কনসার্টে প্রবেশে বাধা দেওয়ায় চবিতে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষ
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) সমাজ বিজ্ঞান অনুষদের অডিটোরিয়ামে কনসার্টে প্রবেশে বাধা দেওয়ায় ছাত্রলীগের দু'গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় চবি ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল হক রুবেল ও সাবেক সাংগঠনিকে সম্পাদক মোহাম্মদ ইলিয়াছের সমর্থকের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এ বিষয়ে চবি প্রক্টর ড. রবিউল হাসান ভূঁইয়া দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'সমাজ বিজ্ঞান অনুষদের অডিটোরিয়ামে অর্থনীতি বিভাগের ৫১তম ব্যাচের র্যাগ ডে উপলক্ষে কনসার্ট চলছিল। এ সময় রেজাউল হক রুবেলের সমর্থকরা কনসার্টে ঢুকতে গেলে মোহাম্মদ ইলিয়াছের সমর্থকরা বাধা দেয় এবং তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এরপর সংঘর্ষ শুরু হয়। খবর পেয়ে প্রক্টরিয়াল বডি এবং পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। তারপর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।'
তিনি আরও বলেন, 'পরে সোহরাওয়ার্দী হল ও শাহ আমানত হল থেকে রুবেলের সমর্থকরা বের হয়ে আবার সংঘর্ষের চেষ্টা করে। কিন্তু, পুলিশ তাদের সরিয়ে দিয়েছে। পাশাপাশি সমাজ বিজ্ঞান অনুষদ এলাকা থেকেও সবাইকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। অনুষ্ঠান বন্ধ আছে। ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। আমার জানা মতে কেউ আহত হয়নি।'
এই বিষয়ে জানতে চাইলে চবি ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল হক রুবেল মুঠোফোনে দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'আজ বিকেলে মোহাম্মদ ইলিয়াছের সমর্থকরা সোহরাওয়ার্দী হলের এক কর্মচারীকে মারধর করে। ওই ঘটনাকে ধামাচাপা দিতে আমার সমর্থকের ওপর হামলা চালিয়েছে।'
চবি ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিকে সম্পাদক মোহাম্মদ ইলিয়াছ বলেন, 'রুবেলের সমর্থকরা বিনা কারণে আমাদের কর্মীদের ওপর হামলা করেছে। আমরা এই ঘটনার বিচার দাবি করছি।'
সোহরাওয়ার্দী হলের কর্মচারীকে মারধরের অভিযোগ নিয়ে তিনি বলেন, 'চবি ছাত্রলীগ সভাপতি অপরিপক্ক মন্তব্য করেছেন। সেখানে কোনো মারধরের ঘটনা ঘটেছে কিনা আমার জানা নেই। আর এমন কিছু ঘটলেও আমাদের কেউ তাতে জড়িত নই।'
হাটহাজারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, 'চবিতে ছাত্রলীগের দু'গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।'