ভাষা আন্দোলন

ইংরেজিতে লেখায় রংপুরে বিচারকের কলম ভাঙলেন মিলি চৌধুরী

১৯৫১ সালের একদিন মিলি চৌধুরীর নেতৃত্বে শিক্ষার্থীদের একটি মিছিল রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে রংপুর জজ কোর্টে গিয়ে পৌঁছায়। এসময় আদালতে এজলাস চলছিল। এক পর্যায়ে মিছিল থেকে কারমাইকেল কলেজের ছাত্রী মিলি চৌধুরী এজলাসে গিয়ে বিচারককে জিজ্ঞেস করেন, ‘আপনি কেন ইংরেজিতে লিখছেন?’ এরপর পরিস্থিতি বুঝে ওঠার আগেই বিচারকের কাছ থেকে কলমটি নিয়ে ভেঙে ফেলে মিছিলে ফিরে যান তিনি।
১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৬:২৯ পূর্বাহ্ন

রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে ৫ দিন ট্রেন আটকে রাখা হয় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়

এতে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল ঢাকার সঙ্গে চট্টগ্রাম ও সিলেটের এবং চট্টগ্রাম ও সিলেটের সঙ্গে ময়মনসিংহসহ পুরো উত্তরবঙ্গের ট্রেন চলাচল।
১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০২:১৪ পূর্বাহ্ন

একুশের প্রথম কবিতা রচিত হয়েছিল চট্টগ্রামে

কেবল একুশের প্রথম কবিতা নয়, ভাষা আন্দোলনে নানাভাবে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিল চট্টগ্রাম।
১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৫:১৮ পূর্বাহ্ন

রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে প্রস্তাব উত্থাপন করেছিলেন ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত

১৯৪৮ সালের ভাষা আন্দোলন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গড়ে উঠতে না পারলেও বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন তীব্রভাবে দানা বেঁধেছিল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়।
৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৪:৫৫ অপরাহ্ন

ভাষা আন্দোলনে কুষ্টিয়া

২১ ফেব্রুয়ারি আন্দোলনের মূল দিনে সমগ্র কুষ্টিয়া জুড়ে স্বতঃস্ফূর্ত ধর্মঘট পালিত হয়।
৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৬:৪৭ পূর্বাহ্ন

ভাষা আন্দোলনে বগুড়া

১৯৪৮ সালের ১৩ মার্চ বগুড়ার আজিজুল হক কলেজ থেকে শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদী মিছিল বের করে
৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৭:১৮ পূর্বাহ্ন

ভাষা আন্দোলনে কিশোরগঞ্জ

দেশের অন্যান্য স্থানের মতো কিশোরগঞ্জে ভাষা আন্দোলনে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছিল। ১৯৪৮ সালের মার্চে পাকিস্তানের গভর্নর মুহম্মদ আলী জিন্নাহ রেসকোর্স ময়দানে ও কার্জন হলে উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ঘোষণা করলে প্রতিবাদে ফুঁসে উঠে ঢাকার ছাত্র সমাজ।
৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৫:৫১ পূর্বাহ্ন

ভাষা আন্দোলনে কুমিল্লা

ভাষা আন্দোলনে কুমিল্লার স্থান ছিল প্রথম সারিতে। ১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লার সন্তান ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত সর্বপ্রথম পাকিস্তান গণপরিষদে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রস্তাব তুলেছিলেন। তিনি সরকারি কাগজে বাংলা ব্যবহার না করার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন।
৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৩:৪৭ পূর্বাহ্ন

ভাষা আন্দোলনে ঝিনাইদহের অবদান

রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে ২ ভাগে সংগঠিত ভাষা আন্দোলন ক্রমে বারুদের মতো ছড়িয়ে পড়েছিল বাংলার প্রতিটি প্রান্তরে। ১৯৪৮ সালে ঝিনাইদহে আন্দোলনের উত্তাপ লাগলেও তখন জোরদার কোনো আন্দোলন গড়ে উঠেনি সেখানে।তবে ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনে উত্তাল হয় ঝিনাইদহ।
৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৫:২৭ অপরাহ্ন

ভাষা আন্দোলনে নোয়াখালী

ভাষা আন্দোলনে নোয়াখালী অগ্রগণ্য ভূমিকা পালন করেছিল। নোয়াখালী সদরের মূল কার্যক্রম সংগঠিত হতো মূলত মাইজদী শহরে। এ ছাড়াও, রাজনৈতিক-সামাজিক-সাংস্কৃতিক আন্দোলনের বিকল্প কেন্দ্র হয়ে উঠেছিল চৌমুহনী।
৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৪:০৮ পূর্বাহ্ন

ভাষা আন্দোলনের গণজোয়ার ঢেউ তুলেছিল যশোরে

দেশের অন্যতম প্রধান জনপদ হিসেবে যশোরও ভাষা আন্দোলনে শামিল হয়েছিল। প্রায় সব জেলায় বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন তুমুলভাবে দানা বাঁধলেও যশোরে ৪৮’র ভাষা আন্দোলনেই সবচেয়ে বেশি আলোড়ন তুলেছিল। যশোরের ভাষা আন্দোলনের সূতিকাগার এবং কেন্দ্রস্থল ছিল স্থানীয় মাইকেল মধুসূদন কলেজ ও টাউন হল প্রাঙ্গণ।
৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৪:২১ অপরাহ্ন

ভাষা আন্দোলনে যশোর

ভাষা আন্দোলনের গণজোয়ার আছড়ে পড়েছিল যশোর জেলাতেও। এখানে ভাষা আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল ভাষা আন্দোলনের প্রথম পর্বেই, অর্থাৎ ১৯৪৮ সালের মার্চ মাসে। ভাষা আন্দোলনের ক্ষেত্রে যশোর রেখেছিল ভিন্ন ভূমিকা।
৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৯:২১ পূর্বাহ্ন

ভাষা আন্দোলনের গণজোয়ার ছড়িয়ে পড়ে ফরিদপুরের মাটিতেও

ভাষা আন্দোলনে দেশের অন্যতম প্রধান জনপদ হিসেবে ভূমিকা রেখেছিল ফরিদপুর।
২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৩:৪০ অপরাহ্ন

ভাষা আন্দোলনে ফরিদপুর

ভাষা আন্দোলনের গণজোয়ার ছড়িয়ে পড়েছিল ফরিদপুর জেলাতেও। ফরিদপুরে আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল ভাষা আন্দোলনের প্রথম পর্বেই অর্থাৎ ১৯৪৮ সালের মার্চ মাসে।
২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ১০:৫৫ পূর্বাহ্ন

প্রথম শহীদ মিনার গড়া হয়েছিল রাজশাহীতে

সদ্য নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভের দেয়ালে সাঁটানো ছিল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘সুপ্রভাত’ কবিতার অমর ২টি চরণ। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজশাহী কলেজের নিউ হোস্টেলের সামনে ছাত্রদের হাতে ইট-কাদামাটি দিয়ে নির্মিত সেই স্মৃতিস্তম্ভটিই ছিল ভাষা আন্দোলনের প্রথম শহীদ মিনার।
১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৯:৩৪ পূর্বাহ্ন