মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার প্রতিযোগী কিশোয়ার চৌধুরী আবারো ঢাকায়

মেহরিন মুবদি চৌধুরী

মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার ১৩তম সিজনের দ্বিতীয় রানার্স আপ কিশোয়ার চৌধুরী গত ১৬ মার্চ আবারো ঢাকায় এসেছেন। এই প্রতিভাবান শেফকে বাংলাদেশে আমন্ত্রণ জানিয়েছে দুর্জয় বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন (ডিবিএফ) নামের একটি সংস্থা।

দক্ষিণ এশিয়া ও অন্যান্য দেশের রন্ধনশৈলিসহ সব ধরনের শৈল্পিক ধারা ও শিল্পীদের প্রতি সহযোগিতার হাত প্রসারিত করার উদ্দেশ্যে এ প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু করেন দুর্জয় রহমান।

 

কিশোয়ার বলেন, 'আমি ডিবিএফের কাছ থেকে একটি অভিনব প্রস্তাব পেয়ে এখানে এসেছি। আমি ঢাকার বাসিন্দাদের জন্য আমার ব্যক্তিগত পছন্দ অনুযায়ী খাবারের একটি বিশেষ মেনু তৈরি করব। আশা করছি অভিজ্ঞতাটি চমকপ্রদ হবে।'

 

যদিও খুব শিগগির ঢাকা ছেড়ে যাবেন, তবুও কিশোয়ার আশা করছেন, পুরো সপ্তাহ সৃজনশীল কাজে ব্যয় করতে পারবেন। তিনি ঢাকার বিভিন্ন পুরনো স্মৃতিবিজড়িত খাবারের দোকান, নতুন রেস্তোরাঁ এবং খাবার ও রান্নার উপকরণের উৎসগুলোতে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।

 

'ফিরে যাওয়ার আগে আমি অবশ্যই ফুচকা, চটপটি আর মাওয়া ঘাটের ইলিশ মাছ ভাজা খেতে চাই। এসব ঐতিহ্যবাহী খাবারের স্বাদ গ্রহণ না করে আমি যেতেই পারব না', উৎসাহ নিয়ে যোগ করেন তিনি।

 

বাংলাদেশি রেসিপি নিয়ে লেখা পরবর্তী বই সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে কিশোয়ার বলেন, 'কাজ বেশ ভালো এগুচ্ছে। কাজটা পুরোপুরি শেষ করার আগে গবেষণার জন্য আমাকে আরও কয়েকবার বাংলাদেশে আসতে হবে।'

কয়েক মাস আগে পুরো দেশ তার স্তুতিতে ভাসছিল। পথের ধারের চায়ের আড্ডা থেকে শুরু করে সমাজের উঁচু শ্রেণীর সদস্যদের মিলনমেলা, সবখানেই আমাদের দেশের মেয়ে কিশোয়ার চৌধুরীর নাম শোনা যাচ্ছিল, যিনি অস্ট্রেলিয়ার মাস্টারশেফ প্রতিযোগিতায় সুনাম কুড়িয়ে বিশ্বের সেরা রন্ধনকুশলীদের মধ্যে নিজের অবস্থান তৈরি করছিলেন। প্রতিযোগিতা চলার সময় মনে হচ্ছিল, তিনি বিভিন্ন সুস্বাদু বাংলাদেশি খাবারের প্রদর্শনীর মাধ্যমে পুরো রন্ধন জগতকে তাক লাগিয়ে দিচ্ছেন।