নাজিম হিকমত
বিরলপ্রজ এক সাধক সুবিমল মিশ্র
সত্যিকার্থে প্রতিষ্ঠানবিরোধী ছিলেন সুবিমল মিশ্র। যাকে অনেকেই কিংবা প্রত্যেকেই দেখছেন একগুঁয়েমি, ক্রোধ বা জেদ হিসেবে। সত্যিই কি তাই, নাকি প্রতিষ্ঠানবিরোধিতাকে সাধনা হিসেবে নিয়েছিলেন তিনি? তুরস্কের কবি নাজিম হিকমত বলেছিলেন বিংশ শতাব্দীতে মানুষের শোকের আয়ু বড়োজোর এক বছর। বিংশ শতাব্দীতে নয় কেবল, একবিংশ শতাব্দেও হেরফের হয়নি শোকের আয়ুর বয়স। উপরন্তু যোগ হয়েছে একগুঁয়েমি, ক্রোধ বা জেদের আয়ু, যার দৌড় বড়জোর একবছর। সুবিমল এখানেই ব্যতিক্রম। সবার থেকে আলাদা ও স্বতন্ত্র। নিজের জেদ, একগুঁয়েমি, ক্রোধকে তিনি পরিগণিত করেছিলেন সাধনায়, যা জপ করে গেলেন আমৃত্যু। বাংলা সাহিত্যে তো বটেই ভারতের অনভাষাভাষির সাহিত্যেও এরকম উদাহরণ আক্ষরিক অর্থেই তুলনারহিত।
১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৭:৪৯ পূর্বাহ্ন
নাজিম হিকমত: কবিতা আর বিপ্লব মিলেছে যেখানে
তার ৬১ বছরের জীবনের ১৭ বছরই কেটেছে স্বৈরশাসকের কারাগারে বন্দী হয়ে। অপরাধ? সাম্রাজ্যবাদী পুঁজিবাদীদের বিরুদ্ধে কবিতায় বিপ্লব আর স্বপ্নের জানান দিয়েছিলেন তিনি, লিখেছিলেন সুন্দর এক পৃথিবীর স্বপ্ন, এক মানবিক সমাজের গল্প। এক সময় দেশচ্যুতও হয়েছেন অত্যাচারে না টিকতে পেরে। চেয়েছিলেন, তার কবরটা যেন অন্তত হয় জন্মভূমি তুরস্কের মাটিতে। সেই চাওয়াটাও পূর্ণ হয়নি বিপ্লবী এই কবির। তার শেষ ঠিকানা হয়েছে রাশিয়ার মস্কোতে।
৩ জুন ২০২২, ১২:২৯ অপরাহ্ন