১৫১ বছর ধরে ঈদগাহে নামাজ শেষে মিষ্টিমুখ করেন যে গ্রামের মানুষ
ঈদের নামাজ শেষ। একসঙ্গে ঈদগাহে বসে সেমাই, খিচুরি খাচ্ছেন গ্রামের মানুষ। ১৫১ বছর ধরে চলছে এই রীতি।
১৫১ বছরের ঐতিহ্যবাহী এই আখন্দ বাড়ি আব্দুল্লাহ জামে মসজিদ ঈদগাহ। ১৮৭১ সালে মো. আব্দুল আখন্দের উদ্যোগে এই ঈদগাহটি প্রতিষ্ঠিত হয়। শরীয়তপুর সদর উপজেলার শৌলপাড়া ইউনিয়নের গ্রামচিকন্দি এলাকায় এর অবস্থান।
প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই এই এলাকার মানুষ ঈদের নামাজ শেষে একসঙ্গে বসে ফিন্নি, পায়েস, সেমাই, খিচুরি ইত্যাদি খান। ঈদগাহ মাঠে আসার সময় সবাই নিজ নিজ বাড়ি থেকে এসব নিয়ে আসেন।
ঈদগাহ কমিটির সভাপতি আ্যডভোকেট হেলাল উদ্দিন আখন্দ দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'আজ সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে ঈদের নামাজ শুরু হয়। আমার দাদার বাবা আব্দুল আখন্দ ১৮৭১ সালে মসজিদটি প্রতিষ্ঠা করেছেন। এলাকাবাসীর মধ্যে ভ্রাতৃত্ব বন্ধন দৃঢ় করতে এক নতুন নিয়ম চালু করা হয়। যারা ঈদের জামাতে আসেন তারা বাড়ি থেকে ফিন্নি, সেমাই, খিচুড়ি নিয়ে আসেন। নামাজের মোনাজাত শেষে সবাই একসঙ্গে বসে বাসা থেকে আনা খাবার খান।'
তিনি জানান, বংশ পরম্পরায় এখন 'পঞ্চম পুরুষ' আখন্দ বাড়ির ঈদগাহের এই ঐতিহ্য ধরে রাখার দায়িত্ব পালন করছেন।