লালন সাঁই

লালন উৎসব আজ বিকেল ৩টায়, সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানে ভক্তদের অসন্তোষ

‘যেহেতু প্রশাসনের মাধ্যমে সাঁইজির আখড়াবাড়ি পরিচালিত হচ্ছে, অতএব তাদের সিদ্ধান্তই মেনে নিতে হবে। আমরা মূল ভুলে নকল নিয়ে ব্যস্ত থাকছি।’
২৪ মার্চ ২০২৪, ০৪:৩৩ পূর্বাহ্ন

বঙ্গীয় নবজাগরণে লালন যেভাবে প্রতিনিধিস্থানীয়

লালন সাঁই দীর্ঘায়ু পেয়েছিলেন এবং উনিশ শতকের প্রায় পুরোটা সময় বেঁচেছিলেন। মীর মশাররফ হোসেন সম্পাদিত ‘হিতকরী’ পত্রিকা সূত্রে জানা যায় লালনের মৃত্যু হয় ১৮৯০ খ্রিস্টাব্দে। ‘হিতকরী’ তার মৃত্যুর দু’সপ্তাহ পর প্রকাশিত এক সংবাদে এ কথা উল্লেখ করেন। সেখানে জন্মের সন তারিখ বলা হয় ১১৭৯ বঙ্গাব্দের ১ কার্তিক। সেই হিসেবে গোটা উনিশ শতক জুড়েই লালন  তাঁর সৃষ্টির সাধনায় মগ্ন ছিলেন। মানব হিতৈষণা ও হিতাকাঙ্ক্ষাই ছিল সেই সাধনার মূল সুর ও স্বর। লালন মানবতাবাদী ছিলেন। ধর্ম, সাম্প্রদায়িকতা, বর্ণ, শ্রেণী, বৈষম্যের ঊর্ধ্বে উঠে তিনি ভেদমুক্ত সমাজ গড়নের আহবান জানিয়েছিলেন গানে গানে। গোটা ঊনিশ শতকে তো বটেই বাংলা সাহিত্যে এবং বাংলার সামাজিক রাজনৈতিক ইতিহাসের কোথাও লালনের মতো চরিত্রের উপস্থিতি নেই।
৬ মার্চ ২০২৩, ১০:২১ পূর্বাহ্ন

আবুল আহসান চৌধুরী: একজন ঋত্বিক গবেষক

গবেষণাকে কীভাবে সাধনার পর্যায়ে নিয়ে যেতে হয় আবুল আহসান চৌধুরীর এষণায় তার ছাপ রয়েছে প্রোজ্জ্বলরূপে। এ জগতে তার বিস্তার ‍ও বিস্তৃতি ঈর্ষণীয়। একজন সংগ্রাহক-সংকলক-সম্পাদক সত্তায়-তিনি সদর্থক অর্থেই প্রজ্ঞার দ্যুতি ছড়িয়েছেন। এষণার জগত পুথুলা হলেও মানে ও প্রয়োজনে স্থূল নয় মোটেই। প্রতিটি কাজেই রয়েছে আমাদের জাতিসত্তা ও জাতীয় ইতিহাস নির্মাণের আকর সব উপাদান। আবুল আহসান চৌধুরী জীবনভর এই কাজটাই করে গেছেন একজন ঋত্বিক গবেষকের সাধনমন্ত্রে।
১৪ জানুয়ারি ২০২৩, ০৫:৫০ পূর্বাহ্ন