মোস্তাফিজ-রিশাদের তোপে সহজ লক্ষ্য পেল বাংলাদেশ
আগের দুই ম্যাচের মত এদিনও ঝড়ো শুরুর আভাস দিয়েছিলো আয়ারল্যান্ড, তবে দ্রুতই তাদের রাশ টেনে ধরেন বাংলাদেশের বোলাররা। দিনের আলোয় কিছুটা মন্থর উইকেটে এক ম্যাচ বিরতি দিয়ে একাদশে ফেরা লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন দেখান মুন্সিয়ানা। আইরিশদের চেপে ধরে কাটারে বিপর্যস্ত করেন মোস্তাফিজুর রহমানও।
মঙ্গলবার চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে আগে ব্যাটিং বেছে কেবল ১১৭ রান করেছে আয়ারল্যান্ড। প্রতিপক্ষকে অল্প রানে আটকে দলের সফল বোলার মোস্তাফিজ, ৩ ওভারে মাত্র ১১ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন তিনি। লেগ স্পিনার রিশাদ ৪ ওভারে ২১ রান দিয়ে পান ৩ উইকেট।
এদিনও টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে ভালো শুরু পায় আয়ারল্যান্ড, তবে আগের দুই ম্যাচের মত উড়তে পারেনি তারা। চতুর্থ ওভারে ১০ বলে ১৭ করে বোল্ড হয়ে যান টিম টেক্টর। ৩৮ রানে পড়ে তাদের প্রথম উইকেট। এরপর আর কোন জুটিই গড়তে পারেনি তারা। এরপরের সর্বোচ্চ জুটি আসে ৬ষ্ঠ উইকেটে ২০ রানের। জর্জ ডকরেল ও গ্যারেথ ডেলানি তাতে লাগান ২৩ বল। পাওয়ার প্লের পর ক্রমই স্থবির হয়ে পড়া সফরকারী দল হারায় একের পর এক উইকেট>
টিম ওপেনে নেমে কিছু বড় শট খেলে ফিরলেও তার বড় ভাই হ্যারি টেক্টর থিতু হতে পারেননি। ৬ বলে ৫ রান করে মোস্তাফিজের বলে দুর্ভাগ্যের শিকার তিনি। প্রথম বলটি ঠেকিয়ে দিলেও তা এক বাউন্সে গিয়ে আঘাত হাতে স্টাম্পে। লোরকান টাকার, কার্টিস ক্যাম্পার দুজনেই ব্যর্থ। টাকার ফেরেন শেখ মেহেদীর শিকার হয়ে, ক্যাম্পারকে গুগলিতে বোল্ড করেন রিশাদ। ৬৬ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ব্যাকফুটে চলে যায় সফরকারী দল। সেখান থেকে তাদের আর ফেরা হয়নি।
আইরিশদের ভরসা ছিলেন স্টার্লিং। তিনিই বাড়াচ্ছিলেন দলের রান। তবে লম্বা হয়নি তার ইনিংস। ২৭ বলে ৫ চার ১ ছয়ে ৩৮ রান করে স্কয়ার লেগে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান আয়ারল্যান্ড অধিনায়ক। নিজের শেষ ওভারে গ্যারেথ ডেলানিকেও তুলে নেন রিশাদ। ১৮তম ওভারে এসে মোস্তাফি পর পর তুলে নেন মার্ক অ্যাডাইয়ার ও ম্যাথু হ্যামফ্রিসকে। শেষ ওভারে বেন হোয়াইটকে ছেঁটে ইনিংস মুড়ে দেন মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন।
এই ম্যাচে পাঁচটি ক্যাচ ধরেন তানজিদ। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এক ইনিংসে যৌথভাবে সর্বোচ্চ ক্যাচের রেকর্ড এটি।