ঈদের দ্বিতীয় দিনেও শিমুলিয়া ঘাট পার হয়েছেন ৭০ হাজার মানুষ
ঈদের দ্বিতীয় দিনেও পরিবারের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করতে ১৬ ঘণ্টায় শিমুলিয়া ঘাট দিয়ে পদ্মা পাড়ি দিয়েছেন প্রায় ৭০ হাজার মানুষ।
মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলার শিমুলিয়াঘাট থেকে ১৫৫টি স্পিডবোট ও ৮৫টি লঞ্চের মাধ্যমে ঘরমুখো মানুষ পদ্মা নদী পাড়ি দিয়েছেন। ঘাটে বর্তমানে দিনে ১০টি ও রাতে চলছে ৮টি ফেরি।
বুধবার সকাল ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া, মাদারীপুরের বাংলাবাজার ও শরিয়তপুরের মাঝিকান্দি নৌপথে লঞ্চ ও স্পিডবোটের মাধ্যমে এসব মানুষ পদ্মা পার হয়েছেন।
শিমুলিয়া নদী বন্দরের নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী পরিচালক এবং সহকারী বন্দর ও পরিবহন কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. শাহাদাত হোসেন দ্য ডেইলি স্টারকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, ঈদের দ্বিতীয় দিন শিমুলিয়া ঘাট থেকে ২৪৬টি ট্রিপে বাংলাবাজার ও মাঝিকান্দি নৌপথে যাত্রী নিয়ে লঞ্চ ছেড়ে যায়। লঞ্চ ও স্পীডবোটে প্রায় ৭০ হাজার মানুষ পার হয়েছেন। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রচণ্ড যাত্রীর চাপ ছিল।
রাত সাড়ে ১০টায় বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) শিমুলিয়াঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) জামাল হোসেন জানান, দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত প্রায় ৫ শতাধিক ব্যক্তিগত গাড়ি শিমুলিয়াঘাট থেকে ফেরির মাধ্যমে পদ্মা পার হয়েছে। সারাদিন ঘাট এলাকায় যানবাহনের চাপ ছিল। তবে বিকালের পর গাড়ির চাপ কমে এসেছে।
তিনি জানান, দিনে ১০টি ফেরি চলাচল করেছিল আর রাতে ৮টি ফেরি চলছে। রাত সাড়ে ১০টায় ব্যক্তিগত গাড়ি পারের অপেক্ষায় নেই। মোটরসাইকেলের তেমন আনাগোনাও নেই। শুধু ৬০-৭০টি পিকআপ গাড়ি আছে। এসব গাড়ি এক ঘণ্টার মধ্যে পার করার পর ঘাট ফাঁকা হয়ে যাবে। তবে রাত ১০টার পর নির্ধারিত সময় অনুযায়ী লঞ্চ, স্পিডবোট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ফেরিতে যাত্রীরা পার হচ্ছেন।