রাশিয়ার বিরুদ্ধে ‘অর্থনৈতিক দস্যুতা’ দেখাচ্ছে পশ্চিমারা: ক্রেমলিন
ইউক্রেনে সংঘাতের কারণে অর্থনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে পশ্চিমারা 'দস্যুর মতো' আচরণ করছে বলে মন্তব্য করেছে ক্রেমলিন। আজ শনিবার রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে।
ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ সাংবাদিকদের বলেন, পশ্চিমারা রাশিয়ার বিরুদ্ধে 'অর্থনৈতিক দস্যুতা' দেখাচ্ছে এবং মস্কো এর জবাব দেবে। অর্থনৈতিক দস্যুতার সঙ্গে অবশ্যই আমাদের সংশ্লিষ্ট প্রতিক্রিয়া থাকবে।
তবে, কী জবাব দেওয়া হবে তা স্পষ্ট না করলেও রুশ স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই জবাব দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
পেসকভ সাংবাদিকদের বলেন, তবে এর অর্থ এই নয়- রাশিয়া বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। বিশ্ব এতটাই বড় যে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্র চাইলেই একটি দেশকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে না। পৃথিবীতে আরও অনেক দেশ আছে।
ইউক্রেনে আগ্রাসনকে প্রতিবেশী দেশকে নিরস্ত্র করতে 'বিশেষ সামরিক অভিযান' বলে অভিহিত করেছে রাশিয়া। এ ঘটনার পর থেকে পশ্চিমাদের একের পর এক নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়ছে রাশিয়া এবং দেশটির বাজার থেকে বড় বড় সংস্থাগুলো চলে যাচ্ছে।
পেসকভ উল্লেখ করেন, মস্কো এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে সংলাপের পথগুলো এখনো খোলা আছে।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি রাশিয়ার তেল ও গ্যাস রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে, তাহলে তা বিশ্ব জ্বালানি বাজারে যথেষ্ট প্রভাব ফেলবে।
প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের একটি কঠোর আইনের স্বাক্ষর নিয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে পেসকভ বলেন, এই ধরনের আইন মেনে চলতে হবে। একটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে জরুরিভিত্তিতে আইনটি চালু করা হয়েছে।