প্রথমবার তুরস্ক এসে ভীষণ ভালো লাগছে: ববিতা
আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন নায়িকা ববিতা। বাংলা সিনেমার সোনালি দিনের নায়িকা হিসেবে পরিচিত তিনি। দর্শকদের বিপুল ভালোবাসা পেয়েছেন তিনি।
সত্যজিৎ রায়ের সিনেমা করেও নন্দিত হয়েছেন।
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, জাতীয় চলচ্চিত্রে আজীবন সম্মাননা, একুশে পদকসহ বহু অসংখ্য পুরস্কার ও সম্মান পেয়েছেন ববিতা।
ববিতা তার বোন চম্পা ও ভাইকে নিয়ে তুরস্কে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।
দ্য ডেইলি স্টারের সঙ্গে তুরস্ক ভ্রমণ নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপে কথা বলেছেন ববিতা।
ববিতা বলেন, ‘প্রথমবারের মতো তুরস্ক এসেছি।
প্রথমবার এই দেশে এসে ভীষণ ভালো লাগছে। মন ভরে গেছে। যা দেখছি তাই ভালো লাগছে। মুগ্ধ হচ্ছি খুব।’
ববিতা আরো বলেন, ‘দুই বোন ও এক ভাই মিলে পরিকল্পনা করেই এসেছি। পৃথিবীর অনেক দেশ ঘুরেছি। কিন্তু তুরস্ক এবারই প্রথম আসা। এই দেশের অনেক ঐতিহ্য আছে, ইতিহাস আছে, কালচার আছে। পছন্দের একটি দেশ। অনেক দেরিতে এলেও উপভোগ করছি।’
ঘুরে বেড়ানোর উদাহরণ টেনে ববিতা বলেন, ‘এখানে আসার পর অনেক কিছু দেখার সুযোগ হয়েছে। আজ আমরা দারুণ একটা জায়গায় ঘুরব। জাহাজে করে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যাব। জাহাজেই খাওয়া-দাওয়া করব। আনন্দ করব।’
‘আমার বোন চম্পা এবং ভাই এসেছে। ওদেরও খুব ভালো লাগছে। তিনজন মিলে তুরস্ক ঘুরে বেড়ানোটা উপভোগ করছি। সুন্দর সুন্দর স্মৃতি জমা হচ্ছে। জীবনে এইসব সুন্দর স্মৃতিরও প্রয়োজন আছে’, যোগ করেন তিনি।
ববিতা বলেন, ‘কয়েকদিন আগে এসেছি। তুরস্কে নেমেই দারুণ এক ধরনের সুখকর অনুভূতি কাজ করেছে। দেশটা আসলেই সুন্দর।’
তুরস্কের খাবার-দাবার নিয়ে ববিতা বলেন, ‘এখানকার খাবার খুব ভালো। দেশে থাকলে বাঙালি খাবারই আমার পছন্দ। কিন্তু দেশের বাইরে তো নানান দেশে নানানরকম খাবার। তুরস্কের খাবার আমরা মজা করেই খাচ্ছি। খাবারগুলো অসাধারণ।’
অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘কয়েকটা দিন খুব ঘুরব। যত পারি দেখব। দেখার মধ্যে আনন্দ আছে। দেখার মধ্যে ভালো লাগা কাজ করে। সত্যি কথা বলতে তুরস্কে অনেক কিছু আছে দেখার মতো। যে কয়টি দিন থাকব শুধু দেখব।’
ববিতা বলেন, ‘আগামীকাল আরেকটি সুন্দর জায়গায় ঘুরব। ওখানে বেলুন উড়ানো হবে। আশা করছি অনেক আনন্দ করব।’

