সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী

বহুমাত্রিক জ্যোতির্ময় শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী

আমাদের গৌরব, আমরা আমাদের কালে লেখায়-বলায়-কর্মে একজন সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী স্যারকে পেয়েছিলাম। যিনি, দেশের প্রতিটি ক্রান্তিকালেও মানুষ হিসেবে, শিক্ষক হিসেবে তার মূল্যবোধ অক্ষুণ্ণ রেখেছেন, কিন্তু তা নিয়ে আওয়াজ তোলেননি। নিভৃতে তার কাজটিই করে গেছেন।
২৩ জুন ২০২৫, ১২:১৯ অপরাহ্ন

সমাজ না বদলালে রাষ্ট্র বদলাবে না

ধরে নিলাম নির্বাচন অগ্রহণযোগ্য হবে না। কিন্তু তার দ্বারা কি নিশ্চিত হওয়া যাবে যে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে? মোটেই না। কেননা নির্বাচন আর যাই করুক রাষ্ট্রের চরিত্রে কোনো মৌলিক পরিবর্তন নিয়ে আসবে না। নির্বাচনের দায়িত্বই হচ্ছে রাষ্ট্রের ‘চরিত্র’ রক্ষা করা।
২২ অক্টোবর ২০২৪, ০৩:০০ পূর্বাহ্ন

মুক্তিযুদ্ধ, সংবিধানের মূলনীতি ও জাতীয় সংগীতকে কটাক্ষ করায় ৪৮ নাগরিকের নিন্দা

একটি সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এমনকি জাতীয় সংগীত নিয়ে প্রশ্ন তোলার ধৃষ্টতা দেখাতে পরিকল্পিত প্রচার শুরু করেছে।
৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ১২:৪৯ অপরাহ্ন

বাংলাদেশের প্রতীক কী?

বাংলাদেশ যখন স্বাধীন হলো তখনো কিন্তু আমাদের সেই রেশন কার্ডের কাছে যেতে হচ্ছে—তেলের জন্য, কাপড়ের জন্য।
৪ জুলাই ২০২৪, ০৩:৫৯ পূর্বাহ্ন

পাকিস্তান অনেককে নিঃস্ব করে দিয়েছে

তখন আমাদের গ্রামে এত শ্রেণিবিভাজন ছিল না। সাম্প্রদায়িকতা তো ছিলই না।
৩ জুলাই ২০২৪, ১০:৫৩ পূর্বাহ্ন

এই সমাজের প্রতি আফসোস হয়: জন্মদিনে সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী

‘এক জীবনের এ দীর্ঘ সময়। এখনো বেঁচে আছি ভালো আছি— ব্যক্তিগতভাবে তৃপ্ত আমি; কিন্তু সামাজিক, সামষ্টিকগতভাবে অতৃপ্ত। এ অতৃপ্তি আমায় পোড়ায়। সামাজিক দায়ে কষ্ট পাই।’
২৩ জুন ২০২৪, ০৯:০১ পূর্বাহ্ন

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী কেন জরুরি

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী হতে চেয়েছিলেন মূলত লেখক। কিন্তু সার্বক্ষণিক লেখক বলতে আমরা যা বুঝি তা হয়তো তিনি হননি। তবে তার লেখক সত্তা অন্য পরিচয়গুলোকে কিঞ্চিত হলেও ম্লান করেছে, সন্দেহ নেই।
২৩ জুন ২০২৪, ০২:৩০ পূর্বাহ্ন

আমার শহর কি ছিনতাই হয়ে গেছে

ঢাকা এখন ঢাকাইয়াদের নয়, নাগরিকদেরও নয়; তবে কার?
১৯ জুন ২০২৪, ০২:৩১ পূর্বাহ্ন

রাষ্ট্রীয় চার নীতির দুর্দশা ঘটিয়েছে কারা

মূলনীতি চারটি কেন এসেছিল? এসেছিল আমাদের সমষ্টিগত সংগ্রামের ফলশ্রুতিতে এবং স্বপ্ন বাস্তবায়নের অঙ্গীকার হিসেবে।
১৫ মার্চ ২০২৪, ০২:২৩ পূর্বাহ্ন

সমষ্টিগত স্বপ্নটি এখন আর নেই

আমরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলি। সেই চেতনাটি হচ্ছে গণতান্ত্রিক, যার মূল কথাটি হচ্ছে মানুষে মানুষে অধিকার ও সুযোগের সাম্য প্রতিষ্ঠা করা।
১৬ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৩:১৫ পূর্বাহ্ন

রাষ্ট্র ও কারাগার

মামলা-মোকদ্দমা নেই, ঘুষ উঠে গেছে, তদ্বির অপ্রয়োজনীয় এবং কারাগার পরিণত হয়েছে অতীতের স্মৃতিতে- এমন অবস্থা মোটেই সুখকর হবে না অপরাধ দমন ও শাস্তি বিধানের দায়িত্বপ্রাপ্ত লোকদের জন্য।
৮ জুন ২০২৩, ০২:২০ পূর্বাহ্ন

ইতিহাস অধ্যয়নের জন্য আবুল মনসুর আহমদদের কাছে যেতে হয়: সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী

আজ শনিবার প্রখ্যাত সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদ আবুল মনসুর আহমদের ‘বাংলাদেশের কালচার’ গ্রন্থের ওপর আলোচনা ও রিভিউ প্রতিযোগিতার পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
৮ এপ্রিল ২০২৩, ০৩:৪৭ অপরাহ্ন

সাহিত্যের চাওয়া পাওয়া

সাহিত্যের কাছে আমাদের চাইবার জিনিস আছে। কিন্তু সাহিত্যের নিজের চাওয়া পাওয়ার একটা বিষয় থাকে। আমরা জানি যথার্থ সাহিত্য বারবার পড়া যায়, কখনোই পুরাতন হয় না। উল্টো প্রতিপাঠেই নতুন চেহারায় ধরা দেয়। এর কারণ সাহিত্যের ভেতর একটা রহস্য থাকে। রহস্যটা কী? থাকে সে কোথায়? সেসব কথা একেবারে পরিষ্কার করে বলা যাবে না, বলতে গেলে কারণের একটা ফর্দ তৈরি করতে হবে। ফর্দে উল্লেখ থাকবে লেখকের কল্পনার, তার অনুভূতির, এবং তার দর্শনের। কোনটা আগে কোনটা পরে সেটার মীমাংসাও একটা সমস্যা। কারণ ওই ৩টি মিলেমিশে যায়, অভেদ্য হয়ে পড়ে। তবে এটা খুবই সত্য যে দর্শন ছাড়া সাহিত্য নেই। সাংবাদিকতা যে সাহিত্য নয় তার প্রধান কারণ ওই দর্শন।
১৯ জানুয়ারি ২০২৩, ০২:২৬ পূর্বাহ্ন

আমলাতান্ত্রিক রাষ্ট্র মেধাবানদের টেনে নিয়েছে

বিশ্ববিদ্যালয়ের যা অর্জন তা কেবল যে শিক্ষকদের কারণেই ঘটে এমন নয়; ছাত্রদের কাজটাও এখানে খুবই জরুরী। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকরা যেমন ছাত্রদেরকে গড়ে তুলেছেন, ছাত্ররাও তেমনি শিক্ষকদেরকে শিক্ষাগ্রহণের মধ্য দিয়ে উদ্দীপ্ত করেছে, এবং অত্যন্ত প্রয়োজনীয় যে চরিতার্থতা তার বোধটাও শিক্ষকদের কাছে পৌঁছে দিয়েছে। রাষ্ট্রের হস্তক্ষেপের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের জীবনে যখন সঙ্কটাদি দেখা দিয়েছে তখন ছাত্ররাই প্রতিরোধ ও প্রতিকারের ব্যাপারে মুখ্য ভূমিকা পালন করেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জীবনে ছাত্রদের এই যে সংবেদনশীলতা ও অধিকার-চেতনা ছিল একটি চালিকাশক্তি।
১১ নভেম্বর ২০২২, ০৬:০৪ পূর্বাহ্ন

ছাত্রসংসদ আইয়ুব খানের সময়েও টিকে ছিল

স্মরণ করলে দেখা যাবে যে, গত একশ’ বছরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যে বিস্তার ও উন্নয়ন ঘটেছে তা অসাধারণ। শিক্ষাক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান বহুমুখী ও সুবিস্তৃত। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠা ঘটে দরিদ্র, অবহেলিত ও প্রান্তিক এক জনপদের মানুষকে উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রে সাহায্য করার দায়িত্ব নিয়ে।
১০ নভেম্বর ২০২২, ১১:৪৮ পূর্বাহ্ন

আইয়ুব খান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে শত্রুপক্ষ মনে করতো

শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদানগুলোর একটি হচ্ছে ধর্মনিরপেক্ষতা। বাইরে যখন প্রবল সাম্প্রদায়িক হানাহানি চলছে, এবং দেশ এগিয়ে যাচ্ছে ভাগ হওয়ার দিকে, এই বিশ্ববিদ্যালয় তখন কেবল যে সাম্প্রদায়িক হতে অস্বীকার করেছে তাই নয়, হয়ে উঠেছে ধর্মনিরপেক্ষই। ধর্মনিরপেক্ষতার যে দু’টি গুণ- ইহজাগতিকতা ও রাষ্ট্রের সঙ্গে ধর্মের বিচ্ছিন্নতা- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সেই দু’টিকে লালন করেছে। শিক্ষকরা ছিলেন অসাম্প্রদায়িক; আর রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষের পরিকল্পনার ভেতর দিয়ে সাম্প্রদায়িক বিভাজনকে বাড়িয়ে দেওয়ার আগ্রহ থাকলেও, বিশ্ববিদ্যালয় ওই পথে এগোয়নি।
৯ নভেম্বর ২০২২, ০৪:৫৮ পূর্বাহ্ন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রীয় হস্তক্ষেপই ছিল সবচেয়ে ক্ষতিকর

ইতিহাসের ধারাবাহিকতা ও ঐতিহ্যের প্রবহমানতা অচ্ছেদ্য রূপে বজায় রাখা সম্ভব না হলেও, সমাজ ও রাষ্ট্রের হস্তক্ষেপের ধারাবাহিকতায় কিন্তু বিরাম ঘটে নি। প্রতিষ্ঠার সময়ে ঢাকা ও কলকাতা উভয় শহর থেকেই স্বার্থবাদীদের বিরোধিতা যেমন এসেছে, যাত্রা শুরুর পরেও তেমনি এই বিশ্ববিদ্যালয়কে সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় বৈরিতার মোকাবিলা করেই এগুতে হয়েছে।
৮ নভেম্বর ২০২২, ০৫:২৭ পূর্বাহ্ন

সতর্কবাণী পেলাম, যেন রাষ্ট্রবিরোধী কোনো কাজ না করি

শিক্ষক সমিতির যে তিনজন সম্পাদক ছিলেন—ডক্টর কায়েস, ডক্টর রফিকুল ইসলাম এবং আমাদের এক বন্ধু—তিনজনকেই ধরে নিয়ে গেছে। আহসানুল হক নামে আমাদের এক সহকর্মীকেও ধরে নিয়ে গিয়েছিল। তাদেরকে আবার আগস্ট মাসে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
৩ আগস্ট ২০২২, ০৪:০২ পূর্বাহ্ন