নৌকা ও বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষে আহত ১৫
ধামরাইয়ে ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সুয়াপুর আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী ও আ. লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।
আজ শনিবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে সোয়াপুর বাজার এলাকায় নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী কফিল উদ্দিন ও বিদ্রোহী প্রার্থী হাফিজুর রহমান সোহরাবের সমর্থকদের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়।
ধামরাই থানার পরিদর্শক (অপারেশন) নির্মল কুমার দাস দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'সোয়াপুর বাজার এলাকায় নৌকার পার্থী ও স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ঠিক কতজন আহত হয়েছেন বলা যাচ্ছে না। তবে নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর ছেলের হাতের আঙ্গুল কেটে গেছে বলে আমরা তথ্য পেয়েছি।'
তিনি আরও বলেন, 'ঘটনাস্থল থেকে পুলিশের দলটি ফিরে এলে বিস্তারিত জানাতে পারব।'
নৌকা প্রতীকের প্রার্থী কফিল উদ্দিনের ছেলে আব্দুল হান্নান বলেন, 'সোয়াপুর বাজারে নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর সময় বর্তমান চেয়ারম্যান ও স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান পার্থী হাফিজুর রহমান সোহরাবের সমর্থকরা আমাদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় আমাদের অন্তত ১২ জন কর্মী আহত হয়েছেন।'
তিনি আরও বলেন, 'তাদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আমার বড় ভাই আব্দুল হালিমের ডান হাতের আঙ্গুল কাটা পড়েছে। আমার ভাইসহ আহত ৬ জনকে ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।'
ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা রিফফাত আরা জানান, এখানে যে ৬ জনতে আনা হয়েছিল তাদের একজনের ৩টি আঙুল কেটে গিয়েছে। তবে, সেগুলো বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়নি। আমরা প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়েছে।
এ বিষয়ে জানানতে আ. লীগের বিদ্রোহী পার্থী হাফিজুর রহমান সোহরাবের মুঠোফোনে একাধিক বার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
যোগাযোগ করা হলে ধামরাই উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আয়েশা আক্তার দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'আমি বিষয়টি মৌখিকভাবে শুনেছি। তবে, কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ করেননি।'