‘জনপ্রতিনিধিরাই সবচেয়ে বেশি দখলবাজিতে জড়িত’
জনপ্রতিনিধিরা সে যে দলেরই হোক না কেন তারাই সবচেয়ে বেশি দখলবাজিতে জড়িত বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ ও বন উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার।
সোমবার দুপুরে কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলায় বন বিভাগের মেদাকচ্ছপিয়া ও ফাঁসিয়াখালী সহ-ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
উপমন্ত্রী বলেন, 'জনপ্রতিনিধিরাই সবচেয়ে বেশি দখলবাজিতে জড়িত। সে যেই দলেরই হোক। বন বিভাগে কর্মরত অনেকেই প্রত্যক্ষভাবে না হলেও পরোক্ষভাবে দখলদারদের সঙ্গে জড়িত। এসব লোকের কারণে দেশের ক্ষতি হচ্ছে।'
তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, 'বিভিন্ন ঘটনায় ৮০ থেকে ৯০ শতাংশতেই জনপ্রতিনিধিরা জড়িত।'
দখলদার ও বনজ সম্পদ ধ্বংসকারীদের তালিকা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান উপমন্ত্রী।
উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার আরও বলেন, নিজের এলাকার বনজ সম্পদ নিজেকে রক্ষা করতে হবে। সব সেক্টরে অপকর্ম হয়। শতভাগ সৎ মানুষ মেলে না। একে অপরের দোষ দিয়ে লাভ নাই। নিজেকে সৎ হতে হবে। পারস্পরিক দড়ি টানাটানির অবসান চাই। তাহলেই কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতো পারবো। বনজ সম্পদ ধ্বংসকারীদের সহায়তা না করে তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলুন।'
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন কক্সবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য, পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য জাফর আলম। এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন সংরক্ষক বিপুল কৃষ্ণ দাস, বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরী, কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) মো. আবু সুফিয়ান, নেচার কনজারভেশন ম্যানেজমেন্ট (নেকম) এর জ্যেষ্ঠ পরিচালক রাশিদুজ্জামান আহমদ।