পদ্মার ভাঙনে ঝুঁকিতে পাটুরিয়া ঘাট
ঈদের পরে ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১টি জেলার মানুষ। পদ্মার ভাঙনে পাটুরিয়া ঘাট এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ফেরিতে ওঠা-নামা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে। ফেরিতে যানবাহন উঠতে নামতেও স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সময় লাগছে।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) আরিচা কার্যালয়ের উপমহাব্যবস্থাপক জিল্লুর রহমান দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘পদ্মায় পানি বেড়ে যাওয়ায় ফেরিতে যানবাহন ওঠা-নামায় কিছুটা বেশি সময় লাগছে। ভাঙন ঠেকাতে বিআইডব্লিউটিএ জিও ব্যাগ ফেলছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ছোট-বড় আটটি ফেরি দিয়ে যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। আরও নয়টি ফেরি প্রস্তুত রাখা হয়েছে। যাত্রীরা প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস, অটোরিকশা, মোটরসাইকেলে ঢাকায় ফিরছেন। আবার ঈদের আগে যারা যেতে পারেননি, তারা এখন ঢাকা ছাড়ছেন।’
মানিকগঞ্জে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (শিবালয় সার্কেল) তানিয়া সুলতানা বলেন, ‘ফেরি ঘাটে বিলম্ব হলেও সড়কে কোনো যানজট নেই।’
ভাড়ায়চালিত মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার ও মাইক্রেবাসের চালকরা সড়কে বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত এক সপ্তাহে পৃথক পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত পাঁচ জন নিহত হয়েছেন।
এ প্রসঙ্গে গোলড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘সরকারি নির্দেশনার কারণে মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাসসহ অন্যান্য ছোট গাড়ির বিরুদ্ধে মামলা করা যাচ্ছে না। এই সুযোগটিই নিচ্ছেন চালকরা।’