একুশের একাত্তর

আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু ছিল ঢাকা

কিন্তু বাংলার বুদ্ধিজীবীদের তীব্র বিরোধিতা সত্ত্বেও ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর করাচিতে এক শিক্ষা সম্মেলনে উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্র ভাষা হিসেবে গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। হঠকারী এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ৬ ডিসেম্বর বেলা ২টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বেলতলায় অধ্যাপক আবুল কাসেমের সভাপতিত্বে এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেই প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য দিয়েছিলেন মুনীর চৌধুরী, এ কে এম আহসান, কল্যাণ দাসগুপ্ত প্রমুখ। সভা শেষে এক বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে সেটিই ছিল সর্বপ্রথম প্রতিবাদ মিছিল।
২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ১০:৩৮ পূর্বাহ্ন

ইংরেজিতে লেখায় রংপুরে বিচারকের কলম ভাঙলেন মিলি চৌধুরী

১৯৫১ সালের একদিন মিলি চৌধুরীর নেতৃত্বে শিক্ষার্থীদের একটি মিছিল রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে রংপুর জজ কোর্টে গিয়ে পৌঁছায়। এসময় আদালতে এজলাস চলছিল। এক পর্যায়ে মিছিল থেকে কারমাইকেল কলেজের ছাত্রী মিলি চৌধুরী এজলাসে গিয়ে বিচারককে জিজ্ঞেস করেন, ‘আপনি কেন ইংরেজিতে লিখছেন?’ এরপর পরিস্থিতি বুঝে ওঠার আগেই বিচারকের কাছ থেকে কলমটি নিয়ে ভেঙে ফেলে মিছিলে ফিরে যান তিনি।
১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৬:২৯ পূর্বাহ্ন

ভাষা আন্দোলনে কুষ্টিয়া

২১ ফেব্রুয়ারি আন্দোলনের মূল দিনে সমগ্র কুষ্টিয়া জুড়ে স্বতঃস্ফূর্ত ধর্মঘট পালিত হয়।
৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৬:৪৭ পূর্বাহ্ন

ভাষা আন্দোলনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ঢাকাতে ঘোষিত বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হতো ব্রাহ্মণবাড়িয়াতেও। এসময় ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছিলেন, মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, মোহাম্মদ ফায়েজুর রহমান প্রমুখ।
৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন

ভাষা আন্দোলনে বগুড়া

১৯৪৮ সালের ১৩ মার্চ বগুড়ার আজিজুল হক কলেজ থেকে শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদী মিছিল বের করে
৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৭:১৮ পূর্বাহ্ন

ভাষা আন্দোলনে নোয়াখালী

ভাষা আন্দোলনে নোয়াখালী অগ্রগণ্য ভূমিকা পালন করেছিল। নোয়াখালী সদরের মূল কার্যক্রম সংগঠিত হতো মূলত মাইজদী শহরে। এ ছাড়াও, রাজনৈতিক-সামাজিক-সাংস্কৃতিক আন্দোলনের বিকল্প কেন্দ্র হয়ে উঠেছিল চৌমুহনী।
৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৪:০৮ পূর্বাহ্ন