টাইটানিক

বিশ্বের বিখ্যাত কিছু পর্যটকবাহী ডুবোযান

এসব ডুবোযানে করে সমুদ্রের গভীরে অভিযানে যাওয়ার জন্য পাকা ডুবুরি হওয়ার প্রয়োজন নেই, শুধু প্রয়োজন একটি রোমাঞ্চপ্রিয় মন আর কিছু অর্থ।
২ জুলাই ২০২৩, ০২:১৩ অপরাহ্ন

উপকূলে আনা হলো ডুবে যাওয়া সাবমেরিন টাইটানের ধ্বংসাবশেষ

১৯১২ সালে ডুবে যাওয়া বিখ্যাত টাইটানিক জাহাজটি দেখতে গিয়ে সাবমেরিনটিতে থাকা ৫ জনই মারা যান।
২৮ জুন ২০২৩, ০৭:২৩ অপরাহ্ন

টাইটানিকের কাছে যাওয়া কেন এত বিপজ্জনক

আটলান্টিকের তলদেশে ডুবোযান টাইটান কী কারণে বিধ্বস্ত হলো? এই প্রশ্ন এখন সারাবিশ্বের সব মানুষের মনে। এই প্রশ্নের উত্তর পেতে বিশ্লেষকরা খতিয়ে দেখবেন টাইটানিকের কাছে পড়ে থাকা টাইটানের ধ্বংসাবশেষগুলো।
২৬ জুন ২০২৩, ১২:৩৭ অপরাহ্ন

টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষ দেখতে যাওয়া ৫ জন আর বেঁচে নেই: মার্কিন কোস্টগার্ড

'তারা সত্যিকারের পর্যটক ছিলেন যাদের ভেতরে অ্যাডভেঞ্চারের আলাদা একটা স্পিরিট ছিল,' বিবৃতিতে বলা হয়।
২২ জুন ২০২৩, ০৭:৩২ অপরাহ্ন

আটলান্টিকের তলদেশে ধ্বংসাবশেষের খোঁজ পেয়েছে মার্কিন কোস্টগার্ড

তবে এই ধ্বংসাবশেষ নিখোঁজ ডুবোযান টাইটানের কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। 
২২ জুন ২০২৩, ০৪:২৫ অপরাহ্ন

নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন ছিল না ঝুঁকিপূর্ণ ডুবোযান টাইটানের

আটলান্টিক মহাসাগরের তলায় টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষ পর্যটকদের দেখাতে ডুব দিয়েছিল যে ডুবোযান, সেই টাইটানের খোঁজ এখনও মেলেনি। ইতোমধ্যে জানা গেছে, এই ডুবোযানটিতে বেশ কয়েকবার গুরুতর কারিগরি ত্রুটি দেখা দিয়েছিল এবং এটি কোনো নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদনও পায়নি।
২২ জুন ২০২৩, ০৩:৫২ অপরাহ্ন

আশা-নিরাশার দোলাচালে ডুবোযান টাইটানের উদ্ধার কার্যক্রম

হিসাব অনুসারে, এই মুহূর্তে টাইটানের অক্সিজেন শেষ হয়ে যাওয়ার কথা। আর অক্সিজেন থাকলেও আদৌ ডুবোযানটি অক্ষত আছে কিনা, তা নিয়েও আশঙ্কা আছে।
২২ জুন ২০২৩, ০৮:৩২ পূর্বাহ্ন

টাইটানিক দেখতে যাওয়া পর্যটকবাহী সাবমেরিন নিখোঁজ

সাবমেরিনটি উদ্ধারে অভিযান শুরু করেছে মার্কিন ও কানাডিয়ান নৌবাহিনীসহ সরকারি ও বাণিজ্যিক গভীর সমুদ্র সংস্থাগুলো।
২০ জুন ২০২৩, ০৫:৩৪ অপরাহ্ন

টাইটানিক দেখতে যাওয়া ডুবোযান নিখোঁজ

টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষ দেখতে পর্যটক নিয়ে যাওয়ার কাজে ব্যবহৃত একটি ডুবোজাযান আটলান্টিক মহাসাগরে নিখোঁজ হয়েছে।
১৯ জুন ২০২৩, ০৩:১১ অপরাহ্ন

শেষ মুহূর্তে টাইটানিকে যাত্রা বাতিল, বেঁচে যাওয়া ধনকুবেরের গল্প

মিল্টন স্ন্যাভলি হার্শিও ছিলেন ডি জংয়ের মতোই ভাগ্যবান। যে টাইটানিক বিশ্বের ইতিহাসে অন্যতম এক ট্র্যাজেডি হয়ে আছে, যে জাহাজে প্রথমবারের মতো চড়ে প্রাণ হারিয়েছেন পনেরশ’রও বেশি মানুষ, সে জাহাজের যাত্রী ছিলেন হার্শিও। 
৩ মার্চ ২০২৩, ০৬:৪০ পূর্বাহ্ন