রাজশাহী সিটি করপোরেশনের ২০ শয্যার হাসপাতাল চালু
বেসরকারি উদ্যোগ ব্যর্থ হবার পর বৃহস্পতিবার রাজশাহী সিটি করপোরেশনের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় সিটি হাসপাতালের স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়েছে।
এখন থেকে সিটি হাসপাতালে নিয়মিত সাধারণ রোগী, প্রজনন স্বাস্থ্য, প্রসবপূর্ব, নরমাল ও সিজারিয়ান ডেলিভারি, এবং প্রসব পরবর্তী সেবা দেওয়া হবে।
ফ্যামিলি প্ল্যানিং, শিশু স্বাস্থ্য, চক্ষু, কিশোর-কিশোরী স্বাস্থ্য, চর্মরোগ, পুষ্টি, কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন, সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ, অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ, রোগ নিরূপন সেবার ব্যবস্থাও রয়েছে।
এছাড়া ডেন্টাল, স্বল্প খরচে প্যাথলজিক্যাল সেবা ও এ্যাম্বুলেন্স সেবা প্রদান করা হবে।
আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় নগরীর রানীনগর এলাকায় অবস্থিত ২০ শয্যার সিটি হাসপাতালের স্বাস্থ্যসেবা প্রদান কার্যক্রম আনুষ্ঠানিভাবে শুরু করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ও রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, 'রাজশাহী সিটি করপোরেশন (রাসিক) স্বাস্থ্যসেবায় সারাদেশের মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য অবস্থানে রয়েছে। ইপিআই কার্যক্রমে জাতীয়ভাবে পরপর ১০বার দেশসেরা হয়েছি। এই অর্জন ধরে রেখে সিটি করপোরেশনের স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম আরও বাড়াতে চাই।'
রাসিক মেয়র বলেন, 'সিটি হাসপাতালটি আরও উন্নত সেবার আশায় বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় দেওয়া হয়েছিল। আশানুরূপ ফল না আসায় পুনরায় সিটি করপোরেশনের ব্যবস্থাপনায় অবকাঠামো সংস্কার করে পুনরায় চালু করা হলো।'
চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়নে ইতোমধ্যে চিকিৎসক, ফার্মাসিষ্ট ও মেডিকেল টেকনিশয়ান নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে আরো চিকিৎসক ও অন্যান্য স্টাফ নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানান মেয়র।
তিনি বলেন, 'সিটি হাসপাতালটি গরীব-অসহায় মানুষের স্বাস্থ্যসেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছি। এছাড়া সিটি হাসপাতাল সংলগ্ন রাস্তাটি প্রশস্ত করা এবং পূর্ণাঙ্গ হাসপাতাল ও কলেজে পরিণত করতে একটি প্রকল্প সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে দাখিল করা হয়েছে।'
'১ হাজার ৮৬৭ কোটি টাকার রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রকল্প পাস হয়েছে। রাজশাহীতে একটি পূর্ণাঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চলছে,' বলেন তিনি।