তামিমের পর চার হাজারে মুশফিক

ক্রীড়া প্রতিবেদক

হাতছানি ছিল আগের টেস্টেই। টেস্টে চার হাজার রানে ঢুকতে হাতছোঁয়া দূরত্বে দাঁড়িয়েছিলেন মুশফিকুর রহিম। কিন্তু ওই টেস্টে ব্যাটিং ব্যর্থতায় তা আর করা হয়ে উঠেনি। তবে মাইলফলকে পৌঁছানোর অপেক্ষাটা আর বেশি লম্বা হলো না। মিরপুর টেস্টের প্রথম দিনই তামিম ইকবালের পর দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে চার হাজার রান স্পর্শ করেছেন মুশফিক।

এই টেস্টে নামার আগে চার হাজারে যেতে মাত্র ৮ রান দরকার ছিল মুশফিকের। চা-বিরতির খানিক পরই সেই রান তুলে চার হাজারে ক্লাবে ঢুকে যান বাংলাদেশের মিডল অর্ডারের অন্যতম স্তম্ভ।

চার হাজার রানে অবশ্যই দুজনের মধ্যে দ্রুততম তামিমই। সব সংস্করণে এখনো পর্যন্ত বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রান করা তামিম  ১০৬তম ইনিংসে পৌঁছান চার হাজারে। মুশফিক চার হাজারে পৌঁছালেন ৬৬ টেস্টের ১২৩তম ইনিংসে। তবে তিন থেকে চার হাজারে দ্রুততম মুশফিকই।  তিন থেকে চার হাজারে যেতে তামিমের লেগেছিল ৩০ ইনিংস। ২৮ ইনিংসেই শেষ হাজার রান ছুঁলেন মুশফিক।

চোটের কারণে জিম্বাবুয়ে সিরিজ থেকেই দলের বাইরে থাকা তামিম ৫৬ টেস্টর ১০৮ ইনিংসে করেছেন ৪০৪৯ রান। এই টেস্টে তাই তামিমকে ছাড়িয়ে টেস্টে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হওয়ার দিকেও এগিয়ে গেলেন মুশফিক।

ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে ধারাবাহিকতার অভাবে ভুগতে থাকা মুশফিক প্রথম সেঞ্চুরি পান নিজের ৩৩তম ইনিংসে। এরপর সেঞ্চুরি করেছেন আরও পাঁচটি। যার মধ্যে একমাত্র বাংলাদেশি ব্যাটসম্যান হিসেবে করেছেন দুটি ডাবল সেঞ্চুরি।

কদিন জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে মুশফিকের অপরাজিত ২১৯ রান, টেস্টে বাংলাদেশের কোন ব্যাটসম্যানের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সংগ্রহ।