গুরুদাসপুরে হত্যা মামলার আসামি নিহত

নিজস্ব সংবাদদাতা, নাটোর

নাটোরের গুরুদাসপুরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে জালাল মণ্ডল (৬০) নামে এক ব্যক্তিকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন। সে সময় তার বাম হাত কেটে ফেলে এবং ডান হাত ও বাম পা ভেঙ্গে দেয়।

অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ফলে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে তিনি মারা যান বলে জানা যায়। নিহত জালাল উপজেলার বিয়াঘাট ইউনিয়নের যোগেন্দ্রনগর গ্রামের মৃত আনন্দ মণ্ডলের ছেলে।

জানা যায়, আজ (১৩ জুন) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে গুরুদাসপুর উপজেলার সাবগাড়ী এলাকার ভ্যানচালক মোশারফের বাড়ির সামনের রাস্তা দিয়ে নাটোর আদালতে হত্যা মামলায় হাজিরা দিতে যাচ্ছিলেন জালাল মণ্ডল। সে সময় তার উপর অতর্কিত হামলা চালায় প্রতিপক্ষের লোকজন।

স্থানীয়রা বলেন, কে বা কারা জালাল মণ্ডলকে হত্যা চেষ্টা করে আহত-রক্তাক্ত অবস্থায় এই রাস্তায় ফেলে চলে যায়। স্থানীয় লোকজন বিষয়টি দেখতে পেয়ে আহত জালালকে গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য প্রেরণ করেন এবং গুরুদাসপুর থানা পুলিশকে খবর দেন।

তারা আরও জানান, আহত জালাল যোগেন্দ্রনগর এলাকার মৃত মমিন মণ্ডল হত্যার প্রধান আসামি ছিলেন। সেই মামলায় হাজিরা দিতে তিনি নাটোর আদালতে যাচ্ছিলেন।

গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. আলতাব হোসেন জানান, প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে আহত জালালকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) মাহাবুব আলম জানান, নিহত জালালের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রামেক হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

গুরুদাসপুর থানার ওসি মো. মোজাহারুল ইসলাম জানান, হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।