শহীদ বুদ্ধিজীবী

শহীদ সাবের: মৃত্যুঞ্জয়ী এক প্রাণ

মুক্তিযুদ্ধে প্রথম শহীদ সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবী ছিলেন শহীদ সাবের। পেয়েছিলেন মাত্র ৪১ বছরের এক স্বল্প আয়ুর জীবন। কিন্তু শহীদ সাবেরের সে জীবন ছিল সাক্ষাৎ বিপ্লবের প্রতিমূর্তি।
৩১ মার্চ ২০২৬, ০৩:৫০ অপরাহ্ন

‘বাংলার পার্টিশন কথা’ কেন এতো অবহেলিত

কয়েকজনের সঙ্গে আলাপে এমন প্রসঙ্গ হাজির হয়েছে, সেসব আরও একটু বিস্তৃত হওয়ার প্রত্যাশা রাখে।
৩ জুলাই ২০২৪, ১০:২২ পূর্বাহ্ন

অখ্যাত বধ্যভূমি, নির্যাতনকেন্দ্র: শ্রদ্ধার কিন্তু অবহেলিত

‘মিরপুরের বধ্যভূমি সম্পর্কে সবাই জানে। অথচ সরকার এখন পর্যন্ত মিরপুরের কোনো বধ্যভূমিই সংরক্ষণ করতে পারেনি। এটি মন্ত্রণালয়ের চরম কাণ্ডজ্ঞানহীনতা। একইসঙ্গে এটি শহীদদের ত্যাগকে চরম অবমাননার শামিল।’
১৫ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৯:০২ পূর্বাহ্ন

একাত্তরের বধ্যভূমি: ধীরগতি আর অনিয়মে বাধাগ্রস্ত স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ

‘বধ্যভূমির স্মৃতিস্তম্ভের নির্মাণকাজে অনিয়ম কেবল জঘন্য অপরাধই নয়, এটি শহীদদের স্মৃতির প্রতি অবমাননাও।’
১৫ ডিসেম্বর ২০২৩, ০২:৫৯ পূর্বাহ্ন

শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

মাটির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাতে তারা সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে ছিলেন।
১৪ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৪:৩০ পূর্বাহ্ন

শহীদ বুদ্ধিজীবী ডা. ফজলে রাব্বি: সাফল্যের হাতছানি ফেলে বুলেটের সামনে

পাকিস্তানের শোষণমুক্ত হয়ে যে মেধাবীরা স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছেন, স্বাধীন দেশ গড়ে তুলতে ভূমিকা রেখেছেন তাদের অন্যতম শহীদ বুদ্ধিজীবী ডা. ফজলে রাব্বি। তার সুযোগ ছিল  উন্নত দেশে আরও উন্নত ভবিষ্যত গড়ে তোলার। কিন্তু সাফল্যের হাতছানি পেছনে ফেলে তিনি ছুটে এসেছিলেন দেশের মানুষের সেবা করার জন্য। ঘাতকের বুলেট তাকে বাঁচতে দেয়নি, তবে তার রেখে যাওয়া আদর্শ প্রেরণা হয়ে আছে স্বাধীনচেতা বাঙালির হৃদয়জুড়ে।
১৪ ডিসেম্বর ২০২২, ০৬:১৮ অপরাহ্ন

‘তোমাদের কথা রবে সাধারণ মানুষের ভিড়ে...’

কুয়াশা ভেদ করে যখন ভোরের প্রথম কিরণ ছটা চারপাশ আলোকিত করে তুলছিল, ঠিকই তখনই জেগে উঠল রায়েরবাজার শহীদ বুদ্ধিজীবী সমাধিসৌধ। হাজারও মানুষের ভিড়ের সঙ্গে স্মৃতিস্তম্ভের খোলা জানালাও যেন শ্রদ্ধা জানাচ্ছিল শহীদ বুদ্ধিজীবীদের।
১৪ ডিসেম্বর ২০২২, ০৮:০২ পূর্বাহ্ন

শহীদ বুদ্ধিজীবী মুনীর চৌধুরী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আঙিনা এখন ধানখেত

শহীদ বুদ্ধিজীবী মুনীর চৌধুরীর স্মৃতি রক্ষার্থে তার গ্রামের বাড়ী নোয়াখালীর চাটখিলে ১৯৭২ সালে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছিল এলাকাবাসী। পরে বিভিন্ন প্রতিকূলতার কারণে বন্ধ হয়ে যায় বিদ্যালয়ের কার্যক্রম। বর্তমানে স্কুলের জমিতে সবজি ও আঙিনায় ধান চাষ হচ্ছে।
১৪ ডিসেম্বর ২০২২, ০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন