সরকার অতিরিক্ত ব্যাংক ঋণ নেওয়ায় তারল্য সংকুচিত হচ্ছে: ডিসিসিআই

স্টার বিজনেস রিপোর্ট

ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে সরকার অতিরিক্ত ঋণ নেওয়ায় তারল্য সংকুচিত হচ্ছে এবং এর ফলে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের (এসএমই) জন্য ঋণ পাওয়া আরও কঠিন ও ব্যয়বহুল হয়ে উঠছে বলে মনে করছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)।

সংগঠনটি সরকারকে ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার ওপর নির্ভরতা কমানোর আহ্বান জানিয়ে উল্লেখ করেছে, এতে বেসরকারি খাতের ঋণ পাওয়া বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

গত বছরের জুলাই থেকে ১ এপ্রিল পর্যন্ত অন্তর্বর্তী সরকার ও বিএনপি-নেতৃত্বাধীন সরকার অন্তত ১ লাখ ৩ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে, যা ২০২৫-২৬ অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রার ৯৯ দশমিক ৫৪ শতাংশ।

২০২৬–২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট প্রস্তাবে ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকায় আয়োজিত এক আলোচনায় ডিসিসিআই জানায়, বেসরকারি খাতনির্ভর প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে হলে সরকারের অভ্যন্তরীণ উৎসের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ব্যাংকিং ব্যবস্থার ওপর চাপ কমানো অত্যন্ত জরুরি।

ডিসিসিআই ব্যক্তিপর্যায়ে করমুক্ত আয়সীমা ৫ লাখ টাকা এবং সর্বোচ্চ করহার ৩০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২৫ শতাংশ করার আহ্বান জানিয়েছে।

পাশাপাশি নীতিগত সুদহার যৌক্তিক করার আহ্বান জানিয়ে ডিসিসিআই বলেছে, ভারসাম্যপূর্ণ সুদের হার কাঠামো মূল্যস্ফীতির চাপ না বাড়িয়ে স্থানীয় বিনিয়োগ উৎসাহিত করবে।

সরকারি ব্যয়ের অদক্ষতা তুলে ধরে ব্যয় ব্যবস্থাপনায় উন্নতির দাবিও জানিয়েছে তারা।

ডিসিসিআই বলছে, ব্যয়ের দক্ষতা বাড়ানো গেলে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সরকারের ঋণগ্রহণের প্রয়োজনীয়তা কমে আসবে।