সমরেশ মজুমদার

সমরেশের অনিমেষ-মাধবীলতারা কেন পরাজিত হয়

সমরেশ মজুমদারের আগে জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী ঔপন্যাসিকের জন্ম হয়েছে, পরেও। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মতো বহুমাত্রিক এক প্রতিভা পেয়েছে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য। সাহিত্যের অন্যান্য শাখার মতো উপন্যাসেও তিনি সোনা ফলিয়েছেন। গোরা’র কথায় ধরা যাক, আম পাঠকের কাছে খুব বেশি জনপ্রিয় না হলেও উপন্যাস হিসেবে শক্তিশালী। রবীন্দ্রনাথের সর্বশেষ উপন্যাস ‘শেষের কবিতা’ জনপ্রিয়তায় ছাড়িয়ে গেছে উনার সকল উপন্যাসকে। অমিত ও লাবণ্যর কথা আমরা কে না জানি। এমনকি কেতকীও আমাদের ড্রয়িংরুমেরই একজন।
১০ মে ২০২৩, ০১:৪৮ অপরাহ্ন

পাঠের আনন্দে সমরেশ থাকবেন

খুব সহজ, স্বাভাবিক ভঙ্গির মধ্যেই অসাধারণত্ব সৃষ্টির, পাঠকের গভীরে আঁচড় কাটার অদ্ভুত একটা ক্ষমতা ছিল সমরেশ মজুমদারের। ভাষার কেরদানি নয়,  নয় অতিকথন, চেষ্টাকৃত বাহুল্য নয়, যেন একজন মানুষ মুখোমুখি বসে গল্প করছে এমন। এই সহজ স্বাচ্ছন্দ্য, এই অবারিত স্পষ্টতাই সমরেশ মজুমদারকে দিয়েছে তুমুল পাঠকপ্রিয়তা। পাঠের আনন্দে এমন লেখক টিকে থাকবেন অনেক দিন!
৯ মে ২০২৩, ১১:৫৪ পূর্বাহ্ন

সমরেশ মজুমদারের ‘দৌড়’, আমাদের থামায়

সমরেশ মজুমদারের প্রথম উপন্যাস 'দৌড়'। তখন সবে দেশ (১৯৭৬) পত্রিকায় ছোটগল্প লিখতে শুরু করেন। সত্তরের কলকাতার টালমাটাল সময় তখনও রয়ে গেছে। যুবক বয়সে সমরেশ লিখে বসলেন ছোট কলেবরের এই উপন্যাস। যাতে মিশে আছে সবে চাকরি হারিয়ে বসা তার বয়সী যুবকেরই কয়েকটা দিনের কথা।
৯ মে ২০২৩, ১০:১৪ পূর্বাহ্ন

‘বাবার সঙ্গে আজই শেষ কথা হবে ভাবিনি’

মঙ্গলবার সমরেশ মজুমদারের শেষকৃত্য
৮ মে ২০২৩, ০৫:৫৯ অপরাহ্ন

সমরেশ মজুমদার আর নেই

কলকাতার একটি হাসপাতালে স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিটে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
৮ মে ২০২৩, ০১:০৩ অপরাহ্ন