতে রওনা হতো ছেলেমেয়েরা, খুব সকালে। শহীদ মিনারে আসত। যেত আজিমপুরের গোরস্থানে। এই অভিজ্ঞতা আগে ছিল না, মুসলমান মধ্যবিত্ত গানের ব্যাপারেই উৎসাহহীন ছিল, প্রভাতফেরি তো পরের কথা। সংকলন প্রকাশের ব্যবস্থা উনিশ শ’ বায়ান্নর আগে অমনভাবে দেখা যায় নি। পাড়ার ছেলেরা সংকলন ছাপত, সাংগঠনিকভাবে তা ছাপানো হতো। লেখা সংগ্রহ, ছবি আঁকিয়ে নেয়া, প্রুফ দেখা, ছাপানো, বাঁধানো এবং যেটা সবচেয়ে জরুরি দল বেঁধে বিক্রি করা, সবকিছুতেই চমৎকার উৎসাহ দেখা যেত। এখন প্রভাতফেরিও কমেছে, সংকলনও আগের মতো নেই।
২০ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ১০:১৫ পূর্বাহ্ন
আশাহীনতায় আমাদের সমাজ
আমাদের জীবনে আশা নিয়ে ঘুরে ফিরে আসে প্রতিটি নতুন বছর, নতুন মাস। মনে করা হয় যে, দিন বদলাবে। কিন্তু বদলায় না এবং বদলায় না যে, সেই পুরাতন ও একঘেঁয়ে কাহিনীই নতুন করে বলতে হয়। না-বদলাবার কারণ একটি ব্যাধি, যার দ্বারা আমাদের সমাজ ও রাষ্ট্র আক্রান্ত। ব্যাধিটির নাম পুঁজিবাদ। এই ব্যাধি থেকে মুক্তির জন্য আমাদের চেষ্টার অবধি নেই। রাজনৈতিকভাবে আমরা বারবার চেষ্টা করেছি কিন্তু সফল হই নি।
৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০৬:৫৪ পূর্বাহ্ন