মওলানা ভাসানী

আসামের ভক্তদের জন্য ভূরুঙ্গামারীতে বাড়ি তৈরি করেছিলেন মওলানা ভাসানী

ভারতের আসাম সীমান্তবর্তী বাংলাদেশের প্রত্যন্ত গ্রাম কামাত আংগারিয়া। কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলার প্রত্যন্ত এই গ্রামেই আসাম থেকে আসা ভক্তদের জন্য বসতভিটা ও দরবার হল নির্মাণ করেছিলেন মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী।
১৮ নভেম্বর ২০২৫, ০৫:০৭ পূর্বাহ্ন

জাতীয়তাবাদী ও সমাজতন্ত্রীদের লড়াই

গণবিক্ষোভ ও আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে নিয়ে যাবার জন্য ব্রিটিশ গভর্নমেন্ট আয়োজন করেছিল সাধারণ নির্বাচনের। নির্বাচনের পরে দাঙ্গা বাধে, এবং ভারতবর্ষ ভাগ হয়ে যাবার দিকে অনিবার্যভাবে অগ্রসর হয়। বলাবাহুল্য দেশভাগে জাতীয়তাবাদী হিন্দু মহাসভার উৎসাহ ছিল সর্বাধিক।
১৯ এপ্রিল ২০২৩, ০৩:৪৫ পূর্বাহ্ন

মওলানা ভাসানী কুড়িগ্রামে ভাষা আন্দোলনকে উজ্জীবিত করেছিলেন

১৯৪৮ সালের মে মাসে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী কুড়িগ্রাম সফর করেন। এটি কুড়িগ্রামের নেতাকর্মীদের ভীষণভাবে উজ্জীবিত করেছিল। মওলানা ভাসানী তখন কুড়িগ্রাম সদর, বামনডাঙ্গা, ভুরুঙ্গামারিসহ বেশ কয়েকটি স্থানে জনসভা করেছিলেন। সেসময় তার সফরসঙ্গী ছিলেন শামসুল হক ও তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া।
১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৪:১৫ পূর্বাহ্ন

মওলানা ভাসানী ও ইসলামী সমাজতন্ত্র

ভাসানী সমাজতন্ত্রী ছিলেন, কিন্তু শেষ দিকে তিনি ইসলামী সমাজতন্ত্রের কথা বলছিলেন। এ নিয়ে বিস্ময় ও হতাশা দু’টোই দেখা দিয়েছে, বিশেষ করে তাঁর অনুরাগী ও অনুসারীদের ভেতরে। বদরুদ্দীন উমর মনে করেন যে, এটা ছিল তার রাজনৈতিক জীবনের একটি মস্ত বড় পশ্চাদ্গমন। ১৯৭০ সালের জানুয়ারিতে তিনি লিখেছেন,  Whether the Maulana and his political associates understand the import of such declarations or not is a different  question, but the fact of the matter is that by his latest stand the Maulana has struck at the very root of democratic politics in this country.
১৭ নভেম্বর ২০২২, ০৭:১৪ পূর্বাহ্ন