সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
জন্মদিনে সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী: যুদ্ধের পৃথিবীতে মানুষের হৃদয়ই সবচেয়ে বড় ভরসা
লেখক, সমাজচিন্তক ও শিক্ষাবিদ অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেছেন—পুঁজি আর ব্যক্তিমালিকানার এই যুদ্ধের পৃথিবীতে মানুষের হৃদয়ই সবচেয়ে বড় ভরসা। সেই ভরসা স্থাপন করতে হলে যে সংঘবদ্ধ প্রচেষ্টা দরকার, সেটাই এখনকার কর্তব্য।
২৩ জুন ২০২৫, ০৫:০৯ অপরাহ্ন
ইতিহাস না জানলে ভবিষ্যতের দিশাও আমরা খুঁজে পাব না: সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
আজ শনিবার রাজধানীর দ্য ডেইলি স্টার সেন্টারে ‘আবুল মনসুর আহমদ বুক রিভিউ প্রতিযোগিতা-২০২৫’ এর পুরস্কার বিতরণী ও আলোচনা অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
২২ মার্চ ২০২৫, ০২:১০ অপরাহ্ন
কেন বাংলা একাডেমিতে ২৫ বছর নির্বাচন হয় না
স্বৈরাচারের আমলেও নির্বাচন ছাড়া নির্বাহী পরিষদ গঠিত হয়েছে। ভোটাধিকার থেকে আমরা বঞ্চিত। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতার বিজয়ের পরে একইভাবে নির্বাহী পরিষদ গঠিত হবে?
৫ নভেম্বর ২০২৪, ১১:০৫ পূর্বাহ্ন
আমি মর্মাহত এবং বাকরুদ্ধ: সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
‘মানুষ এই সরকারকে আর বিশ্বাস করে না’
২ আগস্ট ২০২৪, ০৪:২০ অপরাহ্ন
এখনো মানুষের স্বপ্ন আছে, মনুষ্যত্ব আছে
সেই মানুষের উপর আস্থা আমাদের রাখতেই হবে, ওই যে ভালো মানুষটি তিনি অপরিচিত লোককে দেখলে এগিয়ে যান, হাসপাতালে রেখে আসেন, সেই মানুষটি; সেই মানুষেরা, আমাদের আশা। আমরাও সে মানুষ হওয়ার আশা ব্যক্ত করছি।
৬ জুলাই ২০২৪, ০৫:১০ অপরাহ্ন
আমরা যে আধুনিকতায় মানুষ হয়েছি
আমাদের বাংলা সাহিত্যে যে আধুনিকতার কথা আমরা জানি, সেটা হচ্ছে কলোনিয়াল আধুনিকতা।
৫ জুলাই ২০২৪, ০২:৫৩ অপরাহ্ন
এ সময় বিচ্ছিন্নতার
বাংলাদেশের এমপি-মন্ত্রীরা পুঁজিবাদী দীক্ষায় দীক্ষিত। তারা উপনিবেশিকতার চর্চা করে চলেছেন।
২ জুলাই ২০২৪, ০২:৩২ পূর্বাহ্ন
প্রতিদিনের খবর দুঃখজনক ও হতাশাব্যঞ্জক
উন্নতিটা পর্বতের মতো হবে না, হবে নদীর মতো। রাষ্ট্রের চরিত্রকে না বুঝলে, তাকে ভুলভাবে তুলে ধরলে এবং অধঃপতনকে উন্নতির প্রমাণ বলে প্রচার করলে, মানুষকে বিভ্রান্ত ও বিপথগামীই করা হবে।
২৪ এপ্রিল ২০২৪, ০২:২৭ পূর্বাহ্ন
পুঁজিবাদের হস্তক্ষেপ আজ সর্বত্র
কিন্তু বিপদ তো কেবল প্রকৃতির নয়, মানুষেরও। প্রকৃতির প্রতিশোধ বলে একটা ব্যাপার আছে, প্রকৃতি সেই প্রতিশোধটা নিচ্ছে। বিশ্বব্যাপী মানুষ আজ যতটা বিপন্ন তেমনটা আগে কখনো ঘটেনি।
৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৩:১০ পূর্বাহ্ন
রাষ্ট্রের চরিত্র বদলাতে হবে
আবার মাদ্রাসার লাখ লাখ তরুণরা নিজেদের সামনে অন্ধকার ছাড়া আর কিছুই দেখতে পায় না। কাজেই তাদের রাগ আছে এই গোটা ব্যবস্থার ওপর। ইংরেজি মিডিয়ামের ছেলেরাও দেখতে পাচ্ছে তাদের সামনে কোনো ভবিষ্যৎ নেই। তারা যে সৃষ্টিশীল, দুঃসাহসী, বীরত্বপূর্ণ কাজ করতে চায় সেটা তারা পাচ্ছে না।
১৮ জানুয়ারি ২০২৪, ০২:৫৫ পূর্বাহ্ন
একটি গণতান্ত্রিক সমাজ ও রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখেছি
রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা আগেও ঘটেছে, কোনোটিরই যথার্থ তদন্ত হয়নি, সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ তো ঘটেইনি। বারবার অপরাধীরাও যদি পার পেয়ে যায় তবে আগামীতে বিপদ যে বাড়বে তাতে কোনো সন্দেহ নেই।
৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০২:৩৭ পূর্বাহ্ন
আশা করি ক্যানসার প্রতিরোধে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ বাড়বে: সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
ক্যানসার সার্ভাইবার দিবস উপলক্ষে শনিবার বিকেলে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ আশা প্রকাশ করেন।
৩ জুন ২০২৩, ০৮:১৫ অপরাহ্ন
‘ডা. জাফরুল্লাহ সমাজের রোগ সারাতেও কাজ করেছেন’
সাভারে গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে স্মরণ
২৯ মে ২০২৩, ১২:০২ অপরাহ্ন
সময় ও সমাজ যাচ্ছে কোন দিকে
চলতি বছরে এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে অনুপস্থিত ছিল ৩৩ হাজার ৮৬০ পরীক্ষার্থী। ধারণা করা মোটেই অসঙ্গত নয় যে, এদের অধিকাংশই নিম্নবিত্ত পরিবারের সন্তান। এটাও অনুমান করি যে, ছেলেদের তুলনায় মেয়েরাই ঝরে পড়েছে অধিক সংখ্যাতে। কারো বিয়ে হয়ে যায়, কারো বাবা-মা পড়াশোনার খরচ যোগাতে ব্যর্থ হন। কিন্তু এরই মধ্যে কয়েকটি অসামান্য খবর বের হয়েছে যাতে দেখা যাচ্ছে মেয়েদের কেউ কেউ সে রকমেই অসম্ভব কাজ করেছে যেমনটা করেছে তাদেরই বয়সী সাফ চ্যাম্পিয়ান আমাদের নারী ফুটবল খেলোয়াড়রা।
২৫ ডিসেম্বর ২০২২, ০২:১৬ পূর্বাহ্ন
মওলানা ভাসানী ও ইসলামী সমাজতন্ত্র
ভাসানী সমাজতন্ত্রী ছিলেন, কিন্তু শেষ দিকে তিনি ইসলামী সমাজতন্ত্রের কথা বলছিলেন। এ নিয়ে বিস্ময় ও হতাশা দু’টোই দেখা দিয়েছে, বিশেষ করে তাঁর অনুরাগী ও অনুসারীদের ভেতরে। বদরুদ্দীন উমর মনে করেন যে, এটা ছিল তার রাজনৈতিক জীবনের একটি মস্ত বড় পশ্চাদ্গমন। ১৯৭০ সালের জানুয়ারিতে তিনি লিখেছেন, Whether the Maulana and his political associates understand the import of such declarations or not is a different question, but the fact of the matter is that by his latest stand the Maulana has struck at the very root of democratic politics in this country.
১৭ নভেম্বর ২০২২, ০৭:১৪ পূর্বাহ্ন
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কর্তব্য হবে মনুষ্যত্বকে রক্ষা করা
বিশ্ববিদ্যালয় তার অস্তিত্বের একশ’ বছর পার হয়ে এসেছে। সামনের দিনগুলোতে সে কিভাবে এগুবে সে প্রশ্নটা খুবই সঙ্গত। এগুতে হবে অবশ্য উচ্চশিক্ষার প্রতিষ্ঠান হিসেবেই। সেটাই দাঁড়াবে প্রধান ও প্রাথমিক দায়িত্ব। তার জন্য প্রয়োজন হবে বিতরণের লক্ষ্যে জ্ঞান আহরণ ও সৃষ্টি।
১২ নভেম্বর ২০২২, ০৬:৩৭ পূর্বাহ্ন
সাতচল্লিশ পশ্চিমবঙ্গ-পূর্ববঙ্গ পার্থক্যটাকে অনতিক্রম্য করে দিয়েছিল
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুখ্য ভূমিকাটা দাঁড়িয়ে গিয়েছিল শিক্ষা ও সংস্কৃতির চর্চার মধ্য দিয়ে পূর্ববঙ্গের অনগ্রসর সমাজকে এগিয়ে যেতে সাহায্য প্রদান করা। শিক্ষা সব সময়েই সংস্কৃতি ও সামাজিকতার সঙ্গে যুক্ত; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বেলাতে দায়িত্বটা ছিল বিশেষ ধরনের। একেতো পূর্ববঙ্গের সমাজ ছিল পিছিয়ে-পড়া; তদুপরি উচ্চশিক্ষার জন্য এই অঞ্চলে এটিই ছিল প্রথম বড় ও একক প্রতিষ্ঠান।
৭ নভেম্বর ২০২২, ০৪:৪৯ পূর্বাহ্ন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় আপত্তি ছিল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়েরও
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একশ বছরের ইতিহাস সংগ্রামের, অগ্রগামিতার ও গৌরবের। কিন্তু কোনো ইতিহাসই সরল রেখায় এগোয় না, ছেদ-বিচ্ছেদ ঘটে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষের ইতিহাসেও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রা নানাভাবে বিঘ্নিত হয়েছে, এমনও ঘটনা ঘটেছে যাতে বিশ্ববিদ্যালয়টি টিকতে পারবে কি না তা নিয়েই সংশয়ের সৃষ্টি হয়েছে।
৬ নভেম্বর ২০২২, ০৯:২৮ পূর্বাহ্ন
তরুণদের বিরোধ মোটেই সামান্য নয়
যে কিশোর, তরুণরা আজ পরস্পরকে খুন, জখম করছে, আসক্ত হচ্ছে নানাবিধ মাদকে, এক সময়ে তারা যেমন মুক্তিযুদ্ধে ছিল, তেমনি পূর্ববর্তী রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনেও ছিল। রাষ্ট্রভাষার জন্য আন্দোলন জয়যুক্ত হয়েছে, কিন্তু জয়ের প্রমাণ তো দেখতে পাই না, দেখতে পাই মাতৃভাষা কেবলি কোণঠাসা হচ্ছে। শহীদ দিবসের প্রভাতফেরীকে আদর আপ্যায়ন করে পাহারা দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে মধ্যরাতে, সকালের সেই অরুণ আলো মলিন হয়ে গেছে। রাতের অন্ধকারের কাছে তার আত্মসমর্পণ ঘটেছে।
৫ অক্টোবর ২০২২, ০২:২৪ পূর্বাহ্ন
শিক্ষায় দীক্ষাগুরুর বিদায় চাই
শিক্ষার সঙ্গে দীক্ষার কথাটাও আসে, ‘শিক্ষাদীক্ষা’ প্রায়শ একইসঙ্গে চলাফেরা করে। এই যোগাযোগটা কিন্তু অকারণে ঘটেনি; শিক্ষা ও দীক্ষা একইসঙ্গে থাকে, তা যতোই আমরা না-দেখার চেষ্টা করি না কেন। আসলে দীক্ষাই শিক্ষাকে পরিচালনা করে থাকে; ভেতর থেকে এবং অনেকটা অদৃশ্য পন্থায়। শিক্ষার পক্ষে ওই পরিচালনা না মেনে উপায় নেই।
২২ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০২:০৮ পূর্বাহ্ন