বিশ্লেষণ

কেন ইসরায়েলি কিছু পণ্যে নিষেধাজ্ঞা দিলো যুক্তরাজ্য-ফ্রান্স-কানাডা?

স্টার অনলাইন ডেস্ক

অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি সম্প্রসারণ এবং ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদে সহায়তার অভিযোগে ইসরায়েলের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে পশ্চিমা মিত্ররা। আজ মঙ্গলবার যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও কানাডা পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতিগুলো থেকে পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দিয়েছে।

দেশগুলো বলছে, দ্রুত বসতি সম্প্রসারণ ও সহিংসতা ফিলিস্তিনিদের জন্য একটি কার্যকর রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনাকে হুমকির মুখে ফেলছে এবং দুই-রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের পথ সংকুচিত করছে।

একই সময়ে দুই ইসরায়েলি ভাইয়ের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা একটি বসতি সম্প্রসারণ নেটওয়ার্ক কীভাবে সরকারি সহায়তা নিয়ে পশ্চিম তীরে দ্রুত জমি দখল ও নতুন বসতি স্থাপনে ভূমিকা রাখছে, তা এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে তুলে ধরেছে রয়টার্স।

ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এডওয়ার্ড মিলিব্যান্ড বলেছেন, শুধু অন্যায় ও দুর্ভোগের সমালোচনা করাই যথেষ্ট নয়, বসতি সম্প্রসারণ ঠেকাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। তার ভাষ্য, পশ্চিম তীরে বসতি সম্প্রসারণ ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সম্ভাব্যতাকে হুমকির মুখে ফেলছে।

পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনি শহর তাইবেহর কাছে একটি ইসরায়েলি বসতি ফাঁড়ির পাশে আগুন। ছবি: রয়টার্স

ব্রিটেন জানিয়েছে, নতুন আইন কার্যকর হতে ছয় থেকে নয় মাস সময় লাগতে পারে। তবে এর পাশাপাশি তারা সহিংসতায় জড়িত বলে অভিযুক্ত কয়েকজন উগ্রপন্থি ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীর ওপর তাৎক্ষণিক নিষেধাজ্ঞাও আরোপ করেছে।

ফ্রান্সও পশ্চিম তীরের বসতি থেকে পণ্য আমদানি নিষিদ্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে। দেশটির মতে, সেখানে বসতি সম্প্রসারণ ‘উন্মত্ত’ পর্যায়ে পৌঁছেছে এবং সহিংসতাও বেড়েছে। কানাডাও একই ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে।

তবে পশ্চিম তীরের বসতিগুলো থেকে রপ্তানির পরিমাণ তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় এসব বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞার অর্থনৈতিক প্রভাব সীমিত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এর মূল তাৎপর্য রাজনৈতিক, ইসরায়েলের বসতি নীতির বিরুদ্ধে পশ্চিমা দেশগুলোর অবস্থান আরও কঠোর হওয়ার ইঙ্গিত।

ব্রিটেন, ফ্রান্স, স্পেন, কানাডা, ডেনমার্ক, নরওয়ে, পোল্যান্ড ও সুইডেনসহ ১০টি দেশ দুই-রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে। এক যৌথ বিবৃতিতে তারা বলেছে, ন্যায়সঙ্গত ও দীর্ঘস্থায়ী শান্তির জন্য দুই-রাষ্ট্র সমাধান রক্ষা করতে তারা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।

পশ্চিম তীরে নিজের ছেলে ডেভিড লিবির স্মৃতিসৌধে গিয়ে কথা বলছেন ইসরায়েলি বসতিস্থাপনকারী এলিয়াভ লিবি। ছবি: রয়টার্স

দুই ভাইয়ের বসতি সম্প্রসারণ নেটওয়ার্ক

রয়টার্সের অনুসন্ধানে পশ্চিম তীরে বসতি সম্প্রসারণের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক উঠে এসেছে ইসরায়েলি ভাই এলিয়াভ লিবি ও হারেল ‘কোকো’ লিবির কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে। তাদের মালিকানাধীন ‘লিবি কনস্ট্রাকশন অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার’ প্রতিষ্ঠানটি পশ্চিম তীরে অবৈধ ফাঁড়ি বা ‘আউটপোস্ট’ নির্মাণে ব্যবহৃত প্রিফ্যাব্রিকেটেড ভবন তৈরি করছে।

ইসরায়েলি আইনের দৃষ্টিতেও অনুমোদনহীন এসব আউটপোস্ট অবৈধ। সাধারণত এক-দুটি প্রিফ্যাব্রিকেটেড বাড়ি দিয়ে এসব বসতির যাত্রা শুরু হয়। পরে সেখানে তরুণ ইসরায়েলি বসতিস্থাপনকারীরা গবাদিপশু নিয়ে অবস্থান নেয় এবং চারণভূমি, বেড়া, রাস্তা ও অন্যান্য অবকাঠামোর মাধ্যমে আশপাশের জমিতে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।

রয়টার্সের পর্যালোচনা অনুযায়ী, লিবি ভাইয়েরা ২০২৩ সালে হামাসের ইসরায়েলে হামলা এবং পরবর্তী গাজা যুদ্ধের পর পশ্চিম তীরে অন্তত নয়টি নতুন কৃষিভিত্তিক বসতি ফাঁড়ি প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রেখেছেন।

ইসরায়েলি বসতি পর্যবেক্ষণকারী সংগঠন পিস নাউয়ের হিসাবে, ২০২৩ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে পশ্চিম তীরে ১৮৪টি অনুমোদনহীন আউটপোস্ট তৈরি হয়েছে। শুধু ২০২৫ সালেই ৮৬টি নতুন আউটপোস্ট প্রতিষ্ঠার দাবি করেছে সংগঠনটি।

রয়টার্সের পর্যালোচনায় দেখা গেছে, এসব আউটপোস্টের বিস্তার পশ্চিম তীরের বিশাল এলাকাজুড়ে ফিলিস্তিনিদের চলাচল ও কৃষিকাজ সীমিত করছে। পিস নাউ ও ইসরায়েলি মানবাধিকার ও গবেষণা সংগঠন কেরেম নাভোটের এক যৌথ প্রতিবেদনের হিসাবে, আউটপোস্টগুলো এখন পশ্চিম তীরের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ ভূখণ্ডজুড়ে বিস্তৃত।

সরকারি সহায়তার অভিযোগ

রয়টার্স বলছে, লিবি ভাইদের কর্মকাণ্ড শুধু ব্যক্তিগত উদ্যোগে সীমাবদ্ধ নয়। সরকারি নথি ও বিভিন্ন সূত্রের মাধ্যমে তাদের জন্য ইসরায়েলি সরকারের আর্থিক ও প্রশাসনিক সহায়তার তথ্য পাওয়া গেছে।

তাদের প্রতিষ্ঠানকে কারখানা নির্মাণ ও পশুচারণের অনুমতি এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের অনুদান দেওয়া হয়েছে। ২০২১ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে তাদের প্রতিষ্ঠান ও দুটি বসতি মিলে কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে প্রায় এক লাখ ৬৮ হাজার ৫৮৬ শেকেল অর্থ পেয়েছে। চলতি বছরের জন্য আরও প্রায় এক লাখ ৭ হাজার শেকেল অনুমোদিত হয়েছে বলে সরকারি নথিতে উল্লেখ রয়েছে।

এ ছাড়া, লিবি পরিবারের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে এমন একটি সংগঠনও সরকারি অর্থ পেয়েছে বলে রয়টার্সের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও বিভিন্ন কাজে লিবিদের প্রতিষ্ঠানকে নিয়োগ দিয়েছে। এর মধ্যে গাজায় ধ্বংসযজ্ঞ পরিচালনার জন্য ভারী যন্ত্রপাতি ও চালক সরবরাহের কাজও ছিল।

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজসহ সরকারের কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এলিয়াভ লিবির সঙ্গে বৈঠক করেছেন। কাৎজ প্রকাশ্য বক্তব্যে পশ্চিম তীরের কৃষিভিত্তিক আউটপোস্টগুলোকে শক্তিশালী করার পক্ষে অবস্থান জানিয়েছেন।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী অবশ্য লিবি ভাইদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক থাকার কথা অস্বীকার করেছে। তবে সেনাবাহিনী জানিয়েছে, পশ্চিম তীরের অনিয়ন্ত্রিত কৃষিভিত্তিক আউটপোস্টগুলো এবং আশপাশের এলাকার নিরাপত্তার জন্য তারা সমন্বয় করে থাকে।

ইহুদি উগ্রপন্থীদের অগ্নিসংযোগের পর একটি বাড়ি পরিদর্শন করছেন এক ফিলিস্তিনি। পশ্চিম তীরের দুমায় ওই হামলায় এক দম্পতি ও তাদের ১৮ মাস বয়সী শিশু নিহত হয়। ছবি: রয়টার্স

ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদের অভিযোগ

পশ্চিম তীরের দুমা গ্রামের বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন, লিবি ভাইদের প্রতিষ্ঠিত আউটপোস্টগুলোর কারণে তাদের ওপর চাপ ও হামলা বেড়েছে।

রয়টার্সের হিসাবে, ২০২২ সাল থেকে লিবি ভাইদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আউটপোস্টগুলোর আশপাশের এলাকা থেকে অন্তত ৪৩৪ জন মানুষ, যাদের অধিকাংশই যাযাবর বেদুইন পশুপালক সরে যেতে বাধ্য হয়েছেন।

দুমা গ্রামের স্থানীয় নেতা সুলেইমান দাওয়াবশেহ অভিযোগ করেছেন, বসতি স্থাপনকারীরা পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহে বাধা, জমি দখল এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ফিলিস্তিনিদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে।

মার্চে লিবি ভাইদের সংশ্লিষ্ট একটি আউটপোস্টের জন্য জমি দখলের পর কয়েকটি বেদুইন পরিবার এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

জাতিসংঘের মানবিক সংস্থা ওসিএইচএর তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপনকারীদের হামলায় ফিলিস্তিনিদের হতাহতের ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। গত বছর অন্তত ১৬ ফিলিস্তিনি নিহত এবং এক হাজার ১০০ জনের বেশি আহত হন। চলতি বছরের আগস্ট পর্যন্ত ২৩ ফিলিস্তিনি নিহত ও এক হাজারের বেশি আহত হওয়ার তথ্য রয়েছে।

ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে এসব সহিংসতা ঠেকাতে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। জাতিসংঘের একটি তদন্তে বলা হয়েছে, কিছু ক্ষেত্রে ইসরায়েলি সেনারা বসতি স্থাপনকারীদের সঙ্গে থেকে ফিলিস্তিনি গ্রামগুলোতে হামলার সময় তাদের নিরাপত্তা দিয়েছে।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী অবশ্য বলেছে, সেনাদের দায়িত্বের মধ্যে ফিলিস্তিনি বা তাদের সম্পত্তির ওপর হামলা ঠেকানোও রয়েছে এবং নির্দেশনা অমান্য করলে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

পশ্চিম তীরের ইসরায়েলি বসতি শিলোতে লিবি ইনফ্রাস্ট্রাকচার অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন প্রতিষ্ঠানের কারখানা। ছবি: রয়টার্স

দুই-রাষ্ট্র সমাধান নিয়ে উদ্বেগ

ইসরায়েল ১৯৬৭ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের পর থেকে পশ্চিম তীর নিয়ন্ত্রণ করছে। জাতিসংঘ ও বিশ্বের অধিকাংশ দেশ সেখানে ইসরায়েলি বসতিগুলোকে আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী বলে মনে করে। ইসরায়েল এ অবস্থান প্রত্যাখ্যান এবং পশ্চিম তীরের সঙ্গে ইহুদিদের ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে।

ইসরায়েলের বর্তমান সরকারের কয়েকজন ডানপন্থি নেতা প্রকাশ্যেই পশ্চিম তীরকে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত করার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোত্রিচ পশ্চিম তীরে ‘বাস্তবিক সার্বভৌমত্ব’ প্রতিষ্ঠার কৌশলের কথা বলেছেন।

ফিলিস্তিনি কর্মকর্তাদের মতে, বসতি সম্প্রসারণের লক্ষ্যই হলো একটি স্বাধীন ও ভৌগোলিকভাবে সংযুক্ত ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনাকে নষ্ট করা।

এদিকে মঙ্গলবার ইসরায়েল পশ্চিম তীরে আরও প্রায় এক হাজার নতুন বাড়ি নির্মাণের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে জেরুজালেমের কাছাকাছি ই১ এলাকার বসতি প্রকল্পটি বিশেষ উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে। সমালোচকদের মতে, ওই এলাকায় বসতি সম্প্রসারণ হলে ভবিষ্যৎ ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের ভূখণ্ডের ধারাবাহিকতা ব্যাহত হতে পারে।

পশ্চিম তীরের আনাতায় অভিযান চালাচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী। ছবি: রয়টার্স

পশ্চিমা চাপ বাড়ছে

লিবি ভাইদের বিরুদ্ধে এরইমধ্যে ব্রিটেন, কানাডা, ফ্রান্স, নরওয়ে ও অস্ট্রেলিয়া নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। ব্রিটেন তাদের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে সহিংসতা ও অবৈধ ভূমি দখলে ভূমিকা রাখার অভিযোগ করেছে।

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রে জো বাইডেন প্রশাসনের সময় উগ্রপন্থি ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হলেও ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর সেগুলো প্রত্যাহার করা হয়। ট্রাম্প প্রশাসন ইসরায়েলি বসতি বিষয়ে দীর্ঘদিনের মার্কিন অবস্থানও শিথিল করেছে।

তবে ইউরোপের কয়েকটি দেশ এখন ইসরায়েলের বসতি নীতির বিরুদ্ধে আরও কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানাচ্ছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নজুড়ে একই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ এখনো প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় আটকে আছে।

ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী মিলিব্যান্ড বলেছেন, পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ওপর চলমান চাপ এবং বসতি সম্প্রসারণকে আর উপেক্ষা করা সম্ভব নয়। তার ভাষায়, দুই-রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান রক্ষায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এখনই পদক্ষেপ নিতে হবে।

এদিকে ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোত্রিচ ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির পূর্ব জেরুজালেমে ব্রিটিশ কনস্যুলেট বন্ধ করার দাবি তুলেছেন। ইসরায়েলি প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগও ব্রিটেনের পদক্ষেপকে ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ হিসেবে সমালোচনা করেছেন।

এতে পশ্চিম তীরে বসতি সম্প্রসারণকে কেন্দ্র করে ইসরায়েল ও তার কয়েকটি ঐতিহ্যবাহী পশ্চিমা মিত্রের মধ্যে কূটনৈতিক টানাপোড়েন আরও গভীর হচ্ছে।