স্বামী বিবেকানন্দ

বঙ্গীয় নবজাগরণে লালন যেভাবে প্রতিনিধিস্থানীয়

লালন সাঁই দীর্ঘায়ু পেয়েছিলেন এবং উনিশ শতকের প্রায় পুরোটা সময় বেঁচেছিলেন। মীর মশাররফ হোসেন সম্পাদিত ‘হিতকরী’ পত্রিকা সূত্রে জানা যায় লালনের মৃত্যু হয় ১৮৯০ খ্রিস্টাব্দে। ‘হিতকরী’ তার মৃত্যুর দু’সপ্তাহ পর প্রকাশিত এক সংবাদে এ কথা উল্লেখ করেন। সেখানে জন্মের সন তারিখ বলা হয় ১১৭৯ বঙ্গাব্দের ১ কার্তিক। সেই হিসেবে গোটা উনিশ শতক জুড়েই লালন  তাঁর সৃষ্টির সাধনায় মগ্ন ছিলেন। মানব হিতৈষণা ও হিতাকাঙ্ক্ষাই ছিল সেই সাধনার মূল সুর ও স্বর। লালন মানবতাবাদী ছিলেন। ধর্ম, সাম্প্রদায়িকতা, বর্ণ, শ্রেণী, বৈষম্যের ঊর্ধ্বে উঠে তিনি ভেদমুক্ত সমাজ গড়নের আহবান জানিয়েছিলেন গানে গানে। গোটা ঊনিশ শতকে তো বটেই বাংলা সাহিত্যে এবং বাংলার সামাজিক রাজনৈতিক ইতিহাসের কোথাও লালনের মতো চরিত্রের উপস্থিতি নেই।
৬ মার্চ ২০২৩, ১০:২১ পূর্বাহ্ন