পহেলা মে থেকে আশুগঞ্জ সার কারখানায় গ্যাস সরবরাহ চালু: জ্বালানি মন্ত্রী

স্টার অনলাইন রিপোর্ট

দেশের কৃষির কথা চিন্তা করে আগামী ১ মে থেকে আশুগঞ্জ সার কারখানায় গ্যাস সরবরাহ শুরু করবে সরকার। 

আজ বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ অধিবেশনে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

এর আগে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা সিদ্ধান্ত প্রস্তাবে বলেন, ‘আমার নির্বাচনী এলাকা ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ এর অন্তর্গত আশুগঞ্জ একটি শিল্প নগরী। এখানে আছে সার কারখানা, বিদ্যুৎকেন্দ্র, চালকল, মিল, ফ্যাক্টরি, বন্দর। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার গ্যাস যায় সারা বাংলাদেশে, কিন্তু ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ গ্যাস পায় না।’

এ তিনি সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসীর গ্যাসের চাহিদা পূরণ করার পর অন্য এলাকায় সরবরাহ করার দাবি জানান।

জবাবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঘরে ঘরে গ্যাস সংযোগ ও সরবরাহ সম্ভব না হলেও আশুগঞ্জ সার কারখানায় গ্যাস সরবরাহ চালুর সিদ্ধান্তের কথা জানান জ্বালানি মন্ত্রী টুকু।

মন্ত্রী বলেন, ‘২০১৬ সাল থেকে বাংলাদেশে গ্যাসের প্রেশার কমে গেছে। তবুও উৎপাদন চালিয়ে যাওয়ার জন্য শিল্প কারখানাগুলোতে যতখানি পারছি গ্যাস সরবরাহ করছি।’

‘বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার নতুন গ্যাস উত্তোলনের জন্য কোনো অনুসন্ধান করেনি। এই সেক্টরটাকে কোনো জবাবদিহিতার বাইরে গিয়ে পুরোপুরি আমদানি নির্ভর করে গেছে। এবং বিশাল বকেয়া রেখে গেছে। আমরা এই দুই মাসে বাপেক্সকে শক্তিশালী করে অনুসন্ধান শুরু করেছি। অনুসন্ধান সফল হলে নতুন সংযোগ দিতে পারব,’ বলেন ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানাকে একটি সুখবর দিতে চাই যে, যদিও বিদ্যুতের উৎপাদনে আমাদের ক্ষতি হবে, তারপরেও দেশের কৃষির কথা চিন্তা করে আমরা ১ তারিখ থেকে ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরিতে গ্যাস দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

পরে কণ্ঠভোটের মাধ্যমে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঘরে ঘরে গ্যাস সরবরাহ করা হোক— সিদ্ধান্ত প্রস্তাবটি প্রত্যাহার করতে সম্মত হন সংসদ সদস্যরা।