পঞ্চম বোলারের ঘাটতি পূরণ করবে বাংলাদেশ?
আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচটা প্রায় হাতছাড়া হতে বসেছিলো। চারজন স্পেশালিষ্ট বোলারের সঙ্গে বাকি চার ওভার করানো হয় দুই অনিয়মিত স্পিনার দিয়ে। যারা খরুচে বোলিংয়ে জাগিয়েছিলেন শঙ্কা। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সুপার ফোরের লড়াইয়ে বাংলাদেশ হাঁটবে কোন পথে?
দুদিন বিশ্রাম ও অপেক্ষার পর শুক্রবার দুবাইর আইসিসি একাডেমি মাঠে অনুশীলনে নামে বাংলাদেশ দল। সংযুক্ত আরব আমিরাত আসার পর এরকম লম্বা অনুশীলন আর একবারই হয়েছিলো। এই অনুশীলনে স্পিনারদের দিকে ছিলো বিশেষ নজর। রিশাদ হোসেন, নাসুম আহমেদের পাশাপাশি শেখ মেহেদী হাসান ছিলেন তৎপর। লম্বা সময় বল করার পর শেষ দিকে ব্যাটিংও সেরে নিয়েছে প্রস্তুত হয়েছেন।
দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম যেহেতু স্পিন সহায়ক। সেখানে বাড়তি স্পিনার খেলানোর তাগিদ অনুভব করে সব দলই। বাড়তি স্পিনার খেলালে আসবে শেখ মেহেদীর নাম। তাকে একাদশে রাখলে পাঁচজন বিশেষজ্ঞ বোলার হাতে থাকে অধিনায়কের, একটা টি-টোয়েন্টি ম্যাচে যা খুব জরুরি।
শেখ মেহেদী একাদশে এলে একজন ব্যাটারকেই বাদ দিতে হবে। এখন সেই একজন কে এটাই বড় প্রশ্ন। এমনিতে মিডল অর্ডারে ছন্দে নেই তাওহিদ হৃদয়। গ্রুপ পর্বের প্রতিটি ম্যাচের আগেই তার খেলা নিয়ে ছিলো সংশয়। শেষ পর্যন্ত দল তার উপর রাখে আস্থা, যদিও আস্থার প্রতিদান তিনি এখনো দিতে পারেননি।
চারে খেলা হৃদয়কে বসালে চারে একজনকে নামাতে হবে, জাকের আলি অনিক বা নুরুল হাসান সোহানকে এত উপরে তোলা ঠিক হবে কিনা এই আলোচনাও আছে।
সোহান আফগানিস্তানের বিপক্ষে সুযোগ পেয়ে খুব বেশি বল পাননি, যদিও ফিল্ডিংয়ে গুরুত্বপূর্ণ রানআউট করে রাখেন অবদান। জাকের স্লগ ওভারে ধুঁকেছেন। তবে গত কয়েকমাসের পারফরম্যান্সের জোরে এগিয়ে তিনিই। সোহানের জায়গাতেই শেখ মেহেদী খেলতে পারেন।
চোট জনিত সমস্যা না থাকলে বোলিং আক্রমণে বদল আনার সম্ভাবনা ক্ষীণ। বদল আসার কারণ নেই ওপেনিংয়ে। সাইফ হাসান ঝড়ো ব্যাট না করলেও তানজিদ হাসান তামিমের সঙ্গে ৬৩ রানের জুটি গড়তে অবদান রেখেছিলেন।