সাহিত্য
সাহিত্যের চাওয়া পাওয়া
সাহিত্যের কাছে আমাদের চাইবার জিনিস আছে। কিন্তু সাহিত্যের নিজের চাওয়া পাওয়ার একটা বিষয় থাকে। আমরা জানি যথার্থ সাহিত্য বারবার পড়া যায়, কখনোই পুরাতন হয় না। উল্টো প্রতিপাঠেই নতুন চেহারায় ধরা দেয়। এর কারণ সাহিত্যের ভেতর একটা রহস্য থাকে। রহস্যটা কী? থাকে সে কোথায়? সেসব কথা একেবারে পরিষ্কার করে বলা যাবে না, বলতে গেলে কারণের একটা ফর্দ তৈরি করতে হবে। ফর্দে উল্লেখ থাকবে লেখকের কল্পনার, তার অনুভূতির, এবং তার দর্শনের। কোনটা আগে কোনটা পরে সেটার মীমাংসাও একটা সমস্যা। কারণ ওই ৩টি মিলেমিশে যায়, অভেদ্য হয়ে পড়ে। তবে এটা খুবই সত্য যে দর্শন ছাড়া সাহিত্য নেই। সাংবাদিকতা যে সাহিত্য নয় তার প্রধান কারণ ওই দর্শন।
১৯ জানুয়ারি ২০২৩, ০২:২৬ পূর্বাহ্ন
'কাজলা দিদি' প্রসঙ্গে যতীন্দ্রমোহন বাগচী
আবুল মনসুর আহমদ যেমন 'আদুভাই' গল্পের মাধ্যমে বহুল পাঠকের কাছে পরিচিত, অন্যদিকে ‘কাজলা দিদি’ কবিতার অন্তরালে পড়েছেন প্রখ্যাত কবি যতীন্দ্রমোহন বাগচী। ব্যক্তিমানবের চেয়ে সৃষ্টিকর্মের পরিচয়টাই মুখ্য হয়েছে এমন নজির বাংলা সাহিত্যে খুব বেশি নেই। এক্ষেত্রে ‘কবিতা মুকুল’ কাব্যের কবি কুসুমকুমারী দাশের ‘আদর্শ ছেলে’ কবিতাটিও স্মরণ করা যেতে পারে।
২৩ নভেম্বর ২০২২, ০৬:৩৩ পূর্বাহ্ন
তারুণ্যের সংকট, তারুণ্যের জয়
গদ্য, পদ্য, ছন্দ-গীতিতে তারুণ্যকে এইভাবেই বর্ণনা করেছেন কবি-সাহিত্যিকেরা। সাহিত্য, সংগ্রামে তারুণ্যের জয়ধ্বনি নিশ্চিত। নিশ্চিত জেনেও আমাদের দেশে তারুণ্য কেন জানি উপেক্ষিত। কারণ কি জানা?
৪ নভেম্বর ২০২২, ১১:৪৮ পূর্বাহ্ন
বাংলাদেশের কবিতায় ওমর আলীর হঠাৎ আলোর ঝলকানি
শরীরের কোথাও অস্বাভাবিক মাংস বৃদ্ধিকে সুস্বাস্থ্য বলে না। বরং ডাক্তারি শাস্ত্রে সেটা একটা রোগ। স্বাস্থ্য মানে শরীরের সব প্রত্যঙ্গের সুষম ও প্রয়োজনসম্মত বিকাশ। বাংলাদেশের সমাজ যে সুস্বাস্থ্যের অধিকারী নয় তার প্রমাণ এর সবকিছু ঢাকাকেন্দ্রিক। সবকিছুতে ঢাকার অস্বাভাবিক মাংস বৃদ্ধি ঘটেছে। কিন্তু দেশের অন্যান্য জায়গার সেই আনুপাতিক বৃদ্ধি আগেও ঘটেনি, এখনো ঘটছে না। চৌষট্টিটি জেলা আর অসংখ্য মফস্বল শহর ও গ্রাম-গ্রামান্তর প্রায় সব ক্ষেত্রেই সুষ্ঠুভাবে বিকশিত হয়নি। একারণে সবাই সবকিছুর জন্য শুধু ঢাকায় আসতে চায়। ঢাকার দিকে তাকিয়ে থাকে। ঢাকা যেন বাংলাদেশের কামরূপ-কামাক্ষা। এতে ঢাকার চাহিদা আর ‘মাহাত্ম্যের’ বাড়াবাড়িটা হয়ত বোঝা যায়, কিন্তু একইসাথে এই পরিস্থিতি ঢাকার বাইরের দীনতাও প্রকাশ করে। কথাগুলো কবি ওমর আলীক মাথায় রেখে মনে হলো। কারণ কবি ওমর আলী বলতে ঢাকার শিক্ষিত কবিকুল মফস্বলের ওমর আলীই বোঝেন।
২১ অক্টোবর ২০২২, ০৭:২৫ পূর্বাহ্ন
দেশভাগের ৭৫ বছর: সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক বিবেচনা
‘তেলের শিশি ভাঙল বলে/খুকুর পরে রাগ করো/তোমরা যে সব বুড়ো খোকা/ভারত ভেঙে ভাগ করো!’
১৯ আগস্ট ২০২২, ০৮:১১ পূর্বাহ্ন