জাতীয় ওষুধনীতি
শূন্য থেকে স্বয়ংসম্পূর্ণ
আশির দশকের গোড়ার দিকে দেশে ১৬৬ ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ছিল। এর মধ্যে আটটি ছিল বিদেশি। এরা ৭০ শতাংশ বাজার নিয়ন্ত্রণ করত। বর্তমানে দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলো ওষুধের চাহিদার ৯৮ শতাংশ পূরণ করছে। বাকি দুই শতাংশ ওষুধ আমদানি হয়।
২৭ এপ্রিল ২০২৪, ০৮:৪৩ পূর্বাহ্ন
গ্যাস্ট্রিকের ওষুধের মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার ঠেকাতে হবে
দুর্বল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ও সহজলভ্যতার কারণে দীর্ঘসময় কোনো ওষুধের যথেচ্ছ ব্যবহার মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে। অভিজ্ঞতা বলে, আমাদের দেশে অনেকেই নানান শারীরিক সমস্যায় সাধারণত ডাক্তারের পরামর্শ না নিয়েই ওষুধ খেয়ে থাকেন। এসব ওষুধের তালিকায় কয়েকদিন আগেও শীর্ষে ছিল অ্যান্টিবায়োটিক।
২৪ মে ২০২২, ০৪:২২ পূর্বাহ্ন