‘ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোয় ব্যবসায়ীদের বিশ্বাস করা ভুল ছিল’

‘বাজারে তেলের সরবরাহ স্থিতিশীলে প্রয়োজনে র‌্যাবের সহায়তা নেব’
স্টার অনলাইন রিপোর্ট

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, স্থানীয় বাজারে ভোজ্যতেলের দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি করায় ব্যবসায়ীদের বিশ্বাস করা ভুল ছিল।

আজ সোমবার সচিবালয়ে ভোজ্যতেলের বাজার ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, 'রমজানে স্থানীয় বাজারে ভোজ্যতেলের দাম না বাড়ানোর জন্য বলেছিলাম ব্যবসায়ীদের। সেসময় তাদের স্থানীয় বাজারে ভোজ্যতেলের দাম ঠিক রাখার দরকার ছিল।'

'তবে ব্যবসায়ীরা রমজানে ভোজ্যতেলের দাম না বাড়ালেও ঈদুল ফিতরের পরপরই অস্বাভাবিকভাবে দাম বাড়িয়েছেন', বলেন তিনি।

টিপু মুনশি বলেন, 'ব্যবসায়ীরা ভোজ্যতেলের দাম প্রতি লিটারে ৩৮ টাকা বাড়িয়েছেন। কিন্তু রমজানে ভোজ্যতেলের দাম বাড়লে এটা এতটা বাড়তো না।'

'রমজানে ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানো হলে এত অস্বাভাবিক দাম বাড়ত না এবং স্থানীয় বাজারে তেলের কোনো সংকট থাকত না', যোগ করেন তিনি।

মন্ত্রী মত প্রকাশ করেন যে, ব্যবসায়ীদের একটি অংশ সময়ের সুযোগ নিয়ে অধিক লাভের জন্য ভোজ্যতেল মজুদ করেন।

টিপু মুনশি জানান, বাজারে ভোজ্যতেলের স্থিতিশীল সরবরাহ বজায় রাখার প্রয়োজনে তার মন্ত্রণালয় র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) সহায়তা নেবে।

স্থানীয় বাজারে ভোজ্যতেলের দাম অস্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের মূল্য বৃদ্ধিকেও দায়ী করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, 'ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) আগামী জুন থেকে প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ১১০ টাকায় বিক্রি শুরু করবে।'

এ ছাড়া, মে'র মাঝামাঝি থেকে সারাদেশে ট্রাকের মাধ্যমে খোলা বাজারে ভোজ্যতেল বিক্রি (ওএমএস) শুরু হয়েছে বলেও জানান তিনি।