পেশায় দলীয়করণে ধ্বংস হচ্ছে নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও পেশাদারিত্ব

আমাদের অধিকাংশ পেশাজীবী সংগঠন দলীয় আনুগত্যে বিভক্ত। পেশাদারিত্বের চেয়ে দলীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে বেশি। আর দলীয় আনুগত্যের আড়ালে এটাকে ব্যবহার করা হচ্ছে ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধির জন্যে। যেমন: শীর্ষ পদ দখল বা সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ।
১ মে ২০২৬, ১১:০১ পূর্বাহ্ন

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র-ইইউ উত্তেজনার বড় প্রভাব পড়তে পারে আমাদের ওপর

বিশেষত বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয় হলো, এই উত্তেজনায় জড়িয়ে পড়া দুটি পক্ষ—যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন—আমাদের তৈরি পোশাক রপ্তানির সবচেয়ে বড় বাজার। এই খাত থেকেই আমাদের রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮০ শতাংশ আসে। তারা যদি বাণিজ্য বিরোধ, শুল্কযুদ্ধ কিংবা সামরিক সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে, তাহলে এর ভয়াবহ প্রভাবে আমাদের ওপর নেমে আসবে অর্থনৈতিক বিপর্যয়।
২৩ জানুয়ারি ২০২৬, ০২:৩৩ পূর্বাহ্ন

পদত্যাগ করবেন না প্লিজ: ড. ইউনূসের প্রতি আবেদন

উত্তাল সাগরে চলমান জাহাজের হাল ছেড়ে যেতে পারেন না একজন ক্যাপ্টেন
২৩ মে ২০২৫, ০৬:২১ অপরাহ্ন

‘সিদ্ধান্তের খেলা’, যা জনগণের সঙ্গে খেলছি

সার্বিকভাবে কোভিড-১৯ মোকাবিলার ক্ষেত্রে সরকারের নীতি-নির্ধারকরা যদি বারবার তাদের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন, তাহলে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয় না? একটা ঘোষণা দেওয়ার পরের দিনই যদি তা আবার পরিবর্তন করা হয়, সেক্ষেত্রে সরকারের সিদ্ধান্তগুলোতে মানুষের আস্থা কমে যাওয়াই স্বাভাবিক নয় কি? যখন বাস্তবায়নের সুষ্ঠু পরিকল্পনা ছাড়া কোনো কার্যক্রম নির্ধারণ করা হয়, সেটি সরকারের বিশ্বাসযোগ্যতা কমিয়ে দেওয়ার জন্যে যথেষ্ট নয় কি? মানুষের ওপর কী প্রভাব পড়তে পারে, সে বিষয়ে কোনো চিন্তা না করেই যখন সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হয়, তখন কি সরকার আশা করতে পারে, যে সবাই সবকিছু সর্বান্তকরণে মেনে নেবে?
১৩ আগস্ট ২০২১, ১২:৫৯ অপরাহ্ন

এক তরুণ কবির মৃত্যু

আপনারা অনেকেই ১৩ শতাব্দীর সুফি কবি, কিংবদন্তি মাওলানা জালাল উদ্দিন রুমীর কবিতা পড়েছেন। তার কবিতা বা দর্শন আমি সহজেই অনলাইন বা অন্য উত্স থেকে নিয়ে এখানে উল্লেখ করতে পারতাম। কিন্তু, তার প্রয়োজন নেই।
৮ জুলাই ২০২১, ০৫:৫৮ অপরাহ্ন

মহামারির সবচেয়ে বড় শিক্ষা: বর্তমান ও ভবিষ্যতের জন্য স্বাস্থ্য খাতের সংস্কার জরুরি

সহজ কথায় বলতে গেলে এটি একটি ‘প্রক্রিয়া বনাম ধৈর্য’ বিষয়ক সমস্যা। যার অর্থ হলো— ‘আমলাতন্ত্র বনাম চূড়ান্ত উপকারভোগীর’ মধ্যকার দ্বন্দ্ব। আমাদের অবশ্যই সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়া মেনে কাজ করতে হবে, তা না হলে সব ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে। তবে, এই সময়ে বিশেষ করে মহামারিকালে এ দুটি বিষয়ের মধ্যে কোনটিকে অগ্রাধিকার দিতে হবে, সে বিষয়ে কোনো দ্বিধা থাকা উচিত নয়। ‘ধৈর্য’ মনোযোগের কেন্দ্রে থাকতে পারতো কিন্তু মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে প্রক্রিয়া বা ‘আমলাতন্ত্র’— অর্থাৎ আমলাতান্ত্রিক নিয়ন্ত্রণ।
১১ জুন ২০২১, ০৪:১৮ অপরাহ্ন

প্রবাসীরা প্রতি ক্ষেত্রে শোষিত, নির্যাতিত ও অসম্মানিত

প্রবাসী কর্মীরা আমাদের জন্য ঈশপের রূপকথার সোনার ডিম পাড়া রাজহাঁসের মতো। আমাদের কোনো সহায়তা ছাড়াই এবং আমাদের কাছ থেকে অবিরত অপমানের শিকার হয়েও তারা এই কাজটি বছরের পর বছর করে যাচ্ছেন। ২০১৬ থেকে ২০১৯ সালে (জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর) দেশের বাইরে থেকে আসা বাৎসরিক গড় রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ১৫ দশমিক ২৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০২০ সালে তা বেড়ে গিয়ে ২১ দশমিক সাত বিলিয়নে পৌঁছায়। বিশ্বব্যাপী মহামারি, সার্বক্ষণিক চাকরি নিয়ে সমস্যা ও আর্থিক ক্ষতির মুখেও এ বছরের প্রথম চার মাসে (২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল) আমরা সাত দশমিক সাত বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পেয়েছি। প্রবাসী কর্মীদের নিজ পরিবার ও দেশের প্রতি নিষ্ঠার কোনো তুলনা হয় না।
২৮ মে ২০২১, ০৮:২৮ পূর্বাহ্ন

কেন তিনি ৩ দিন কারাগারে থাকবেন

প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রোজিনা ইসলাম একজন খ্যাতিমান সাংবাদিক। তাকে তার সহকর্মীরা গভীর শ্রদ্ধা করেন এবং তিনি তার সাহসী ও অনুসন্ধানী প্রতিবেদনগুলোর জন্য বিশেষ ভাবে পরিচিত। তাকে কেন আগামীকাল পর্যন্ত কারাগারে থাকতে হবে?
১৯ মে ২০২১, ১২:৩৮ অপরাহ্ন

আমাদের দেশেও এমন নির্বাচন হতো, এককালে

পশ্চিমবঙ্গের সদ্যসমাপ্ত নির্বাচন নিয়ে উদযাপন করার মতো তিনটি বিষয় রয়েছে, আর চিন্তিত হবার মতো একটি। উৎসব করার মতো কারণগুলো হলো: ক. মানুষ তাদের মত প্রকাশ করতে পেরেছে এবং সে পর্যন্ত গণতন্ত্র ঠিকমতো কাজ করেছে। খ. ধর্মভিত্তিক রাজনীতি পরাভূত হয়েছে, কিন্তু সেটিও কোনোরকমে। গ. একজন নতুন নারী নেত্রীর আবির্ভাব ঘটেছে, যার একই সঙ্গে রয়েছে কারিশমা, মানসিক দৃঢ়তা, তীব্র প্রাণশক্তি, লড়াকু সত্ত্বা, নিজের প্রতি বিশ্বাস ও ব্যক্তিগত সততা, যা একটি পুরো প্রজন্মের তরুণ নেতাদেরকে উদ্দীপিত করতে পারে, যারা ভারতকে এ যুগের ভ্রষ্ট রাজনীতি থেকে দূরে সরাতে পারে এবং একই সঙ্গে এ অঞ্চলের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হতে পারে।
৭ মে ২০২১, ১১:১৯ পূর্বাহ্ন

আমার বন্ধু জামিলুর রেজা চৌধুরী

অনেক ব্যস্ততার মধ্যে দিন শুরু হয়েছিল। আগামীকাল আমাদের নির্মাণ সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির মিটিং। দেশের নামকরা অনেক স্থপতি ও প্রকৌশলী এই কমিটির সদস্য। তাদের সবাইকে একত্রে পাওয়া আমাদের সৌভাগ্যের ব্যাপার। প্রফেসর জামিলুর রেজা চৌধুরী এদের সকলের শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি। তিনি কমিটির চেয়ারম্যান। তিনি মিটিংয়ের সকল নথিপত্র খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখেন। এটা তার সারাজীবনের অভ্যাস। খুঁটিনাটি কোনো বিষয়ই তার চোখ এড়ানোর উপায় নেই। গতকাল আশরাফকে (আশরাফুল হাসান), যিনি আমাদের সকল নির্মাণ প্রকল্পের কেন্দ্রীয় ব্যক্তি, তিনি ডাকিয়ে নিয়েছিলেন নথিপত্রের আরও কিছু ব্যাখ্যা নেবার জন্য।
১ মে ২০২১, ০২:১৯ অপরাহ্ন