২৪ ঘণ্টায় বঙ্গবন্ধু সেতু পার হয়েছে ৫ হাজার মোটরসাইকেল, মোট যান সাড়ে ৩৩ হাজার
গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল থেকে আজ শুক্রবার সকাল ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় বঙ্গবন্ধু সেতু দিয়ে প্রায় ৩৩ হাজার ৫৩৯টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর মধ্যে মোটরসাইকেল ছিল প্রায় ৫ হাজার।
শুক্রবার সকালে কয়েকশত মোটরসাইকেল সেতু পারাপারের অপেক্ষায় থাকায় বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্ব পাড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়।
পরে উত্তরবঙ্গগামী মোটরসাইকেল পারাপারের জন্য দুটি লেন চালু করা হয়। সেতুর পূর্ব পাড়ের গোল চত্বর থেকে মোটরসাইকেলগুলো স্টকইয়ার্ড (মালবাহী পরিবহন থেকে মালামাল আনলোডের স্থান) সড়ক দিয়ে সেতুর টোল প্লাজায় প্রবেশ করে।
বঙ্গবন্ধু সেতুর টোল প্লাজা সূত্র দ্য ডেইলি স্টারকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সূত্র জানায়, গত ঘণ্টায় সেতু পার হওয়া যানবাহন থেকে টোল আদায় হয়েছে মোট ২ কোটি ৭৭ লাখ ২৯ হাজার ৫০০ টাকা।
গত বছর ১৩ এপ্রিল রোজার ঈদের সময় রেকর্ড ৫২ হাজার ৭৩০টি যানবাহন বঙ্গবন্ধু সেতু পার হয়েছিল। টোল আদায় হয়েছিল ২ কোটি ৯৯ লাখ টাকা।
এদিকে ঈদে যানবাহনের চাপ স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে অনেক বেড়ে গেলেও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের টাঙ্গাইল অংশে শুক্রবার যান চলাচল স্বাভাবিক ছিল।
বিকেল ৫টায় এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ব্যস্ত এই মহাসড়কে যানজট দেখা যায়নি।
একমুখী করে দেওয়ায় সেতুর পূর্ব সংযোগ সড়কের ১৩ কিলোমিটার সকাল ১০টার পর থেকে যানজট মুক্ত ছিল।
তবে ঢাকামুখী গাড়িগুলোর জন্য ভূঞাপুর রোড দিয়ে বাইপাস করে দেওয়ায় আঞ্চলিক মহাসড়কটিতে সারাদিনই থেমে থেমে যানজট ছিল। কখনও কখনও এই যানজট সেতুর উপর পর্যন্ত চলে যেতে দেখা যায়।
শেষ রাতে এবং সকালে বঙ্গবন্ধু সেতুর উভয় পাশের সংযোগ সড়কে তীব্র যানজট দেখা গেছে।
এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আতোয়ার রহমান আজ শুক্রবার বিকেলে দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'রাতে যানবাহনের চাপ প্রচুর বেড়ে যাওয়ায় ভোর থেকে সেতুর দুই প্রান্তে পূর্ব প্রান্ত থেকে টাঙ্গাইলের পৌলী পর্যন্ত ২০ কিলোমিটার এবং পশ্চিম প্রান্ত হতে নলকা পর্যন্ত ১৫ কিলোমিটার যানজটের সৃষ্টি হয়।'
এ সময় কয়েকবার সেতুর টোল আদায় বন্ধ রাখতে হয় এবং পরে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়ে যায় বলে জানান তিনি।

