বাংলা কবিতা
হতাশায় আলোর কবি ফররুখ আহমদ
কবিরা স্বাধীনভাবে লিখবেন, তথা মত প্রকাশ করবেন। এটা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের ও সরকারের দায়িত্ব।
১০ নভেম্বর ২০২৫, ০৬:২৭ পূর্বাহ্ন
সত্যপ্রকাশে লক্ষ্যভেদী কবি রুদ্র
রুদ্রর কবি প্রতিভার সহজাত বৈশিষ্ট্য হল তিনি কবিতায় প্রশ্ন জারি রেখেছিলেন নানাভাবে, প্রভূত মাত্রাকে অবলম্বিত করে। না, এই প্রশ্ন পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের মতো প্রশ্ন না করেও যে প্রশ্ন করা যায় তার সবিশেষ উদাহরণ রয়েছে রুদ্রর বেশীরভাগ কবিতায়। আমরা তো জানি, একজন কবি-দার্শনিকের প্রধান কাজ হল প্রশ্ন উত্থাপন করা।
২৪ জুন ২০২৩, ০৯:১১ পূর্বাহ্ন
ভেড়া ও ভয়তন্ত্র : প্রখর জীবনবোধের অভিধান
কবিতা সময়ের কথা বলে। পড়ছিলাম 'ভেড়া ও ভয়তন্ত্র' শিরোনামে কবিতার বই। কবিতার শরীরজুড়ে রয়েছে ভয়ের আবেশ। এটি কোনো মানবিক বিকার নয়, স্রেফ রাজনীতি ও রাষ্ট্রের অসংলগ্ন মিলন থেকে উপজাত এক বিশেষ ভয়। বিশেষ উৎপাদ। এ ভয় আজ অনিবার্য হয়ে উঠেছে। কবির রাজনৈতিক দায় ফুটে উঠেছে কবিতার পরতে পরতে। 'উপকথার পরের কথা' কবিতায় কবি লিখেছেন- ভাগাড়ে সুশাসন কেমনতর ‘সু-রই সুশাসন, পশুদের নয়। দুঃশসানের কবলে পড়ে জনগণের উপস্থিতি কবির ভাষায় হয়ে উঠেছে ভেড়াসদৃশ।'
১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৫:৪৩ পূর্বাহ্ন
কবিতায় সমাজ বাস্তবতা যেভাবে আসে
সমকালীন কবিতা বলতে কোন সময়ের কবিতাকে বোঝাবে- তা নির্ণয় করা কঠিন। যেমনটা কঠিন আধুনিকতার শুরু ও শেষ ঠাহর করা। সমকালীন কবিতায় কী রবীন্দ্রনাথ আসবে, না জীবনানন্দ, নজরুল, জসিম উদদীন থেকে শুরু হবে, নাকি শামসুর রাহমান আল মাহমুদদের সময় থেকে, নাকি সত্তর দশকের পরে এখনকার শূন্য দশক কেবল সমকালের হিসেবে আসবে? এ নিয়ে তর্ক বিতর্ক করা যাবে অনেক।
১০ জানুয়ারি ২০২৩, ১১:০৬ পূর্বাহ্ন