দক্ষিণ কোরিয়ায় উড়োজাহাজ দুর্ঘটনা
আসলেই কি পাখির আঘাতে হয়েছে কোরিয়ার উড়োজাহাজ দুর্ঘটনা?
উড়োজাহাজটি অবতরণের আগে আগে, এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল থেকে পাখির আঘাতের সতর্কতা জারি করা হয়। যা উড়োজাহাজের সঙ্গে পাখির সংঘর্ষের ঝুঁকি নির্দেশ করে।
৩১ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৬:৪৭ পূর্বাহ্ন
এবার মাঝ-আকাশে জেজু ফ্লাইটের ল্যান্ডিং গিয়ারে ত্রুটি
উড়োজাহাজটির ২১ যাত্রী বিকল্প ফ্লাইটে চড়তে অস্বীকার করেন। তারা জেজু এয়ারের নিরাপত্তা মান নিয়ে উদ্বেগের কথা উল্লেখ করেন।
৩০ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৮:৩৫ পূর্বাহ্ন
দ. কোরিয়ায় ১৮১ আরোহী নিয়ে উড়োজাহাজ দুর্ঘটনা: দুজন বাদে সবাই নিহত
দক্ষিণ কোরিয়ার পরিবহন মন্ত্রণালয় একে দেশটির ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ উড়োজাহাজ দুর্ঘটনা বলে আখ্যায়িত করেছে।
২৯ ডিসেম্বর ২০২৪, ০২:০০ অপরাহ্ন
'৬ মিনিটের বিপর্যয়'
ফায়ার সার্ভিসের বরাত দিয়ে এএফপি জানিয়েছে, সন্ধ্যা পর্যন্ত ১৬৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
২৯ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৯:০৫ পূর্বাহ্ন
উড়োজাহাজের পেছনে থাকায় বেঁচে যান দুই ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট
ধারণা করা হচ্ছে, উদ্ধার পাওয়া ওই দুই ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট ছাড়া বাকি সব আরোহী নিহত হয়েছেন।
২৯ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৬:০১ পূর্বাহ্ন
‘আর কারো বেঁচে থাকার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে’
বিধ্বস্ত উড়োজাহাজটিতে ১৭৩ জন দক্ষিণ কোরীয় ও দুইজন থাই নাগরিক ছিলেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
২৯ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৫:৩০ পূর্বাহ্ন
‘ডানায় পাখি আটকে আছে’- পরিবারকে পাঠানো শেষ বার্তায় এক আরোহী
স্থানীয় বাজেট এয়ারলাইন্স জেজু এয়ারের ৭সি ২২১৬ ফ্লাইটের এক যাত্রীর পরিবারের সদস্য দুর্ঘটনার কয়েক মুহূর্ত আগে তার কাছ থেকে একটি এসএমএস পান।
২৯ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৫:০৫ পূর্বাহ্ন
২ জন জীবিত উদ্ধার, ১৭৯ জন নিহতের আশঙ্কা
বার্তাসংস্থা এএফপি জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত মাত্র দুই যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
২৯ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৪:৩৮ পূর্বাহ্ন
দক্ষিণ কোরিয়ায় উড়োজাহাজ বিধ্বস্তে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৭৬
১৭৫ জন যাত্রী ও ছয়জন ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট নিয়ে জেজু এয়ারের বিমানটি থাইল্যান্ডের ব্যাংকক থেকে ফেরার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
২৯ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৩:১৪ পূর্বাহ্ন