রাজশাহীতে কালবৈশাখীতে ভেঙে গেছে ঈদগাহের প্যান্ডেল
রাজশাহীতে ঈদের প্রধান জামাত দরগাপাড়ার শাহ মখদুম ঈদগাহে হওয়ার কথা ছিল। কালবৈশাখী ঝড়ে প্যান্ডেল ভেঙে যাওয়ায় ঈদগাহ ময়দানে জামাত অনুষ্ঠিত হয়নি।
শুধু শাহ মখদুম ঈদগাহ নয়, রাজশাহী শহরের অধিকাংশ মাঠেই ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়নি। মহামারির ধকল কাটিয়ে ২ বছর পর শহরের ঈদগাহগুলোতে ঈদের নামাজ পড়ার ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছিল। বিপুল অর্থ ব্যয় করে ঈদগাহগুলো সাজানো হয়েছিল কিন্তু ঝড়ে সব ভেঙে গেছে।
রাজশাহীর মেয়র ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন সকাল সাড়ে ৮টায় কাদিরগঞ্জ বায়তুল আমান আহলে হাদীস জামে মসজিদে ঈদের নামাজ পড়েন। রাজনীতিবিদসহ অন্যান্য নাগরিক ঈদের নামাজ পড়েন নিজ নিজ এলাকায়।
রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক গিয়াসউদ্দিন জানিয়েছেন, যেখানে আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ করা হয় সেই স্থানে কোনো ঝড় রেকর্ড করা যায়নি। তবে ৫টা থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত ৫১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। বাতাস ছিল স্বাভাবিক।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ভোর ৫টা থেকে শুরু হয় কালবৈশাখী ঝড়। সঙ্গে ভারী বৃষ্টিপাত। ঘণ্টা খানেক ধরে চলে দমকা হাওয়া ও মুষলধারে বৃষ্টি। এরপর সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত চলে ঝিরিঝিরি বৃষ্টি। রাস্তায় রাস্তায় গাছের ভাঙা শাখা পড়ে থাকতে দেখা যায়। ঈদগাহগুলো নামাজ আদায়ের অনুপোযোগী হয়ে পড়ে।
পাড়া-মহল্লায় স্থানীয় মসজিদে দফায় দফায় অনুষ্ঠিত হয় ঈদের নামাজ। শাহ মখদুম ঈদগাহের পরিবর্তে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয় শাহ মখদুম দরগা মসজিদে। সকাল ৮টা ও সকাল ৯টায় দুটি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে সেখানে।
এছাড়া সাহেব বাজার বড় মসজিদ, শালবাগান, লক্ষ্মীপুর, বিশ্ববিদ্যালয় জামে মসজিদ, রুয়েট জামে মসজিদসহ পাড়া-মহল্লার মসজিদগুলোতে নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।
রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এএইচএম খারুজ্জামান লিটন সকাল সাড়ে ৮টায় নগরীর কাদিরগঞ্জ বায়তুল আমান আহলে হাদিস জামে মসজিদে ঈদের নামাজ আদায় করেন।
প্রত্যেক মসজিদে নামাজ শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণে মোনাজাত করা হয়।